ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভূল অসত্য সংবাদ পরিবেশন করায় ব্যবসায়ীর  সংবাদ সম্মেলন কেটালী পাড়ায় দিনে দুপুরে সরকারী কোয়াটারে চুরি জনবান্ধব ভূমি সংস্কারে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ভূমিমন্ত্রী ভূমি অফিসে যেন কোনো দালাল না থাকে: মন্ত্রী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শাহীন আলম বিলাশবহুল ৮তলা বাড়ীর মালিক! মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নিয়ে এতো অনাসৃষ্টি কেন? চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা: শোভন দত্তের বিরুদ্ধে সরকারী টাকা আত্মসাত,বিদেশে টাকা পাচার,অবৈধ সম্পদ অর্জন ও নারী কেলেংকারীর অভিযোগ! দদুকের তদন্ত থাকা কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক ডিজি নিয়োগের তোড়জোড়! গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত, মহাসড়ক অবরোধ মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও  শহীদ  দিবসে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির শ্রদ্ধা নিবেদন 

চট্টগ্রামে ফুটপাতজুড়ে শীতের পোশাক

মোঃ ইব্রাহিম শেখ, চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ

চারপাশে হেমন্তের হিম হিম হাওয়া, ভোরের কুয়াশার চাদর, দিনের বেলার ঠাণ্ডা বাতাস, রাতে শীত শীত অনুভূতিই জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। আর এ শীতকে মোকাবিলার জন্য এখন চলছে সামর্থ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাপড় ক্রয়পর্ব। বন্দরনগর চট্টগ্রামের সবগুলো বিপণী বিতানসহ ফুটপাতজুড়ে দিন রাতে সমান তালে চলছে শীতের কাপড় বিক্রি।
শীতের আগমন বার্তায় জমজমাট হয়ে উঠেছে শীতের পোশাকের দোকানগুলো। ফুটপাতেও চলছে বিকিকিনি। তবে বাড়েনি ক্রেতার সংখ্যা।ঘাঁটাঘাটি করছে শীতের পোশাকের।
ছেলেদের কোট, ব্লেজার, জ্যাকেট, সোয়েটার, কানটুপি, মাফলার, মেয়েদের কার্ডিগান, শাল, ভারী ওড়না আর শিশুদের রং বে-রঙের বাহারি শীতের কাপড় এসেছে বেশি। একইসঙ্গে লেপ-তোশক, কম্বলের সংগ্রহও বেড়েছে।
সামর্থ্যবান পুরুষ, নারী ও তরুণীদের কাছে এখনো কাশ্মিরী আলোয়ান-শালের কদর রয়ে গেছে আগের মতোই। নতুন-পুরোনো শীতের পোশাকের জন্য উচ্চমধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সব শ্রেণির ক্রেতার পছন্দের শীর্ষে জহুর-হকার্স মার্কেট।
বরাবরের মতো এ বছরও আমদানি করা পুরানো শীতের পোশাকের পাশাপাশি নতুন ডিজাইনের পরিধেয় সামগ্রী মজুদ করেছেন দোকানিরা। তরুণ-তরুণী আর শিশু-কিশোরদের পোশাকই বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দোকানিরা।
নগরীর জহুর হকার্স থেকে শুরু করে নিউমার্কেট এলাকার ফুটপাতজুড়ে বিক্রি হওয়া শীতের কাপড় মিলছে ৫০ থেকে ৫০০ টাকায়। ছেলেদের চায়না-কোরিয়ান লেদারের জ্যাকেট, জিন্স ও মোটা কাপড়ের জ্যাকেটও মিলছে এখানে।
বিপণীকেন্দ্রের সামনে নতুন পুরনো কাপড় স্তূপ করে বিক্রির রেওয়াজ রয়েছে। ‘এক দাম ৩০ টাকা’, ‘১ পিস ৪০ টাকা’ এ রকম কাগজ সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেক দোকানে। এখানে হাতমোজা, গ্লাভস, কানটুপি, গলাবন্ধনী, মাফলার ইত্যাদি পাওয়া যাচ্ছে সুলভ মূল্যে।
চকবাজারের লেপ প্রস্তুতকারী মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বলেন, শীত আগমনের শুরু থেকে বেশ ভালোই অর্ডার পাচ্ছি। ফলে এখন ব্যস্ত সময় কাটাতে হচ্ছে আমাদের। তিনি আরও জানান, সামনে হিমেল হাওয়া ও শীত যতই বাড়বে বিক্রি ততই বেড়ে যাবে।
গতবছরের চেয়ে চলতি বছরে কাপড় ও তুলার দাম একটু বেশি জানিয়ে লেপ ব্যবসায়ী কবির হোসেন বলেন, পৈত্রিক সূত্রে তার এ ব্যবসায় আসা। শীতের এ সময়টিতে আয় ভালো হয়। সাধারণত কার্তিক মাসের শুরু থেকেই তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। বছরের এ সময়টুকু বাদ দিলে বাকি অলস সময় পার করতে হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল অসত্য সংবাদ পরিবেশন করায় ব্যবসায়ীর  সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রামে ফুটপাতজুড়ে শীতের পোশাক

আপডেট টাইম : ১২:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২

মোঃ ইব্রাহিম শেখ, চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ

চারপাশে হেমন্তের হিম হিম হাওয়া, ভোরের কুয়াশার চাদর, দিনের বেলার ঠাণ্ডা বাতাস, রাতে শীত শীত অনুভূতিই জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। আর এ শীতকে মোকাবিলার জন্য এখন চলছে সামর্থ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাপড় ক্রয়পর্ব। বন্দরনগর চট্টগ্রামের সবগুলো বিপণী বিতানসহ ফুটপাতজুড়ে দিন রাতে সমান তালে চলছে শীতের কাপড় বিক্রি।
শীতের আগমন বার্তায় জমজমাট হয়ে উঠেছে শীতের পোশাকের দোকানগুলো। ফুটপাতেও চলছে বিকিকিনি। তবে বাড়েনি ক্রেতার সংখ্যা।ঘাঁটাঘাটি করছে শীতের পোশাকের।
ছেলেদের কোট, ব্লেজার, জ্যাকেট, সোয়েটার, কানটুপি, মাফলার, মেয়েদের কার্ডিগান, শাল, ভারী ওড়না আর শিশুদের রং বে-রঙের বাহারি শীতের কাপড় এসেছে বেশি। একইসঙ্গে লেপ-তোশক, কম্বলের সংগ্রহও বেড়েছে।
সামর্থ্যবান পুরুষ, নারী ও তরুণীদের কাছে এখনো কাশ্মিরী আলোয়ান-শালের কদর রয়ে গেছে আগের মতোই। নতুন-পুরোনো শীতের পোশাকের জন্য উচ্চমধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সব শ্রেণির ক্রেতার পছন্দের শীর্ষে জহুর-হকার্স মার্কেট।
বরাবরের মতো এ বছরও আমদানি করা পুরানো শীতের পোশাকের পাশাপাশি নতুন ডিজাইনের পরিধেয় সামগ্রী মজুদ করেছেন দোকানিরা। তরুণ-তরুণী আর শিশু-কিশোরদের পোশাকই বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দোকানিরা।
নগরীর জহুর হকার্স থেকে শুরু করে নিউমার্কেট এলাকার ফুটপাতজুড়ে বিক্রি হওয়া শীতের কাপড় মিলছে ৫০ থেকে ৫০০ টাকায়। ছেলেদের চায়না-কোরিয়ান লেদারের জ্যাকেট, জিন্স ও মোটা কাপড়ের জ্যাকেটও মিলছে এখানে।
বিপণীকেন্দ্রের সামনে নতুন পুরনো কাপড় স্তূপ করে বিক্রির রেওয়াজ রয়েছে। ‘এক দাম ৩০ টাকা’, ‘১ পিস ৪০ টাকা’ এ রকম কাগজ সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেক দোকানে। এখানে হাতমোজা, গ্লাভস, কানটুপি, গলাবন্ধনী, মাফলার ইত্যাদি পাওয়া যাচ্ছে সুলভ মূল্যে।
চকবাজারের লেপ প্রস্তুতকারী মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বলেন, শীত আগমনের শুরু থেকে বেশ ভালোই অর্ডার পাচ্ছি। ফলে এখন ব্যস্ত সময় কাটাতে হচ্ছে আমাদের। তিনি আরও জানান, সামনে হিমেল হাওয়া ও শীত যতই বাড়বে বিক্রি ততই বেড়ে যাবে।
গতবছরের চেয়ে চলতি বছরে কাপড় ও তুলার দাম একটু বেশি জানিয়ে লেপ ব্যবসায়ী কবির হোসেন বলেন, পৈত্রিক সূত্রে তার এ ব্যবসায় আসা। শীতের এ সময়টিতে আয় ভালো হয়। সাধারণত কার্তিক মাসের শুরু থেকেই তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। বছরের এ সময়টুকু বাদ দিলে বাকি অলস সময় পার করতে হয়।