ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভূল অসত্য সংবাদ পরিবেশন করায় ব্যবসায়ীর  সংবাদ সম্মেলন কেটালী পাড়ায় দিনে দুপুরে সরকারী কোয়াটারে চুরি জনবান্ধব ভূমি সংস্কারে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ভূমিমন্ত্রী ভূমি অফিসে যেন কোনো দালাল না থাকে: মন্ত্রী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শাহীন আলম বিলাশবহুল ৮তলা বাড়ীর মালিক! মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নিয়ে এতো অনাসৃষ্টি কেন? চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা: শোভন দত্তের বিরুদ্ধে সরকারী টাকা আত্মসাত,বিদেশে টাকা পাচার,অবৈধ সম্পদ অর্জন ও নারী কেলেংকারীর অভিযোগ! দদুকের তদন্ত থাকা কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক ডিজি নিয়োগের তোড়জোড়! গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত, মহাসড়ক অবরোধ মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও  শহীদ  দিবসে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির শ্রদ্ধা নিবেদন 

প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর ডিবি পরিচয়ে তুলে নিলেন সাংবাদিক সৈয়দ শফিকুর রহমানকে

বিশেষ প্রতিনিধি :
২ ডিসেম্বর ও ৩ ডিসেম্বর ২০২০ ইংরেজি তারিখে সরকারি মিডিয়া ভুক্ত বহুল আলোচিত জাতীয় দৈনিক খবর বাংলাদেশ পত্রিকায় নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর খালিদ মাহামুদ চৌধুরী নামে বিভিন্ন দূর্নীতি-অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ হলে, ৫ ডিসেম্বর ২০২০ ইং তারিখে সাংবাদিক সৈয়দ শফিকুর রহমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। এবিষয়ে তার পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায় সৈয়দ শফিকুর রহমান, জাতীয় দৈনিক খবর বাংলাদেশ পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা ও মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি।
প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পরে ৫ ডিসেম্বর রাতে আমাদের বাসায় সাদা পোশাক পড়ে ৮/১০ জন লোক আসে ডিবি পুলিশ পরিচয় তাকে তুলে নিয়ে যায় এরপর আমরা বিভিন্ন থানায় ডিবি পুলিশের অফিসে খোঁজ নেই কিন্তু কেউ তার সন্ধান দিতে পারেনি, ডিবি পুলিশের অফিস থেকে বলা হয়েছে ঐ তারিখ রাতে আমাদের কোন টিম সৈয়দ শফিকুর রহমান নামে কাউকে তুলে আনেনি আপনারা আপনাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে অথবা অন্য জায়গায় খোঁজ নিয়ে দেখেন।
এর পর আমরা বিভিন্ন যায়গায় খোজাখুজি করতে থাকি তুলে নেয়ার ৩ দিন পেরিয়ে গেলে হটাৎ করে আমাদের মোবাইল নাম্বারে ফোন আসে সৈয়দ শফিকুর রহমানের মোবাইল নাম্বার থেকে, ওপাশ থেকে বলা হয় এই নাম্বার এর লোকটা আপনারা চিনেন কিনা তখন তার স্ত্রী বলেন সে আমার স্বামী হয়। তখন ঐ লোকটা বলেন আমরা এনাকে গাজীপুর মাওনা সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে তাকে গাজীপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করি তার দুটি পা একটি হাত ভাঙা অবস্থায় আছেন এবং মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।
তার স্ত্রী বলেন আমরা তাৎখানিক সেখানে ছুটে গিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অন্য মেডিকেলে এনে ভর্তি করি, সৈয়দ শফিকুর রহমান একটু সুস্থ হলে তার সাথে কথা বলে জানাযায় তাকে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহামুদ চৌধুরীর সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে নির্যাতন করে তার হাত পা ভেঙ্গে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন আমি সবসময় প্রাণনাশের আশংকায় আছি হয়তো আবার ওরা আমাকে যেকোনো সময় উঠিয়ে নিয়ে আমাকে মেরে ফেলতে পারে।
তিনি বলেন আমি যে সংবাদ প্রকাশ করেছি সেটা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নয়, একজন দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেছি তার জন্য আজ আমার এ অবস্থা আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি আমি আমার জীবনের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা চাচ্ছি এজন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল অসত্য সংবাদ পরিবেশন করায় ব্যবসায়ীর  সংবাদ সম্মেলন

প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর ডিবি পরিচয়ে তুলে নিলেন সাংবাদিক সৈয়দ শফিকুর রহমানকে

আপডেট টাইম : ১২:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২০

বিশেষ প্রতিনিধি :
২ ডিসেম্বর ও ৩ ডিসেম্বর ২০২০ ইংরেজি তারিখে সরকারি মিডিয়া ভুক্ত বহুল আলোচিত জাতীয় দৈনিক খবর বাংলাদেশ পত্রিকায় নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর খালিদ মাহামুদ চৌধুরী নামে বিভিন্ন দূর্নীতি-অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ হলে, ৫ ডিসেম্বর ২০২০ ইং তারিখে সাংবাদিক সৈয়দ শফিকুর রহমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। এবিষয়ে তার পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায় সৈয়দ শফিকুর রহমান, জাতীয় দৈনিক খবর বাংলাদেশ পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা ও মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি।
প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পরে ৫ ডিসেম্বর রাতে আমাদের বাসায় সাদা পোশাক পড়ে ৮/১০ জন লোক আসে ডিবি পুলিশ পরিচয় তাকে তুলে নিয়ে যায় এরপর আমরা বিভিন্ন থানায় ডিবি পুলিশের অফিসে খোঁজ নেই কিন্তু কেউ তার সন্ধান দিতে পারেনি, ডিবি পুলিশের অফিস থেকে বলা হয়েছে ঐ তারিখ রাতে আমাদের কোন টিম সৈয়দ শফিকুর রহমান নামে কাউকে তুলে আনেনি আপনারা আপনাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে অথবা অন্য জায়গায় খোঁজ নিয়ে দেখেন।
এর পর আমরা বিভিন্ন যায়গায় খোজাখুজি করতে থাকি তুলে নেয়ার ৩ দিন পেরিয়ে গেলে হটাৎ করে আমাদের মোবাইল নাম্বারে ফোন আসে সৈয়দ শফিকুর রহমানের মোবাইল নাম্বার থেকে, ওপাশ থেকে বলা হয় এই নাম্বার এর লোকটা আপনারা চিনেন কিনা তখন তার স্ত্রী বলেন সে আমার স্বামী হয়। তখন ঐ লোকটা বলেন আমরা এনাকে গাজীপুর মাওনা সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে তাকে গাজীপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করি তার দুটি পা একটি হাত ভাঙা অবস্থায় আছেন এবং মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।
তার স্ত্রী বলেন আমরা তাৎখানিক সেখানে ছুটে গিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অন্য মেডিকেলে এনে ভর্তি করি, সৈয়দ শফিকুর রহমান একটু সুস্থ হলে তার সাথে কথা বলে জানাযায় তাকে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহামুদ চৌধুরীর সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে নির্যাতন করে তার হাত পা ভেঙ্গে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন আমি সবসময় প্রাণনাশের আশংকায় আছি হয়তো আবার ওরা আমাকে যেকোনো সময় উঠিয়ে নিয়ে আমাকে মেরে ফেলতে পারে।
তিনি বলেন আমি যে সংবাদ প্রকাশ করেছি সেটা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নয়, একজন দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেছি তার জন্য আজ আমার এ অবস্থা আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি আমি আমার জীবনের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা চাচ্ছি এজন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।