ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে বাড্ডা থানার অপরাধীদের আতঙ্কের নাম ওসি ইয়াসীন গাজী কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র নেতৃত্বে সাজ্জাদ-মোশাররফ স্বামীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে খুন করে থানায় স্ত্রীর আত্মসমর্পণ কোটালীপাড়ায় তিন দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলার উদ্বোধন বেইলি রোডে আগুনে নিহত ৪৬ জয়পুরহাটে ৭ মামলার কুখ্যাত সন্ত্রাসী অস্ত্র ও মাদকসহ র‍্যাবের জালে আটক উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজিম উদ্দিনের কোলে শিশু মো. লাকিত হোসেন ধর্ষণ মামলার প্রধান একমাত্র পলাতক আসামি অবশেষে আটক মির্জাগঞ্জে দরিদ্র এক নিঃসন্তান বৃদ্ধের খড়ের গাদায় অগ্নিকাণ্ড

আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত: এএসআই বিশ্বিজিৎ

স্টাফ রিপোর্টার
শনিবার (২১-মে) ‘মির্জাগঞ্জে চা-দোকানির মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিলেন এএসআই’ শিরোনামে একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রকাশিত নিউজে অভিযুক্ত পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানায় কর্মরত এএসআই বিশ্বিজিৎ মজুমদার। গত শনিবার (২১-মে) ‘মির্জাগঞ্জে চা-দোকানির মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিলেন এএসআই-ফেরত চাওয়ায় মাদক মামলার হুমকি’ শিরোনাম দিয়ে একটি দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে তার প্রতিক্রিয়ায় তিনি উক্ত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন আমি কারো মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেইনি বরং ‘লিটু দাস’ বিভিন্ন চোরাই মোবাইল বিক্রি করে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রেগুলার রুটিন ওয়ার্কের জন্যই তাকে (লিটু দাসকে) জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং সে কোন সদুত্তর দিতে না পারায় এবং তার মোবাইলের কোন কাগজ-পত্র দেখাতে না পারায় তার মোবাইলটি অফিসিয়ালভাবে জব্দ করা হয় যা ঘটনার সময় উপস্থিত দুজন ব্যক্তিকে স্বাক্ষী রেখেই মোবাইলটি জব্দ করা হয়। এএসআই বিশ্বিজিৎ আরো জানান ঘটনার সময়ে ধারন কৃত ভিডিও ও আমার কাছে ও থানা কর্তৃপক্ষের রয়েছে। তাছাড়াও নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পরে স্থানীয় অনেক সিনিয়র সাংবাদিকসহ লিটু দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কিন্তু লিটু দাস বলেছেন আমি ঐ সাংবাদিককে কখনো বলিনি যে আমার মোবাইল জোরপূর্বক নেয়া হয়েছে পত্রিকায় কি লিখছে তাও আমি জানিনা।
প্রতিবেদক ভিডিও করার কারন জানতে চাইলে? এএসআই বিশ্বিজিৎ বলেন আমরা এটা সবসময়ই করে থাকি কোন কিছু জব্দ করা হলে আমরা তার ভিডিও ধারন করে নিজের কাছে ও থানায় জমা দিয়ে রাখি যাহাতে কেহ কোন অভিযোগ দিতে না পারে। কিন্তু ওই সাংবাদিক ঘটনার কোন সত্ততা না জেনেই আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার উদ্দ্যেশে মিথ্যা ও বানোয়াট নিউজটি প্রকাশ করেন যা অত্যান্ত দুঃখজনক।
সাংবাদিকের সাথে কোন পূর্ব শত্রুতা আছে কিনা জানতে চাইলে: এএসআই বিশ্বিজিৎ বলেন তিনি অনেক আগে একটি মামলার বিষয়ে সুপারিশ করেছিলো কিন্তু সত্যতার কারনে তার সুপারিশ রাখতে পারিনি হতে পারে সে জন্য ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি এই ভিত্তিহীন নিউজটি করেছেন।
চা-দোকানী লিটু দাসের সাথে বার বার চেষ্টা করেও তার মোবাইল (০১৭৭৬-২৭৬০৩৮/০১৭৪৮-৪৯৫১৪৬) ফোন বন্ধ পাওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সময় উপস্থিত ও মোবাইল জব্দ করার সময়ের স্বাক্ষী মো: জাহাঙ্গীর মুন্সি ভেন্ডার (৫৩) এর কাছে মুঠোফোনের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান ওখানে মোবাইল ছিনতাই বা চা-দোকানীর থেকে কোনভাবে জোরপূর্বক নেয় নাই এটা যদি কেহ বলে থাকে তা সম্পূর্ন মিথ্যা কথা। এএসআই সাহেব ভদ্র ভাবেই মোবাইল নিছে এবং এ সময় আরো অনেক লোকজন উপস্থিত ছিলো, একটা নির্দোষ মানুষের ক্ষতি করা ঠিক হবে না।
ঘটনার সময় উপস্থিত ও মোবাইল জব্দ করার সময়ের আরেকজন স্বাক্ষী মো: জসীম উদ্দিনের কাছে ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান: না ওখানে ছিনতাই বা জোরপূর্বক মোবাইল নেয়ার মতো কোন ঘটনা ঘটে নাই, সাংবাদিক সাদ্দাম লিটু দাসকে দুমকী-টুমকী দিয়া ওই নিউজটা করছে লিটুর বা স্যারের কোন দোষ নাই সাংবাদিক সাদ্দাম স্যারের বিরুদ্ধে স্বরযন্ত্র করছে তার পর আবার মির্জাগঞ্জের অনেক সাংবাদিকরা খোজ-খবর নিয়া দেখছে ও লিটু দাসের সাথে কথা বলছে তাতে নিউজের কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই। তিনি আরো বলেন আমি ও ওই সময় উপস্থিত থাকা স্থানীয় লোকজন স্যারকে (এএসআই বিশ্বিজিৎকে) অনুরোধও করেছিলাম যে মোবাইলটি ফেরত দিতে এবং সে অনুযায়ী স্যারও বলেছিলো যে, সকালে মোবাইলটি ফেরত দিবে কিন্তু মাঝখানথেকে সাদ্দাম শুধু স্যারেরে ফাসানোর জন্য নিউজ করছে।
প্রকাশিত নিউজের বিষয়ে উপজেলা প্রেসক্লাব মির্জাগঞ্জের সিনিয়র এক সাংবাদিকের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন এএসআই বিশ্বিজিৎ এক অভিযোগের ভিত্তিতে দোকানীর থেকে নরমাল ভাবেই মোবাইল জব্দ করেছে জোরপূর্বক নিয়েছে মর্মে কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আনোয়ার হোসেন বলেন বিষয়টি পুলিশ সুপার মহোদয় তদন্ত করছেন তিনি তদন্ত পূর্বক  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
ট্যাগস

ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে

আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত: এএসআই বিশ্বিজিৎ

আপডেট টাইম : ০৩:০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মে ২০২২
স্টাফ রিপোর্টার
শনিবার (২১-মে) ‘মির্জাগঞ্জে চা-দোকানির মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিলেন এএসআই’ শিরোনামে একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রকাশিত নিউজে অভিযুক্ত পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানায় কর্মরত এএসআই বিশ্বিজিৎ মজুমদার। গত শনিবার (২১-মে) ‘মির্জাগঞ্জে চা-দোকানির মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিলেন এএসআই-ফেরত চাওয়ায় মাদক মামলার হুমকি’ শিরোনাম দিয়ে একটি দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে তার প্রতিক্রিয়ায় তিনি উক্ত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন আমি কারো মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেইনি বরং ‘লিটু দাস’ বিভিন্ন চোরাই মোবাইল বিক্রি করে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রেগুলার রুটিন ওয়ার্কের জন্যই তাকে (লিটু দাসকে) জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং সে কোন সদুত্তর দিতে না পারায় এবং তার মোবাইলের কোন কাগজ-পত্র দেখাতে না পারায় তার মোবাইলটি অফিসিয়ালভাবে জব্দ করা হয় যা ঘটনার সময় উপস্থিত দুজন ব্যক্তিকে স্বাক্ষী রেখেই মোবাইলটি জব্দ করা হয়। এএসআই বিশ্বিজিৎ আরো জানান ঘটনার সময়ে ধারন কৃত ভিডিও ও আমার কাছে ও থানা কর্তৃপক্ষের রয়েছে। তাছাড়াও নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পরে স্থানীয় অনেক সিনিয়র সাংবাদিকসহ লিটু দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কিন্তু লিটু দাস বলেছেন আমি ঐ সাংবাদিককে কখনো বলিনি যে আমার মোবাইল জোরপূর্বক নেয়া হয়েছে পত্রিকায় কি লিখছে তাও আমি জানিনা।
প্রতিবেদক ভিডিও করার কারন জানতে চাইলে? এএসআই বিশ্বিজিৎ বলেন আমরা এটা সবসময়ই করে থাকি কোন কিছু জব্দ করা হলে আমরা তার ভিডিও ধারন করে নিজের কাছে ও থানায় জমা দিয়ে রাখি যাহাতে কেহ কোন অভিযোগ দিতে না পারে। কিন্তু ওই সাংবাদিক ঘটনার কোন সত্ততা না জেনেই আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার উদ্দ্যেশে মিথ্যা ও বানোয়াট নিউজটি প্রকাশ করেন যা অত্যান্ত দুঃখজনক।
সাংবাদিকের সাথে কোন পূর্ব শত্রুতা আছে কিনা জানতে চাইলে: এএসআই বিশ্বিজিৎ বলেন তিনি অনেক আগে একটি মামলার বিষয়ে সুপারিশ করেছিলো কিন্তু সত্যতার কারনে তার সুপারিশ রাখতে পারিনি হতে পারে সে জন্য ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি এই ভিত্তিহীন নিউজটি করেছেন।
চা-দোকানী লিটু দাসের সাথে বার বার চেষ্টা করেও তার মোবাইল (০১৭৭৬-২৭৬০৩৮/০১৭৪৮-৪৯৫১৪৬) ফোন বন্ধ পাওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সময় উপস্থিত ও মোবাইল জব্দ করার সময়ের স্বাক্ষী মো: জাহাঙ্গীর মুন্সি ভেন্ডার (৫৩) এর কাছে মুঠোফোনের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান ওখানে মোবাইল ছিনতাই বা চা-দোকানীর থেকে কোনভাবে জোরপূর্বক নেয় নাই এটা যদি কেহ বলে থাকে তা সম্পূর্ন মিথ্যা কথা। এএসআই সাহেব ভদ্র ভাবেই মোবাইল নিছে এবং এ সময় আরো অনেক লোকজন উপস্থিত ছিলো, একটা নির্দোষ মানুষের ক্ষতি করা ঠিক হবে না।
ঘটনার সময় উপস্থিত ও মোবাইল জব্দ করার সময়ের আরেকজন স্বাক্ষী মো: জসীম উদ্দিনের কাছে ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান: না ওখানে ছিনতাই বা জোরপূর্বক মোবাইল নেয়ার মতো কোন ঘটনা ঘটে নাই, সাংবাদিক সাদ্দাম লিটু দাসকে দুমকী-টুমকী দিয়া ওই নিউজটা করছে লিটুর বা স্যারের কোন দোষ নাই সাংবাদিক সাদ্দাম স্যারের বিরুদ্ধে স্বরযন্ত্র করছে তার পর আবার মির্জাগঞ্জের অনেক সাংবাদিকরা খোজ-খবর নিয়া দেখছে ও লিটু দাসের সাথে কথা বলছে তাতে নিউজের কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই। তিনি আরো বলেন আমি ও ওই সময় উপস্থিত থাকা স্থানীয় লোকজন স্যারকে (এএসআই বিশ্বিজিৎকে) অনুরোধও করেছিলাম যে মোবাইলটি ফেরত দিতে এবং সে অনুযায়ী স্যারও বলেছিলো যে, সকালে মোবাইলটি ফেরত দিবে কিন্তু মাঝখানথেকে সাদ্দাম শুধু স্যারেরে ফাসানোর জন্য নিউজ করছে।
প্রকাশিত নিউজের বিষয়ে উপজেলা প্রেসক্লাব মির্জাগঞ্জের সিনিয়র এক সাংবাদিকের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন এএসআই বিশ্বিজিৎ এক অভিযোগের ভিত্তিতে দোকানীর থেকে নরমাল ভাবেই মোবাইল জব্দ করেছে জোরপূর্বক নিয়েছে মর্মে কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আনোয়ার হোসেন বলেন বিষয়টি পুলিশ সুপার মহোদয় তদন্ত করছেন তিনি তদন্ত পূর্বক  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।