ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিকান্দার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ! ১৫ লাখ ফেরত, ২০ লাখে আরেকজনকে নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক:–
মাগুরার মহম্মদপুরে পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ সিকান্দার আলী মনির বিরুদ্ধে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নজরুল ইসলাম নামের এক বৃদ্ধের কাছ থেকে ছেলেকে চাকরি দেয়ার কথা বলে ১৫ লাখ নিয়ে পরিক্ষার আগে দিন ৫ লাখ টাকা বেশি পেয়ে মোট ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে আরেক প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে । ছেলের চাকরি হবে বলে নজরুল জমিজমা সব কিছু বিক্রি করে টাকা দিয়েছিলেন। চেয়ারম্যানের প্রতারণার শিকার হয়ে নজরুল বৃদ্ধ স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে দারে দারে ঘুরছেন এবং চেয়ারম্যানের বিচার চান।
ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগ  আকারে জানান, উপজেলার পলাশবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সরকারি, আয়া ও পরিচ্ছন্ন কর্মী মোট ৩ টি পদে গত বোরবার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্ন কর্মী পদে আমার ছেলে নয়ন মোল্যা আবেদন করেছিল। বিদ্যালয়ের সভাপতি সিকান্দার চেয়ারম্যান ছেলেকে চাকরি দিবে বলে ১৫ লাখ টাকা জোগাড় করতে বলে। তার কথার উপর ভিত্তি করে ৩৩ শতক জমি বিক্রি করে এবং দুই একর জমি বন্ধুক রেখে ১৫ লাখ টাকা জোগাড় করে গত বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে তার কাছে টাকা দিয়ে আসি। পরিক্ষার একদিন আগে গত শনিবার রাত ১ টার দিকে চেয়ারম্যান সিকান্দার আলী হঠাৎ ফোন দিয়ে তার বাড়ি ডেকে নিয়ে চাকরি দিতে অপারগতা প্রকাশ করে টাকা ফেরত দিয়ে দেয়। পরে জানতে পারলাম অন্য আরেকজনের নিকট থেকে ৫ লাখ টাকা বেশি মোট ২০ লক্ষ টাকা নিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয় ।
নজরুল ইসলাম আরও বলেন ছেলের চাকরির জন্য ৩৩শতাংশ জমি বিক্রি ও ২ একর জমি বন্দক রেখে চেয়ারম্যানকে এই টাকা প্রদান করি। ছেলের চাকুরি না হওয়ায় পরিবার পরিবার পরিজন নিয়ে চরম বিপদে পড়ে গেছি। তিনি সিকান্দার চেয়ারম্যানের এর সঠিক বিচার জানান।
চেয়ারম্যান সৈয়দ সিকান্দার আলী কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন নিয়োগ পরিক্ষা স্বচ্ছ ভাবে হয়েছে। যোগ্য প্রার্থীকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস

সিকান্দার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ! ১৫ লাখ ফেরত, ২০ লাখে আরেকজনকে নিয়োগ

আপডেট টাইম : ০৪:৫৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

নিউজ ডেস্ক:–
মাগুরার মহম্মদপুরে পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ সিকান্দার আলী মনির বিরুদ্ধে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নজরুল ইসলাম নামের এক বৃদ্ধের কাছ থেকে ছেলেকে চাকরি দেয়ার কথা বলে ১৫ লাখ নিয়ে পরিক্ষার আগে দিন ৫ লাখ টাকা বেশি পেয়ে মোট ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে আরেক প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে । ছেলের চাকরি হবে বলে নজরুল জমিজমা সব কিছু বিক্রি করে টাকা দিয়েছিলেন। চেয়ারম্যানের প্রতারণার শিকার হয়ে নজরুল বৃদ্ধ স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে দারে দারে ঘুরছেন এবং চেয়ারম্যানের বিচার চান।
ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগ  আকারে জানান, উপজেলার পলাশবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সরকারি, আয়া ও পরিচ্ছন্ন কর্মী মোট ৩ টি পদে গত বোরবার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্ন কর্মী পদে আমার ছেলে নয়ন মোল্যা আবেদন করেছিল। বিদ্যালয়ের সভাপতি সিকান্দার চেয়ারম্যান ছেলেকে চাকরি দিবে বলে ১৫ লাখ টাকা জোগাড় করতে বলে। তার কথার উপর ভিত্তি করে ৩৩ শতক জমি বিক্রি করে এবং দুই একর জমি বন্ধুক রেখে ১৫ লাখ টাকা জোগাড় করে গত বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে তার কাছে টাকা দিয়ে আসি। পরিক্ষার একদিন আগে গত শনিবার রাত ১ টার দিকে চেয়ারম্যান সিকান্দার আলী হঠাৎ ফোন দিয়ে তার বাড়ি ডেকে নিয়ে চাকরি দিতে অপারগতা প্রকাশ করে টাকা ফেরত দিয়ে দেয়। পরে জানতে পারলাম অন্য আরেকজনের নিকট থেকে ৫ লাখ টাকা বেশি মোট ২০ লক্ষ টাকা নিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয় ।
নজরুল ইসলাম আরও বলেন ছেলের চাকরির জন্য ৩৩শতাংশ জমি বিক্রি ও ২ একর জমি বন্দক রেখে চেয়ারম্যানকে এই টাকা প্রদান করি। ছেলের চাকুরি না হওয়ায় পরিবার পরিবার পরিজন নিয়ে চরম বিপদে পড়ে গেছি। তিনি সিকান্দার চেয়ারম্যানের এর সঠিক বিচার জানান।
চেয়ারম্যান সৈয়দ সিকান্দার আলী কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন নিয়োগ পরিক্ষা স্বচ্ছ ভাবে হয়েছে। যোগ্য প্রার্থীকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।