শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বঙ্গমাতার ৯১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কোরআন খতম ও দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর

বঙ্গমাতার ৯১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কোরআন খতম ও দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী, মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর। রোববার (৮ আগস্ট) বিকাল ০৫ টার সময় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ সাইফুল রহমান ছোটন বলেন, ১৯৩০ সালের ৮ই আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, যিনি পরিবারে পরিচিত ছিলেন রেণু নামে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন তিনি। শুধু সহধর্মিনী হিসেবে নয়, রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে আজীবন প্রিয়তম বঙ্গবন্ধুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। ১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুর সপরিবার হত্যাযজ্ঞে তিনিও শহীদ হন। ইতিহাসে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল এক জন প্রাক্তন রাষ্ট্রনায়কের সহধর্মিণীই নন, বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে অন্যতম এক নেপথ্য অনুপ্রেরণাদাত্রী। বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। ছায়ার মতো অনুসরণ করেছেন প্রাণপ্রিয় স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে। এই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য অবদান রেখেছেন। জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন, এজন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অফুরান প্রেরণার উৎস হয়েছিলেন বেগম মুজিব। বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ ছয়-দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারে বারে পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবন যাপন করছিলেন, তখন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী বঙ্গমাতার কাছে ছুটে আসতেন, তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা বুঝিয়ে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জোগাতেন। যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন, সহ-সভাপতি শেখ মোঃ সুবহান,আলমগীর বেপারী, শামীম মির্জা,আবু তালেব,মইবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এম.মনির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমান গনি, পাখি আক্তার,মহিলা সম্পাদিকা বিলকিস ভান্ডারী, প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলাম, দারুসসালাম থানা সভাপতি জুয়েল বেপারী, সহ-সভাপতি রাজ্জাক, অপু,শাহিন, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামিম, সাংগঠনিক সম্পাদক তপু সহ মহানগরের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2018 khoborbangladesh.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com