ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মিরপুরে ওরা ভয়ংকর ভূমিদস্যু!

সোহেল রানা
রাজধানী মিরপুরে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মিরপুর-১ নম্বর, উত্তর বিশীল খ ব্লকের ২ নম্বর রোডের, ১৫/১ নং বাড়িটি গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ কয়েকজন ভুমিদস্যু ব্যক্তিকে স্বাক্ষী করে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে জাল কাগজপত্র দাখিল করে দখল করে নিয়েছে। সুত্রে আরো জানা যায় ওই বাড়িটির প্রকৃত মালিক ছিলেন মৃত্য খলিল সরদার এর ছেলে আব্দুর রহিম নামের এক ব্যক্তি । আব্দুর রহিম গত ২৮ মার্চ ১৯৮৭ ইং তারিখে চিকিৎসা সেবা নিতে গেলে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে মারা যান। বৈধ ওয়ারিশ দাবিদার হিসাবে মৃত আব্দুর রহিম এর ছেলেরা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বরাবর আবেদন করিলে মিরপুর ঢাকা গৃহায়ণ সংস্থাপন বিভাগ-১, সেকশন- ২, মিরপুর, ঢাকা দপ্তরের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রতারক শমসের ও ফারুক হোসেন সাক্ষী হয়ে ভূমিদস্যুরা জাল কাগজপত্র তৈরি করে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মিরপুরের তাজুল দেওয়ানের বোন মিসেস রাশেদা বেগমকে প্লটটি বরাদ্দ দেয়। রাশেদা বেগম নামজারি করার জন্য তার ভাই তাজুল দেওয়ানকে ১০ লক্ষ টাকা দেয়। কাগজ পত্র সঠিক না থাকায়, উত্তর বিশিল ২ নম্বর রোডের, খ-ব্লকের, ১৫/১ দুই তলা বিশিষ্ট্য বাড়িটির নামজারি করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তিতে জোর পূর্বক দখল, ও জালিয়াতির অভিযোগে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ ও মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী আব্দুর রহিমের ছেলে। ভুক্তভোগীরা আরো বলেন আমার বাবা ২৮ মার্চ ১৯৮৭ ইং তারিখে মৃত্যুর পরে তারা এক ভিক্ষুককে আব্দুর রহিম সাজিয়ে ১৯৯৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ভুমিদূশ্য শমসের ও ফারুক হোসেনকে স্বাক্ষী করে এই কাজটি করে। শমসের একজন প্রতারক ও ভুমি দূশ্য সে অনেক মামলায় জেল খেটেছেন। দখলদাররা ক্ষমতাসীন হওয়া আমরা নিরুপায়, অর্থের অভাবে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাশেদার ভাই তাজুল দেওয়ান আগে বিএনপি নেতা ছিলো বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের হাইব্রিড বড় নেতা। এর ফলে রাশেদা বেগম, শমসের , তাজুল দেওয়ান এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাদের ভয়ে কেউ কথা বলতে রাজি না, তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি প্রতিবেদককে জানান ঘটনাটি সত্য, কাগজে কলমে রাশেদা বেগমের নামে কিছু নেই, কিন্তু ক্ষমতার দাপট ও অর্থের বিনিময়ে এই প্লটটি জবর দখল করে নিয়েছে। এরা ক্ষমতাবান তাই তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় কথা বলার লোক নেই। ১৯৮৭ সালে যে ব্যক্তি মারা গেছে কি করে সম্ভব ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৪ সালে মৃত্য ব্যক্তি মরহুম আব্দুর রহিম রাশেদা বেগমকে জায়গা রেজিষ্ট্রি করে দিবে? তাহলে কি আমরা ধরে নিব আলিফ লায়লার মেগা সিরিয়াল? এ যেন আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের মতো। আরও বিস্তারিত আসছে আগামী পর্বে চোখ রাখুন……..।

ট্যাগস

মিরপুরে ওরা ভয়ংকর ভূমিদস্যু!

আপডেট টাইম : ১২:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

সোহেল রানা
রাজধানী মিরপুরে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মিরপুর-১ নম্বর, উত্তর বিশীল খ ব্লকের ২ নম্বর রোডের, ১৫/১ নং বাড়িটি গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ কয়েকজন ভুমিদস্যু ব্যক্তিকে স্বাক্ষী করে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে জাল কাগজপত্র দাখিল করে দখল করে নিয়েছে। সুত্রে আরো জানা যায় ওই বাড়িটির প্রকৃত মালিক ছিলেন মৃত্য খলিল সরদার এর ছেলে আব্দুর রহিম নামের এক ব্যক্তি । আব্দুর রহিম গত ২৮ মার্চ ১৯৮৭ ইং তারিখে চিকিৎসা সেবা নিতে গেলে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে মারা যান। বৈধ ওয়ারিশ দাবিদার হিসাবে মৃত আব্দুর রহিম এর ছেলেরা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বরাবর আবেদন করিলে মিরপুর ঢাকা গৃহায়ণ সংস্থাপন বিভাগ-১, সেকশন- ২, মিরপুর, ঢাকা দপ্তরের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রতারক শমসের ও ফারুক হোসেন সাক্ষী হয়ে ভূমিদস্যুরা জাল কাগজপত্র তৈরি করে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মিরপুরের তাজুল দেওয়ানের বোন মিসেস রাশেদা বেগমকে প্লটটি বরাদ্দ দেয়। রাশেদা বেগম নামজারি করার জন্য তার ভাই তাজুল দেওয়ানকে ১০ লক্ষ টাকা দেয়। কাগজ পত্র সঠিক না থাকায়, উত্তর বিশিল ২ নম্বর রোডের, খ-ব্লকের, ১৫/১ দুই তলা বিশিষ্ট্য বাড়িটির নামজারি করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তিতে জোর পূর্বক দখল, ও জালিয়াতির অভিযোগে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ ও মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী আব্দুর রহিমের ছেলে। ভুক্তভোগীরা আরো বলেন আমার বাবা ২৮ মার্চ ১৯৮৭ ইং তারিখে মৃত্যুর পরে তারা এক ভিক্ষুককে আব্দুর রহিম সাজিয়ে ১৯৯৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ভুমিদূশ্য শমসের ও ফারুক হোসেনকে স্বাক্ষী করে এই কাজটি করে। শমসের একজন প্রতারক ও ভুমি দূশ্য সে অনেক মামলায় জেল খেটেছেন। দখলদাররা ক্ষমতাসীন হওয়া আমরা নিরুপায়, অর্থের অভাবে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাশেদার ভাই তাজুল দেওয়ান আগে বিএনপি নেতা ছিলো বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের হাইব্রিড বড় নেতা। এর ফলে রাশেদা বেগম, শমসের , তাজুল দেওয়ান এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাদের ভয়ে কেউ কথা বলতে রাজি না, তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি প্রতিবেদককে জানান ঘটনাটি সত্য, কাগজে কলমে রাশেদা বেগমের নামে কিছু নেই, কিন্তু ক্ষমতার দাপট ও অর্থের বিনিময়ে এই প্লটটি জবর দখল করে নিয়েছে। এরা ক্ষমতাবান তাই তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় কথা বলার লোক নেই। ১৯৮৭ সালে যে ব্যক্তি মারা গেছে কি করে সম্ভব ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৪ সালে মৃত্য ব্যক্তি মরহুম আব্দুর রহিম রাশেদা বেগমকে জায়গা রেজিষ্ট্রি করে দিবে? তাহলে কি আমরা ধরে নিব আলিফ লায়লার মেগা সিরিয়াল? এ যেন আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের মতো। আরও বিস্তারিত আসছে আগামী পর্বে চোখ রাখুন……..।