ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে বাড্ডা থানার অপরাধীদের আতঙ্কের নাম ওসি ইয়াসীন গাজী কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র নেতৃত্বে সাজ্জাদ-মোশাররফ স্বামীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে খুন করে থানায় স্ত্রীর আত্মসমর্পণ কোটালীপাড়ায় তিন দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলার উদ্বোধন বেইলি রোডে আগুনে নিহত ৪৬ জয়পুরহাটে ৭ মামলার কুখ্যাত সন্ত্রাসী অস্ত্র ও মাদকসহ র‍্যাবের জালে আটক উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজিম উদ্দিনের কোলে শিশু মো. লাকিত হোসেন ধর্ষণ মামলার প্রধান একমাত্র পলাতক আসামি অবশেষে আটক মির্জাগঞ্জে দরিদ্র এক নিঃসন্তান বৃদ্ধের খড়ের গাদায় অগ্নিকাণ্ড

পিডিবিএফে ওদের দূর্নীতির কাছে গোলক ধাধার গল্পও হার মানায়

বিশেষ প্রতিনিধি :
পল্লী দারিদ্র বিমেচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) ফরিদপুর অঞ্চলের উপপরিচালকের কার্য্যলয়ে নাসরিন আক্তার ও সরোমা মন্ডল এফওআইটির দুর্নীতির কাছে গোলক ধাধার গল্পোও হার মানায় বলে সবার মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে। সুত্রে জানা যায়, নাসরিন আক্তার এফওআইটি চাকুরীর নিয়োগ অবৈধ, তিনি প্রায় ৩৭ বছর বয়সে ২০১৩ সনে ফরিদপুর ্উপ-পরিচালকের কার্য্যলয়ে যোগদান করেন। তার জন্ম তারিখ ৬/৭/১৯৭৬। পিডিবিএফ মহান জাতীয় সংসদে ২৩নং আইনের বলে স্ব-শ্বাসিত প্রতিষ্ঠান। ৩৭ বছর বয়সে সরকারি প্রতিষ্ঠান কিভাবে চাকুরি হলো এটা সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারিদের প্রশ্ন? তার আইডি কার্ড দেখে প্রমান পাওয়া গেল। নাসরিন আক্তার এর স্বামী গোলাম মোস্তফা বর্তমান নাটোর ডিডি কার্যালয়ে আছে। তিনি ফরিদপুরে এসএডি থাকা কালিন পাবনার ডিডি থাকা কালিন সময়ে নিয়োগ, বদলি বানিজ্য করে অঢেল সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন। ফরিদপুর শহরে কালি মন্দিরের পাশে ৫ শতক জমি কিনেছে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে। তারা দুইজন সদর উপজেলা ফরিদপুরের মনিরা বেগমের নিকট থেকে ৩ লাখ টাকা নিয়ে চাকুরি দিয়েছেন। গোলাম মোস্তফা এত প্রভাব শালি ও প্রতারক বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিচয়ে, মন্ত্রনালয় বড় অফিসার পরিচয় দিয়ে দৌলদিয়া-পাটুরিয়া ভিআইপি ফেরিতে জনগন পারাপার করতেন কিছু অর্থের বিনিময়ে। উল্লেখিত মোবাইল নম্বর ০১৭১২৯৪৭১৫০ চেক করলে উঠে আসবে তার সকল অপকর্ম। নাসরিন আক্তার এর একটি চোখ কানা, অন্ধ আর একটি কোন রকমে দেখতে পান। ফলে তিনি কোন কাজ ঠিকঠাক মত করতে পারেন না। চোখ অন্ধ থাকায় আইটি শাখার প্রায় কাজ নানা রকম ভুল করেন, তবু তার প্রভাব এর ফলে কেহ কিছু বলতে সাহস পায় না। সে তার স্বামীকে পাবনা অঞ্চলে ডিডি বাানানোর জন্য চার লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ছিলেন, তার ব্যাংক হিসাব থেকে একদিনে তুলে দিয়েছেন। ব্যাংক হিসাবের ষ্টেটমেন্ট চেক করলে দেখা যাবে। সোনালী ব্যাংকের টেপাখোলা শাখা ফরিদপুর। তার সংগে তারই ঘনিষ্টজন সরোমা মন্ডল, এফওআইটি ডিডি কার্য্যলয়ে ফরিদপুরে আছেন তিনি এতই চরিত্রহীন যাহা ভাষায় বর্ননা করা যায় না বলে জানা যায়। তার সঙ্গে বিআরডিবি বালিয়াকান্দি উপজেলার এআরডিওর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো, তাই তাকে সাত লাখ টাকার বিনিময়ে চাকুরি দিয়েছেন, সরোমা মন্ডলকে তার স্বামীর কর্মস্থালে বদলি করলে আবার এআরডিও তাকে ফরিদপুরে ডিডি অফিসে বদলি করিয়ে নিয়ে আসেন, এবং ফরিদপুর সরোমা মন্ডল বাসায় গিয়ে থাকেন, কথিত আছে সরোমা মন্ডলের মেয়ে নাকি পিডিবিএফের এআরডিও। ইহা ছাড়া সরোমা মন্ডল মধুখালিতে কর্মরত থাকা কালিন ডিবিওর সঙ্গে হাত ধরাধরী নিয়ে মাগুরার ডিডি সাহেব সালিশ পর্যন্ত করেছেন যার প্রমান মধুখালি উপজেলার সহকর্মীরা। মধুখালিতে কর্মরত থাকা কালিন বিভিন্ন সমিতিতে নামে বেনামে লোন দিয়ে প্রায় সাত/আট লাখ টাকা আত্বসাৎ করেন, যেমন দিঘলিয়া সমিতিতে খাদিজা বেগম, সুফিয়া বেগম, আখিরন, সেতারামপুর সমিতিতে অনিমা রানি, রাজিয়া বেগম ইত্যাদি, সাপ্তাহিক আদায়ের সীট দেখলে প্রমান উঠে আসবে বলে জানা যায়। সরোমা মন্ডল একজন মাঠকর্মী তিনি প্রভাব খাটিয়ে আইটির কাজ করেন অথচ মাঠের কর্মীর প্রচন্ড সংকট রয়েছে। নাসরিন আক্তার অবৈধ নিয়োগ হওয়ার পরও প্রভাব খাটিযে ফরিদপুর ডিডি কার্য্যলয়ে প্রায় দশ বছর রয়েছেন তা দেখার কেহ নেই।

ট্যাগস

ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে

পিডিবিএফে ওদের দূর্নীতির কাছে গোলক ধাধার গল্পও হার মানায়

আপডেট টাইম : ০৬:২৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ এপ্রিল ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি :
পল্লী দারিদ্র বিমেচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) ফরিদপুর অঞ্চলের উপপরিচালকের কার্য্যলয়ে নাসরিন আক্তার ও সরোমা মন্ডল এফওআইটির দুর্নীতির কাছে গোলক ধাধার গল্পোও হার মানায় বলে সবার মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে। সুত্রে জানা যায়, নাসরিন আক্তার এফওআইটি চাকুরীর নিয়োগ অবৈধ, তিনি প্রায় ৩৭ বছর বয়সে ২০১৩ সনে ফরিদপুর ্উপ-পরিচালকের কার্য্যলয়ে যোগদান করেন। তার জন্ম তারিখ ৬/৭/১৯৭৬। পিডিবিএফ মহান জাতীয় সংসদে ২৩নং আইনের বলে স্ব-শ্বাসিত প্রতিষ্ঠান। ৩৭ বছর বয়সে সরকারি প্রতিষ্ঠান কিভাবে চাকুরি হলো এটা সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারিদের প্রশ্ন? তার আইডি কার্ড দেখে প্রমান পাওয়া গেল। নাসরিন আক্তার এর স্বামী গোলাম মোস্তফা বর্তমান নাটোর ডিডি কার্যালয়ে আছে। তিনি ফরিদপুরে এসএডি থাকা কালিন পাবনার ডিডি থাকা কালিন সময়ে নিয়োগ, বদলি বানিজ্য করে অঢেল সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন। ফরিদপুর শহরে কালি মন্দিরের পাশে ৫ শতক জমি কিনেছে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে। তারা দুইজন সদর উপজেলা ফরিদপুরের মনিরা বেগমের নিকট থেকে ৩ লাখ টাকা নিয়ে চাকুরি দিয়েছেন। গোলাম মোস্তফা এত প্রভাব শালি ও প্রতারক বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিচয়ে, মন্ত্রনালয় বড় অফিসার পরিচয় দিয়ে দৌলদিয়া-পাটুরিয়া ভিআইপি ফেরিতে জনগন পারাপার করতেন কিছু অর্থের বিনিময়ে। উল্লেখিত মোবাইল নম্বর ০১৭১২৯৪৭১৫০ চেক করলে উঠে আসবে তার সকল অপকর্ম। নাসরিন আক্তার এর একটি চোখ কানা, অন্ধ আর একটি কোন রকমে দেখতে পান। ফলে তিনি কোন কাজ ঠিকঠাক মত করতে পারেন না। চোখ অন্ধ থাকায় আইটি শাখার প্রায় কাজ নানা রকম ভুল করেন, তবু তার প্রভাব এর ফলে কেহ কিছু বলতে সাহস পায় না। সে তার স্বামীকে পাবনা অঞ্চলে ডিডি বাানানোর জন্য চার লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ছিলেন, তার ব্যাংক হিসাব থেকে একদিনে তুলে দিয়েছেন। ব্যাংক হিসাবের ষ্টেটমেন্ট চেক করলে দেখা যাবে। সোনালী ব্যাংকের টেপাখোলা শাখা ফরিদপুর। তার সংগে তারই ঘনিষ্টজন সরোমা মন্ডল, এফওআইটি ডিডি কার্য্যলয়ে ফরিদপুরে আছেন তিনি এতই চরিত্রহীন যাহা ভাষায় বর্ননা করা যায় না বলে জানা যায়। তার সঙ্গে বিআরডিবি বালিয়াকান্দি উপজেলার এআরডিওর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো, তাই তাকে সাত লাখ টাকার বিনিময়ে চাকুরি দিয়েছেন, সরোমা মন্ডলকে তার স্বামীর কর্মস্থালে বদলি করলে আবার এআরডিও তাকে ফরিদপুরে ডিডি অফিসে বদলি করিয়ে নিয়ে আসেন, এবং ফরিদপুর সরোমা মন্ডল বাসায় গিয়ে থাকেন, কথিত আছে সরোমা মন্ডলের মেয়ে নাকি পিডিবিএফের এআরডিও। ইহা ছাড়া সরোমা মন্ডল মধুখালিতে কর্মরত থাকা কালিন ডিবিওর সঙ্গে হাত ধরাধরী নিয়ে মাগুরার ডিডি সাহেব সালিশ পর্যন্ত করেছেন যার প্রমান মধুখালি উপজেলার সহকর্মীরা। মধুখালিতে কর্মরত থাকা কালিন বিভিন্ন সমিতিতে নামে বেনামে লোন দিয়ে প্রায় সাত/আট লাখ টাকা আত্বসাৎ করেন, যেমন দিঘলিয়া সমিতিতে খাদিজা বেগম, সুফিয়া বেগম, আখিরন, সেতারামপুর সমিতিতে অনিমা রানি, রাজিয়া বেগম ইত্যাদি, সাপ্তাহিক আদায়ের সীট দেখলে প্রমান উঠে আসবে বলে জানা যায়। সরোমা মন্ডল একজন মাঠকর্মী তিনি প্রভাব খাটিয়ে আইটির কাজ করেন অথচ মাঠের কর্মীর প্রচন্ড সংকট রয়েছে। নাসরিন আক্তার অবৈধ নিয়োগ হওয়ার পরও প্রভাব খাটিযে ফরিদপুর ডিডি কার্য্যলয়ে প্রায় দশ বছর রয়েছেন তা দেখার কেহ নেই।