ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সোনালী ব্যাংকে আইটি কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করে ভারতীয় পণ্যের বাজার সৃষ্টি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিচার হওয়া উচিত- শিবির সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কোনো ধরনের হুমকির মধ্যে নেই- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় সাধুসংঘের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা গাজীপুরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত আমার সন্তান ভয়ে বাড়িতে আসতে পারেনা, বিচার চাই গাজীপুরে কুরআন অপমানকারী শুভ সরকারের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টার সাথে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সরকারি নথি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে: ভূমি উপদেষ্টা সিরাজদিখানে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল

বড়াইগ্রামে বিনা দোষে কারাবাসে যুবক, দ্রুত মুক্তি দাবি

নাটোর প্রতিনিধি:
নাটোরের বড়াইগ্রামে পুলিশী তদন্ত না করে মামলা রেকর্ডের ফলে বিনা দোষে কারাবাসে দিন-রাত কাটাচ্ছেন এক যুবক। এতে ওই যুবকের পরিবার ও গ্রামবাসী পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কারাগারে আটক ওই যুবকের পরিবার ও সুশীল সমাজ সহ মানবাধিকার কর্মীরা দ্রুত নির্দোষ ওই যুবকের মুক্তি দেওয়া সহ এ ঘটনায় ওই নির্দোষ যুবককে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মিথ্যা মামলা দায়েরকারীকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেছেন। কারাবাসে আটক ওই যুবকের নাম জিয়ারুল ইসলাম জিনার (৩৮)। সে বড়াইগ্রামের জোনাইল ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। তাকে গত সোমবার গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ আটক করে ও পরের দিন জেল হাজতে প্রেরণ করে।
জানা যায়, স্থানীয় ভিন্ন একটি চেকের মামলায় জিয়ারুল স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি আরিফ হোসেনের ঘনিষ্ট সহযোগী মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বড়াইগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাক্ষী দিলে এতে ক্ষিপ্ত হয় ওই আরিফ। পরে থানা চত্বরে জিয়ারুলকে ওই আরিফ হুমকি দিয়ে বলেন ‘আজই তোকে হাজতে পাঠাবো’। এরপর সোমবার সন্ধ্যায় নিজের খালা নাজিরপুর গ্রামের রাবেয়া বেগমকে বাদী করে স্থানীয় একটি মারামারি মামলায় ২ নং আসামী হিসেবে জিয়ারুল ইসলাম জিনারের নাম লিপিবদ্ধ করে থানায় এজাহার দায়ের করেন। সেখানে জিয়ারুল ধারালো হাসুয়া দিয়ে কোপ দেওয়ার কথা লেখা রয়েছে। কিন্তু ওই মারামারির সাথে কোনই সংশ্লিষ্টতা নাই জিয়ারুলের। এমনকি মামলার বাদী রাবেয়া বেগম নিজেই জানেন না যে ২ নং আসামীর নাম হিসেবে জিয়ারুলের নাম রয়েছে। উনি এই নাম অন্তর্ভূক্তের জন্য ভাগ্নে আরিফকে দায়ী করেছেন।
মারামারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রবিউল ইসলাম দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তদন্ত না করে মামলা রেকর্ড করা ও জিয়ারুলকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করাটা একটি বড় ধরণের মিসটেক। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, চার্জসীটে জিয়ারুলের নাম বাদ দেওয়া হবে।
বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সিদ্দিক জানান, বিষয়টি দুঃখজনক। জিয়ারুল যেনো অযথা হয়রানী না হয় ও যেনো দ্রুত এই মামলা থেকে অব্যহতি পায় তার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনালী ব্যাংকে আইটি কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করে ভারতীয় পণ্যের বাজার সৃষ্টি

বড়াইগ্রামে বিনা দোষে কারাবাসে যুবক, দ্রুত মুক্তি দাবি

আপডেট টাইম : ১১:৫৮:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২

নাটোর প্রতিনিধি:
নাটোরের বড়াইগ্রামে পুলিশী তদন্ত না করে মামলা রেকর্ডের ফলে বিনা দোষে কারাবাসে দিন-রাত কাটাচ্ছেন এক যুবক। এতে ওই যুবকের পরিবার ও গ্রামবাসী পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কারাগারে আটক ওই যুবকের পরিবার ও সুশীল সমাজ সহ মানবাধিকার কর্মীরা দ্রুত নির্দোষ ওই যুবকের মুক্তি দেওয়া সহ এ ঘটনায় ওই নির্দোষ যুবককে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মিথ্যা মামলা দায়েরকারীকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেছেন। কারাবাসে আটক ওই যুবকের নাম জিয়ারুল ইসলাম জিনার (৩৮)। সে বড়াইগ্রামের জোনাইল ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। তাকে গত সোমবার গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ আটক করে ও পরের দিন জেল হাজতে প্রেরণ করে।
জানা যায়, স্থানীয় ভিন্ন একটি চেকের মামলায় জিয়ারুল স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি আরিফ হোসেনের ঘনিষ্ট সহযোগী মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বড়াইগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাক্ষী দিলে এতে ক্ষিপ্ত হয় ওই আরিফ। পরে থানা চত্বরে জিয়ারুলকে ওই আরিফ হুমকি দিয়ে বলেন ‘আজই তোকে হাজতে পাঠাবো’। এরপর সোমবার সন্ধ্যায় নিজের খালা নাজিরপুর গ্রামের রাবেয়া বেগমকে বাদী করে স্থানীয় একটি মারামারি মামলায় ২ নং আসামী হিসেবে জিয়ারুল ইসলাম জিনারের নাম লিপিবদ্ধ করে থানায় এজাহার দায়ের করেন। সেখানে জিয়ারুল ধারালো হাসুয়া দিয়ে কোপ দেওয়ার কথা লেখা রয়েছে। কিন্তু ওই মারামারির সাথে কোনই সংশ্লিষ্টতা নাই জিয়ারুলের। এমনকি মামলার বাদী রাবেয়া বেগম নিজেই জানেন না যে ২ নং আসামীর নাম হিসেবে জিয়ারুলের নাম রয়েছে। উনি এই নাম অন্তর্ভূক্তের জন্য ভাগ্নে আরিফকে দায়ী করেছেন।
মারামারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রবিউল ইসলাম দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তদন্ত না করে মামলা রেকর্ড করা ও জিয়ারুলকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করাটা একটি বড় ধরণের মিসটেক। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, চার্জসীটে জিয়ারুলের নাম বাদ দেওয়া হবে।
বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সিদ্দিক জানান, বিষয়টি দুঃখজনক। জিয়ারুল যেনো অযথা হয়রানী না হয় ও যেনো দ্রুত এই মামলা থেকে অব্যহতি পায় তার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।