রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রতিবন্ধীর স্ত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা বিচারের দাবিতে মানববন্ধন পরিবেশ বান্ধব ঢাকা গড়তে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে : দেলোয়ার হোসেন আদমদীঘিতে নড়বড়ে অবস্থায় রেল ব্রীজ, তবু ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন জাতীয় ছাত্র সমাজ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাথে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদকাসক্ত ২৬ পুলিশ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে সেই সাইফুরের রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধার কুমারখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ  কুষ্টিয়া জেলা আ’লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খাঁন একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক গাইবান্ধায় প্রেমিকাকে ডেকে এনে গণ ধর্ষণ,আটক ৪ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭২ হাজার টাকায় ধর্ষণের সালিস, ক্ষোভে কিশোরীর আত্মহত্যা
ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধে প্রভাব পড়বে না, যোগাযোগ করা হচ্ছে বিকল্প দেশের সাথে

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধে প্রভাব পড়বে না, যোগাযোগ করা হচ্ছে বিকল্প দেশের সাথে

ফেরদৌস সিহানুক (শান্ত) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
অতিবৃষ্টি ও বন্যায় সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় হঠাৎ করেই সোমবার বিকেলে নিজ দেশের বাজারে দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে বাংলাদেশে। এর অংশ হিসেবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনামসজিদ স্থলবন্দরেও বন্ধ রয়েছে পেঁয়াজ আমদানি। বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, এমন সীধান্তে ভারতীয় সীমান্তে ১৫০-২০০ ট্রাক পেঁয়াজ বাংলাদেশ আসার অপেক্ষায় রয়েছে। মঙ্গলবার নতুন করে কোন অর্ডারও গ্রহণ করেনি রপ্তানিকারকরা। ভারতের এমন হঠাৎ সীধান্তে সারাদেশের ন্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জেও অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে পেঁয়াজের বাজার। খুচরা বাজারে কেজি প্রতি দাম বেড়েছে ১৫-২০ টাকা। তবে পেঁয়াজ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতের এই সীধান্তে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দামে তেমন কোন প্রভাব পড়বে না। কারন আগামী ১ মাসের জন্য চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজের মজুদ রয়েছে দেশে। এছাড়াও যোগাযোগ করা হচ্ছে মায়ানমার, তুর্কিস্থান, ইন্দোনেশিয়া, ভীয়েতনাম ও চীনসহ কয়েকটি দেশের সাথে। ১০-১৫ দিনের মধ্যেই এসব দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
মেসার্স সাজ্জাদ এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী পেঁয়াজ আমদানিকারক মাসুদ রানা জানান, গত ডিসেম্বরে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ও দাম বাড়ার সীধান্তে সৃষ্টি হওয়া পরিস্থিতি থেকে আমাদের শিক্ষা হয়েছে। ভারতের উপর শতভাগ নির্ভর করে পেঁয়াজ আমদানি করছি না আমরা। তাই রপ্তানি বন্ধের সীধান্তের পরপরই কয়েকটি দেশের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। খুব শীগ্রই অন্য বিকল্প দেশ হতে আমদানি শুরু হবে। তিনি আরো বলেন, আটকে পড়া পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবে আমদানিকারকরা।
ভারতীয় এই সীধান্তে পেঁয়াজের বাজারে কোন প্রভাব পড়বে না এবং এবিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেয় জানিয়ে পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবুল হাসনাত দুরুল বলেন, রবিবারও প্রায় অর্ধশত ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের উৎপাদনও এবছর তুলনামূলক অনেক বেশি। তাই এই মূহুর্তে পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দাম বৃদ্ধি করছে।
সোনামসজিদ স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. বুলবুল আহমেদ বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের কারন উল্লেখ করেনি ভারতীয় বানিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবসায়ীদের থেকে জানা গেছে এলসির দাম ১৬০ ডলার থেকে একলাফে ৮৫০ ডলারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এনিয়ে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টের সাথে কথা বলে পেঁয়াজ আমদানি-রপ্তানির বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2018 khoborbangladesh.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com