ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে বাড্ডা থানার অপরাধীদের আতঙ্কের নাম ওসি ইয়াসীন গাজী কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র নেতৃত্বে সাজ্জাদ-মোশাররফ স্বামীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে খুন করে থানায় স্ত্রীর আত্মসমর্পণ কোটালীপাড়ায় তিন দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলার উদ্বোধন বেইলি রোডে আগুনে নিহত ৪৬ জয়পুরহাটে ৭ মামলার কুখ্যাত সন্ত্রাসী অস্ত্র ও মাদকসহ র‍্যাবের জালে আটক উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজিম উদ্দিনের কোলে শিশু মো. লাকিত হোসেন ধর্ষণ মামলার প্রধান একমাত্র পলাতক আসামি অবশেষে আটক মির্জাগঞ্জে দরিদ্র এক নিঃসন্তান বৃদ্ধের খড়ের গাদায় অগ্নিকাণ্ড

অনাবাদি জমি খাস করলো প্রশাসন

মোঃ ইব্রাহিম শেখ, চট্টগ্রাম ব্যুরো:

রাউজান উপজেলায় ৬ একর ৬২ শতক আনাবাদি জমি খাস করার উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১২ নভেম্বর) সকালে একযোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অনাবাদি জমি খাস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
কৃষি জমি অনাবাদী না রাখা সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন এ জমিগুলো খাস করা হয়। এছাড়াও সতর্কবার্তা হিসেবে লাল পতাকা টাঙ্গানো হয়েছে।
জানা গেছে, ভূমি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ৯২ (১) (গ) ধারা অনুযায়ী কোন কৃষি জমি পরপর তিন বছর অনাবাদী রাখা হলে তা খাস করার বিধান রয়েছে। এ ধারার আলোকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিভিন্ন সময়ে এসব ইউনিয়নে কৃষক সমাবেশ, মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সর্বস্তরের ভূমি মালিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন। এর পর শনিবার পুরো উপজেলায় একযোগে অনাবাদি জমি খাস করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ১১ শতক, ঊনসত্তরপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ৪১ শতক, গহিরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ১ একর ৩০ শতক, গুজরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ২ একর, নোয়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ২ একর এবং হলদিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ৮০ শতকসহ মোট ৬ একর ৬২ শতক অনাবাদী জমি খাস খতিয়ানভূক্ত করা হয়েছে। এসব জমিতে লাল পাতাকা উত্তোলন করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
রাউজান উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিদুয়ানুল ইসলাম বলেন, চাষযোগ্য অনাবাদি জমিতে বিভিন্ন ধরণের রবিশস্য, ধান, গম, তৈল জাতীয় ফসল উৎপাদন করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনার নির্দেশনা দিয়েছেন। ইতোপূর্বে রাউজানের ১৪টি ইউনিয়ন ও রাউজান পৌরসভায় বিভিন্নভাবে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়। এরপরেও জমি অনাবাদী রাখায় উপজেলা প্রশাসন ও রাজস্ব প্রশাসনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস

ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে

অনাবাদি জমি খাস করলো প্রশাসন

আপডেট টাইম : ০৭:৫২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২

মোঃ ইব্রাহিম শেখ, চট্টগ্রাম ব্যুরো:

রাউজান উপজেলায় ৬ একর ৬২ শতক আনাবাদি জমি খাস করার উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১২ নভেম্বর) সকালে একযোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অনাবাদি জমি খাস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
কৃষি জমি অনাবাদী না রাখা সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন এ জমিগুলো খাস করা হয়। এছাড়াও সতর্কবার্তা হিসেবে লাল পতাকা টাঙ্গানো হয়েছে।
জানা গেছে, ভূমি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ৯২ (১) (গ) ধারা অনুযায়ী কোন কৃষি জমি পরপর তিন বছর অনাবাদী রাখা হলে তা খাস করার বিধান রয়েছে। এ ধারার আলোকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিভিন্ন সময়ে এসব ইউনিয়নে কৃষক সমাবেশ, মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সর্বস্তরের ভূমি মালিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন। এর পর শনিবার পুরো উপজেলায় একযোগে অনাবাদি জমি খাস করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ১১ শতক, ঊনসত্তরপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ৪১ শতক, গহিরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ১ একর ৩০ শতক, গুজরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ২ একর, নোয়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ২ একর এবং হলদিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ৮০ শতকসহ মোট ৬ একর ৬২ শতক অনাবাদী জমি খাস খতিয়ানভূক্ত করা হয়েছে। এসব জমিতে লাল পাতাকা উত্তোলন করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
রাউজান উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিদুয়ানুল ইসলাম বলেন, চাষযোগ্য অনাবাদি জমিতে বিভিন্ন ধরণের রবিশস্য, ধান, গম, তৈল জাতীয় ফসল উৎপাদন করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনার নির্দেশনা দিয়েছেন। ইতোপূর্বে রাউজানের ১৪টি ইউনিয়ন ও রাউজান পৌরসভায় বিভিন্নভাবে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়। এরপরেও জমি অনাবাদী রাখায় উপজেলা প্রশাসন ও রাজস্ব প্রশাসনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।