বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
গোমস্তাপুরে আল-মদিনা ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে ইউপি সদস্যসহ দুই মাদক কারবারি নিহত নওগাঁয় জেল থেকে বেরিয়ই ফিল্মি স্টাইলে মারপিট, দোকান ভাংচুর ও লুটপাট মিরপুর প্রেসক্লাবের নতুন সভাপতি গোলাম কাদের ও সাধারণ সম্পাদক মীর পলাশ কুষ্টিয়ায় নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সম্পাদকদের ক্ষোভ প্রকাশ সাতক্ষীরার দেবহাটার ইজিবাইক চালক মনিরুল হত্যার আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবী  সবজি বোঝাই ট্রাকে অস্ত্রের চালান! নওগাঁয় লিটন ব্রিজের একাংশ দখল ভ্রাম্যমান দোকানে: কর্তৃপক্ষ নিরব সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দরের করোনার কারণে দেখা দিয়েছে চরম সংকট  চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুব, সহ-সভাপতি জোবদুল ও সম্পাদক অলক
শেরপুরে পানিবন্দি রয়েছে বিশ হাজার মানুষ

শেরপুরে পানিবন্দি রয়েছে বিশ হাজার মানুষ

শেরপুর প্রতিনিধি
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণ শেরপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি রয়েছেন জেলার প্রায় ২০ হাজার মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়ক। এছাড়া বন্যায় তলিয়ে গেছে কৃষকের রোপা আমনের বীজতলা ও সবজিক্ষেত। ১৮ জুলাই মধ্যরাত থেকে শেরপুরের ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার দুই সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন গ্রাম। এরই মধ্যে জেলায় ৫০ গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

জানা গেছে, বন্যার পানির তোড়ে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের পোড়ার দোকান ডাইভারশনের বেইলি সেতুর দক্ষিণ পাশের মাটি ধসে যাওয়ায় তিনদিন ধরে জামালপুরসহ উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে বিকল্প রাস্তা হিসেবে বলায়ের চরের ভেতর দিয়ে ছোট যানবাহন চালাচল করলেও বন্ধ রয়েছে বড় যান চলাচল। ১৯ জুলাই জুলাই সকাল থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার দুই সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বাড়িঘরে বন্যার পানি প্রবেশ করায় চরপক্ষিমারী ইউনিয়নের কুলুরচর-বেপারিপাড়াসহ আশপাশের এলাকার বন্যাকবলিতরা গবাদি পশু নিয়ে পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।
বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিলেও শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের সঙ্কট রয়েছে। ওসব এলাকার বাসিন্দারা এক সপ্তাহ ধরে পানিবন্দি অবস্থায় থাকলেও এখন পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা পাননি।

কামারের চর ইউনিয়নের ৬ নম্বর চরের বাসিন্দা আফজল মিয়া, রবিউল মিয়া ও লাল মিয়াসহ অনেকেই বলেন, ‘আমরা খুব বিপদে আছি। আমাদের এলাকায় এখনও সরকারি কোনো ত্রাণ আসেনি। আমাদের ঘরে পানি উঠে গেছে। আমরা ঘর থেকে বের হতে পারছি না। ঘরের শুকনা খাবার খেয়ে বেঁচে আছি। রান্না করতে পারছি না।
জেলা খামারবাড়ির উপপরিচালক মোহিত কুমার দে বলেন, এবারের বন্যায় জেলায় ৩৩৮ হেক্টর জমির বীজতলা ও ৪৬ হেক্টর জমির সবজির ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। যদি তিন-চারদিনের মধ্যে পানি না নামে তাহলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে কৃষকদের। দ্রুত পানি নেমে গেলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে না।
এ ব্যাপারে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওয়ালীউল হাসান বলেন, এখন পর্যন্ত শেরপুর জেলায় বন্যাকবলিতদের জন্য নগদ আড়াই লাখ টাকা ও ১৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। যা পর্যায়ক্রমে দেয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2018 khoborbangladesh.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com