ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত ৫ বছরের অধিক প্রেষনে দায়িত্ব পালন করছেন চীফ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল কবীর! বিআইডব্লিউটিএর অতি: পরিচালক আরিফ উদ্দিনের সম্পদের পাহাড়! শাহআলীতে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যাকারি পলাতক স্বামী গ্রেফতার  অতি:পরিচালক আরিফ উদ্দিন এখন বিআইডব্লিউটিএ‘র অঘোষিত “রাজা”! সাভারে এক ইউপি চেয়ারম্যানের সম্পদের পাহাড়! সিরাজদিখানে মঈনুল হাসান নাহিদকে বিকল্প ধরার সমর্থন মির্জাগঞ্জের ইউ,পি সচিব পরকীয়া প্রেমিকার হত্যাকাণ্ডে পুলিশ হেফাজতে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় মানুষের ভালবাসায় আমি মুগ্ধ: চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ মানবতার আড়ালে ভয়ংকর ফয়সাল বাহিনী, পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

গোলাপবাগ মাঠ ছাপিয়ে সড়কে মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশে হাজারো মানুষের জনস্রোত নেমেছে গোলাপবাগ মাঠে। সকালেই কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায় গোলাপবাগ মাঠ।মাঠ ছাড়িয়ে কমলাপুর ও মুগদা সড়কে জনস্রোত সৃষ্টি হয়েছে।

এখনও খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন নেতাকর্মীরা। ঢাকা বিভাগের পাশাপাশি সারাদেশ থেকে ব্যানার ও মিছিল নিয়ে আসছেন তারা।

কমলাপুর পার হয়ে মুগদার কাছে অর্ধশতাধিক পুলিশের অবস্থান সকাল ৮টা থেকেই ছিল। ৯টার দিকে আরও প্রায় অর্ধশতাধিক দাঙ্গা পুলিশ মুগদার দিক থেকে একত্রিত হয়ে সতর্ক অবস্থান নেয়।

১০টার দিকে অবশ্য এখান থেকে পুলিশের বহর সরে ইত্তেফাক মোড়র দিকে চলে যায়। এরপর একটি রায়ট কারও ইত্তেফাক মোড়ের দিকে সরিয়ে নেয় পুলিশ।

সরজমিন দেখা যায়, রাজধানী গোলাপবাগ মাঠে সমাবেশে রাতেই উপস্থিত হওয়া অনেক নেতাকর্মী ঘুমিয়ে ছিলেন। তারা সমাবেশের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঢাকা ও বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন এসব নেতাকর্মীরা। কিছুক্ষণ পরপরই মাঠে নেতাকর্মীদের মিছিল আসছে। অনেকে মাঠের মধ্যে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। মাঠের পশ্চিম পাশে অতিথিদের জন্য স্টেজ বানানো হয়েছে৷ মাঠে বড় গ্যাসবেলুনে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিভিন্ন পোস্টার ও স্লোগান লিখে তা উড়ানো হয়েছে।

ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো গোলাপবাগ মাঠ। মাঠের বাহিরের আশেপাশের সড়কেও নেতাকর্মীরা জড়ো হচ্ছেন।

বরিশাল বাকেরগঞ্জের ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা নাজমুল আলম রাজীব ঢাকায় এসেছেন আরও তিন দিন আগে। তার দুই পায়েই সমস্যা। ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না, দৌড়াতেও পারেন না। এরপরও সরকার পরিবর্তনের আন্দোলনে শরিক হতে ছুটে এসেছেন ঢাকায়।

মানিকগঞ্জ থেকে এসেছেন হাবিব। তিনি বলেন, পথে পথে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ছিল। আমিসহ তিনজন মুরগির গাড়িতে করে গুলিস্তান কাপ্তানবাজারে আসি। এরপর পায়ে হেঁটে সমাবেশে এসেছি।

তিনি বলেন, আমরা কোনো দাঙ্গা-হাঙ্গামার জন্য সমাবেশে আসিনি। আমরা আমাদের বন্দী নেতাদের মুক্তির দাবিতে এসেছি, চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবি নিয়ে এসেছি।

ফেনী থেকে এসেছেন সইজদ্দিন মিয়া। তিনি বলেন, আমি পাঁচ দিন আগে ঢাকা এসেছি। এক আত্মীয়ের বাসায় এই কয়দিন ছিলাম। সমাবেশের অনুমতির কথা শুনেই শুক্রবার বিকেলে এখানে আসি। রাতেও ছিলাম, সমাবেশ শেষ করে ফিরবো। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের দিক-নির্দেশনা নিয়ে এলাকায় কাজ করতে চাই।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

গোলাপবাগ মাঠ ছাপিয়ে সড়কে মানুষ

আপডেট টাইম : ০৭:১৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশে হাজারো মানুষের জনস্রোত নেমেছে গোলাপবাগ মাঠে। সকালেই কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায় গোলাপবাগ মাঠ।মাঠ ছাড়িয়ে কমলাপুর ও মুগদা সড়কে জনস্রোত সৃষ্টি হয়েছে।

এখনও খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন নেতাকর্মীরা। ঢাকা বিভাগের পাশাপাশি সারাদেশ থেকে ব্যানার ও মিছিল নিয়ে আসছেন তারা।

কমলাপুর পার হয়ে মুগদার কাছে অর্ধশতাধিক পুলিশের অবস্থান সকাল ৮টা থেকেই ছিল। ৯টার দিকে আরও প্রায় অর্ধশতাধিক দাঙ্গা পুলিশ মুগদার দিক থেকে একত্রিত হয়ে সতর্ক অবস্থান নেয়।

১০টার দিকে অবশ্য এখান থেকে পুলিশের বহর সরে ইত্তেফাক মোড়র দিকে চলে যায়। এরপর একটি রায়ট কারও ইত্তেফাক মোড়ের দিকে সরিয়ে নেয় পুলিশ।

সরজমিন দেখা যায়, রাজধানী গোলাপবাগ মাঠে সমাবেশে রাতেই উপস্থিত হওয়া অনেক নেতাকর্মী ঘুমিয়ে ছিলেন। তারা সমাবেশের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঢাকা ও বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন এসব নেতাকর্মীরা। কিছুক্ষণ পরপরই মাঠে নেতাকর্মীদের মিছিল আসছে। অনেকে মাঠের মধ্যে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। মাঠের পশ্চিম পাশে অতিথিদের জন্য স্টেজ বানানো হয়েছে৷ মাঠে বড় গ্যাসবেলুনে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিভিন্ন পোস্টার ও স্লোগান লিখে তা উড়ানো হয়েছে।

ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো গোলাপবাগ মাঠ। মাঠের বাহিরের আশেপাশের সড়কেও নেতাকর্মীরা জড়ো হচ্ছেন।

বরিশাল বাকেরগঞ্জের ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা নাজমুল আলম রাজীব ঢাকায় এসেছেন আরও তিন দিন আগে। তার দুই পায়েই সমস্যা। ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না, দৌড়াতেও পারেন না। এরপরও সরকার পরিবর্তনের আন্দোলনে শরিক হতে ছুটে এসেছেন ঢাকায়।

মানিকগঞ্জ থেকে এসেছেন হাবিব। তিনি বলেন, পথে পথে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ছিল। আমিসহ তিনজন মুরগির গাড়িতে করে গুলিস্তান কাপ্তানবাজারে আসি। এরপর পায়ে হেঁটে সমাবেশে এসেছি।

তিনি বলেন, আমরা কোনো দাঙ্গা-হাঙ্গামার জন্য সমাবেশে আসিনি। আমরা আমাদের বন্দী নেতাদের মুক্তির দাবিতে এসেছি, চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবি নিয়ে এসেছি।

ফেনী থেকে এসেছেন সইজদ্দিন মিয়া। তিনি বলেন, আমি পাঁচ দিন আগে ঢাকা এসেছি। এক আত্মীয়ের বাসায় এই কয়দিন ছিলাম। সমাবেশের অনুমতির কথা শুনেই শুক্রবার বিকেলে এখানে আসি। রাতেও ছিলাম, সমাবেশ শেষ করে ফিরবো। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের দিক-নির্দেশনা নিয়ে এলাকায় কাজ করতে চাই।