ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভূল অসত্য সংবাদ পরিবেশন করায় ব্যবসায়ীর  সংবাদ সম্মেলন কেটালী পাড়ায় দিনে দুপুরে সরকারী কোয়াটারে চুরি জনবান্ধব ভূমি সংস্কারে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ভূমিমন্ত্রী ভূমি অফিসে যেন কোনো দালাল না থাকে: মন্ত্রী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শাহীন আলম বিলাশবহুল ৮তলা বাড়ীর মালিক! মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নিয়ে এতো অনাসৃষ্টি কেন? চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা: শোভন দত্তের বিরুদ্ধে সরকারী টাকা আত্মসাত,বিদেশে টাকা পাচার,অবৈধ সম্পদ অর্জন ও নারী কেলেংকারীর অভিযোগ! দদুকের তদন্ত থাকা কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক ডিজি নিয়োগের তোড়জোড়! গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত, মহাসড়ক অবরোধ মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও  শহীদ  দিবসে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির শ্রদ্ধা নিবেদন 

এবার প্রেমের টানে ইতালির তরুণী রামুতে

মোঃ ইব্রাহিম শেখ, চট্টগ্রাম ব্যুরো:

প্রেম মানে না কোনো বাধা। প্রেমে পড়লে মানুষ দুঃসাহসী হয়ে ওঠে। বিগত দিনগুলোতে ‘প্রেমের টানে’ বাংলাদেশে ভিনদেশি নারী-পুরুষের আগমন যেন একথাই বারবার প্রমাণ করেছে। এবার প্রেমের সেই দুঃসাহসিকতার ছোঁয়া লেগেছে কক্সবাজারের রামুতেও। বাংলাদেশি তরুণের প্রেমে মজে সূদুর ইতালি থেকে কক্সবাজারের রামুতে চলে এসেছেন রুবের টা (২৩) নামে এক তরুণী।
গেল বুধবার (৯ নভেম্বর) রামু উপজেলা সদরের হাইটুপি বড়ুয়া পাড়ার ফ্রান্স প্রবাসী বিকাশ বড়ুয়ার ছেলে রুনেক্স বড়ুয়ার (২৮) সাথে ইতালি থেকে বাংলাদেশে আসেন রুবের টা। তিনি ইতালির সার্দেনিয়া শহরে বসবাস করেন। এলাকার লোকজন রুবের টা-কে দেখার জন্য রুনেক্স বড়ুয়ার বাড়িতে ভিড় করছে।
জানা গেছে, ৩ বছর আগে অনার্স পাসের পর ইতালি চলে যান রুনেক্স। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলের রিসিপশনে চাকরি শুরু করেন। কর্মসূত্রে পরিচয় হয় রুবের টার সঙ্গে। এরপরেই দুজনেই মাঝে প্রেমেরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছরের বেশি সময় প্রেমের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা। সেই সূত্র ধরেই রুবের টা বাংলাদেশে এসেছেন। এ মাসেই পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হবে। ভাষাগত কিছু সমস্যা থাকলেও সবকিছুতেই মানিয়ে নিচ্ছেন রুবের টা, পরছেন বাঙালি পোশাকও।
রুনেক্স বড়ুয়া বলেন, ‘ইতালিতে একটি আবাসিক হোটেলের রিসিপশনে কাজ করতাম। সেখানে পরিচয় হয় রুবের টার সঙ্গে। তারপর প্রেমের শুরু। রুবের টা আমার পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে। আমার পরিবারও তাকে গ্রহণ করেছে। এখন আমরা দেশে এসেছি বিয়ে করতে।’
ইতালিয়ান তরুণী রুবের টা বলেন, ‘মানুষের জীবন একটা। জীবনের সঙ্গীও একটা হওয়া উচিত। আমার সমাজে সেটা নেই। আমি বিশ্বাস করি, রুনেক্স আমার জীবনে একমাত্র সঙ্গী হয়ে থাকবে। ওকে পেয়ে আমি দারুণ খুশি। তার পরিবারের সবার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সামনের দিনগুলো যেন এরকমই কাটে সেই প্রার্থনা করি।’
রুনেক্সের পরিবার বলেন, ‘আমরা আনন্দিত। দুজনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। ভাষাগত সমস্যা থাকলেও সবকিছুতেই মানিয়ে নিচ্ছেন রুবের টা। ঘুরে বেড়াচ্ছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ নানা জায়গায়। এলাকার লোকজন আজ সকাল থেকে তাকে দেখার জন্য তাদের বাড়িতে ভিড় করছে। আমাদের স্বপ্ন ছিল ঘরে বিদেশি বউ আনবো। সেটাই বাস্তবে রূপ পাচ্ছে। আমরা তাকে নিয়ে খুব খুশি। তাদের ধুমধাম করে বিয়ে দেবো।’

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল অসত্য সংবাদ পরিবেশন করায় ব্যবসায়ীর  সংবাদ সম্মেলন

এবার প্রেমের টানে ইতালির তরুণী রামুতে

আপডেট টাইম : ০৯:২৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২

মোঃ ইব্রাহিম শেখ, চট্টগ্রাম ব্যুরো:

প্রেম মানে না কোনো বাধা। প্রেমে পড়লে মানুষ দুঃসাহসী হয়ে ওঠে। বিগত দিনগুলোতে ‘প্রেমের টানে’ বাংলাদেশে ভিনদেশি নারী-পুরুষের আগমন যেন একথাই বারবার প্রমাণ করেছে। এবার প্রেমের সেই দুঃসাহসিকতার ছোঁয়া লেগেছে কক্সবাজারের রামুতেও। বাংলাদেশি তরুণের প্রেমে মজে সূদুর ইতালি থেকে কক্সবাজারের রামুতে চলে এসেছেন রুবের টা (২৩) নামে এক তরুণী।
গেল বুধবার (৯ নভেম্বর) রামু উপজেলা সদরের হাইটুপি বড়ুয়া পাড়ার ফ্রান্স প্রবাসী বিকাশ বড়ুয়ার ছেলে রুনেক্স বড়ুয়ার (২৮) সাথে ইতালি থেকে বাংলাদেশে আসেন রুবের টা। তিনি ইতালির সার্দেনিয়া শহরে বসবাস করেন। এলাকার লোকজন রুবের টা-কে দেখার জন্য রুনেক্স বড়ুয়ার বাড়িতে ভিড় করছে।
জানা গেছে, ৩ বছর আগে অনার্স পাসের পর ইতালি চলে যান রুনেক্স। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলের রিসিপশনে চাকরি শুরু করেন। কর্মসূত্রে পরিচয় হয় রুবের টার সঙ্গে। এরপরেই দুজনেই মাঝে প্রেমেরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছরের বেশি সময় প্রেমের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা। সেই সূত্র ধরেই রুবের টা বাংলাদেশে এসেছেন। এ মাসেই পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হবে। ভাষাগত কিছু সমস্যা থাকলেও সবকিছুতেই মানিয়ে নিচ্ছেন রুবের টা, পরছেন বাঙালি পোশাকও।
রুনেক্স বড়ুয়া বলেন, ‘ইতালিতে একটি আবাসিক হোটেলের রিসিপশনে কাজ করতাম। সেখানে পরিচয় হয় রুবের টার সঙ্গে। তারপর প্রেমের শুরু। রুবের টা আমার পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে। আমার পরিবারও তাকে গ্রহণ করেছে। এখন আমরা দেশে এসেছি বিয়ে করতে।’
ইতালিয়ান তরুণী রুবের টা বলেন, ‘মানুষের জীবন একটা। জীবনের সঙ্গীও একটা হওয়া উচিত। আমার সমাজে সেটা নেই। আমি বিশ্বাস করি, রুনেক্স আমার জীবনে একমাত্র সঙ্গী হয়ে থাকবে। ওকে পেয়ে আমি দারুণ খুশি। তার পরিবারের সবার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সামনের দিনগুলো যেন এরকমই কাটে সেই প্রার্থনা করি।’
রুনেক্সের পরিবার বলেন, ‘আমরা আনন্দিত। দুজনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। ভাষাগত সমস্যা থাকলেও সবকিছুতেই মানিয়ে নিচ্ছেন রুবের টা। ঘুরে বেড়াচ্ছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ নানা জায়গায়। এলাকার লোকজন আজ সকাল থেকে তাকে দেখার জন্য তাদের বাড়িতে ভিড় করছে। আমাদের স্বপ্ন ছিল ঘরে বিদেশি বউ আনবো। সেটাই বাস্তবে রূপ পাচ্ছে। আমরা তাকে নিয়ে খুব খুশি। তাদের ধুমধাম করে বিয়ে দেবো।’