ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যমুনার পানিতে কালিহাতীতে ৩০ হাজার পানিবন্দি মানুষ, নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত পদ্মায় অবৈধ বালি উত্তোলনে নদীগর্ভে বিলিন ১০টি বাড়িঘর, হুমকিতে শহর রক্ষা বাঁধ স্পীকারের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ সিরাজদিখানে পুলিশের হামলার আহত সাংবাদিক সালমানকে দেখতে গেলেন ওসি সিরাজদিখানে পুলিশের হামলায় সাংবাদিক, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুসহ ৩০ জন আহত: আটক-৯ আদমদীঘিতে জামাই’র বেড়ির আঘাতে শাশুড়ির মৃত্যু  নওগাঁয় বিস্কুট খেয়ে একই পরিবারের দুই কন্যা শিশুর মৃত্যু; গুরুতর অসুস্থ্য-১ ডিপিডিসির ব্যবস্থাপক হুজ্জত ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা গাজীপুর আওয়ামী লীগে জায়গা পেলেন না জাহাঙ্গীর জসিমের ‘কেলেঙ্কারির’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থার তথ্য জানতে চায় আইডিআরএ

বরিশালের জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর মালিক কে?

খবর বাংলাদেশ :

বরিশালের জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর মালিক কে? কোম্পানিটি পরিচালনা করছে কারা? ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কোন প্রকার তদারকি আছে কি? এমন সব প্রশ্ন উঠেছে ঔষধ শিল্প সংশ্লিষ্ট মহলের মাঝে। অভিযোগ উঠেছে কোম্পানির আগের মালিকের নামে সব কাগজপত্র কিন্তু কোম্পানির ঔষধ তৈরি ও বিপণন করছেন কথিত নতুন চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালকজানা গেছে জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর ম্যানুফেক্সার লাইসেন্স নাম্বার- আয়ু-১৫৩, ঠিকানা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট অনুযায়ী উত্তর আলেকান্দা সিকদার সড়ক, বরিশাল।কিন্তু কোম্পানির বর্তমান অবস্থান বিসিক শিল্প নগরী বরিশাল। অফিসের ঠিকানা : বাড়ি -০৩/এ (দ্বিতীয় তলা) রোড নাম্বার-০১, মিরপুর – ১১ ঢাকা -১২১৬ (ইনভয়েস অনুযায়ী)।বরিশালের একটি সুত্রের দাবি জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর মালিক নুরুল ইসলাম প্রায় ২ বছর আগে ই কোম্পানিটি সিলেটের আবেদুর রহমান ও মো: শাজাহান নামের দুজনসহ অন্য আরও ৮ জনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন ৪০ লাখ টাকায়।

তিনি বর্তমানে কোম্পানির বিষয়ে কিছুই জানেন না। কোম্পানির বর্তমান কথিত  চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো: শাজাহান নামের দুজনের তত্ত্বাবধানে ই কোম্পানিটি চলছে।ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোম্পানির মালিকানা পরিবর্তনের পূর্বানুমোদন নিয়ে আরও কিছু গাইড লাইন অনুসরণ করে তবেই নতুন মালিকের তত্ত্বাবধানে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত করার বৈধতা নিশ্চিত করা হয়।এটাই স্বাভাবিক নিয়ম।তবে এই স্বভাবিক নিয়ম কে পাশকাটিয়ে কথিত নতুন মালিকেরা যাচ্ছে- তাই ভাবে বাংলাদেশ জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফর্মুলারির বাইরে গিয়ে সম্পুর্ন কালার ফ্লেভার ও কেমিক্যাল ব্যাবহার করে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

সাবেক মালিক নুরল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেছে তার মালিকানা খাকা অবস্থায় ৩৭ টি ঔষধের অনুমোদন নিয়েছেন এবং আরও নতুন ১০ টি ঔষধের অনুমোদনের জন্য আবেদন করা আছে এবং জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর উৎপাদন লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত। তার বক্তব্য অনুযায়ী এপ্রিল মাস থেকে ওই উৎপাদন লাইসেন্স নবায়ন নাই, মে ও জুন মাসে অবৈধভাবে ই চলছে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত,  তবে বর্তমানে কোম্পানিটি কিভাবে চলছে এসম্পর্কে তিনি কিছু ই জানেন না।

ঔষধের পাইকারী ও খুচরা বাজারে খবর নিয়ে জানা গেছে ডায়াবেটিস, যৌন উত্তেজক ও ভিটামিন সিরাপ, ক্যাপসুল ও ট্যাবলেট উৎপাদন ও বাজারজাত করছে, যাচ্ছে তাই ভাবে আন্ডার রেটে মুড়িমুড়কি’র মতো বিক্রি ও হচ্ছে ।অপর এক বিশেষ সুত্রে জানা গেছে কথিত বর্তমান চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক বিভিন্ন মহলের কাছে বলছেন তারা পূর্বের মালিকের কাছ থেকে সাড়ে ৩ শত টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটা লিখিত ডিট করে ই চালিয়ে যাচ্ছেন জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর ব্যানারে ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত।এছাড়াও বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে কোম্পানির কথিত  ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো : শাজাহান কোম্পানির পার্টনারশিপ দেবেন বলে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর তৈরি করা বেশিরভাগ ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধের মধ্যে, ডইবিকিউর (বহুমুত্রক রস) ডায়াবেটিস এর ক্যাপসুল, জি -আইভি (জিঙ্গো বিলোবা) ক্যাপসুল, জিউমা-ক্যাপ (নগেন্দ্র বটি) ক্যাপসুল, জি-টাইমেক্স (স্বপ্ন চন্দ্রদ্য মকর ধধজ) ক্যাপসুল, স্ট্যামিনেক্স ( কামিনী বিদ্রাবণ রস) ক্যাপসুল, জি-র‍্যালেক্স (স্বরাস্বত চুর্ণ) ক্যাপসুল, জি-জল ( বাবলা) ক্যাপসুল, জি-কফ (বাসকারিস্ট) ১০০ মিলি সিরাপ, জি-কোভিট ( বলারিস্ট) ১০০ মিলি সিরাপ (বাচ্চাদের ছবি সংবলিত) জি-কোসিড (আমলকী রসায়ন) ৪৫০ মিলি সিরাপ এবং জি-কোজিন (দশমুলারিস্ট) ৪৫০ মিলি সিরাপ উল্লেখযোগ্য।

যেয়েতু কোম্পানির মালিকানা পরিবর্তন নাম পরিবর্তন বা স্থান পরিবর্তনের পূর্ব অনুমোদন নেওয়া হয়নি তাহলে কথিত  নতুন চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এর তত্ত্বাবধানে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে  কিভাবে? দীর্ঘ ২ বছর ধরে অবৈধভাবে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত করছে অথচ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের জি এস ল্যাবরেটরীক (আয়ু) লিমিটেড এর নথি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব জানেন না? বা বরিশাল এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কি জানেন না ? এ বিষয়ে কথিত বর্তমান চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এর বক্তব্য জানতে চাইলে তারা উভয়েই বলেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ টি এম গোলাম কিবরিয়া স্যারকে সবকিছুই বলা আছে তিনি সব-ই জানেন। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ টি এম গোলাম কিবরিয়ার বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় তার কোন কোন প্রকার বক্তব্য প্রকাশিত হলো না।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বরিশালের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশিদ এর বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উল্লেখিত বিষয়ে তিনি কিছু ই জানেন না, তিনি জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর কারখানায় গিয়ে পূর্বের মালিককে ডাকবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনার পানিতে কালিহাতীতে ৩০ হাজার পানিবন্দি মানুষ, নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

বরিশালের জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর মালিক কে?

আপডেট টাইম : ০৭:২৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩

খবর বাংলাদেশ :

বরিশালের জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর মালিক কে? কোম্পানিটি পরিচালনা করছে কারা? ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কোন প্রকার তদারকি আছে কি? এমন সব প্রশ্ন উঠেছে ঔষধ শিল্প সংশ্লিষ্ট মহলের মাঝে। অভিযোগ উঠেছে কোম্পানির আগের মালিকের নামে সব কাগজপত্র কিন্তু কোম্পানির ঔষধ তৈরি ও বিপণন করছেন কথিত নতুন চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালকজানা গেছে জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর ম্যানুফেক্সার লাইসেন্স নাম্বার- আয়ু-১৫৩, ঠিকানা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট অনুযায়ী উত্তর আলেকান্দা সিকদার সড়ক, বরিশাল।কিন্তু কোম্পানির বর্তমান অবস্থান বিসিক শিল্প নগরী বরিশাল। অফিসের ঠিকানা : বাড়ি -০৩/এ (দ্বিতীয় তলা) রোড নাম্বার-০১, মিরপুর – ১১ ঢাকা -১২১৬ (ইনভয়েস অনুযায়ী)।বরিশালের একটি সুত্রের দাবি জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর মালিক নুরুল ইসলাম প্রায় ২ বছর আগে ই কোম্পানিটি সিলেটের আবেদুর রহমান ও মো: শাজাহান নামের দুজনসহ অন্য আরও ৮ জনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন ৪০ লাখ টাকায়।

তিনি বর্তমানে কোম্পানির বিষয়ে কিছুই জানেন না। কোম্পানির বর্তমান কথিত  চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো: শাজাহান নামের দুজনের তত্ত্বাবধানে ই কোম্পানিটি চলছে।ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোম্পানির মালিকানা পরিবর্তনের পূর্বানুমোদন নিয়ে আরও কিছু গাইড লাইন অনুসরণ করে তবেই নতুন মালিকের তত্ত্বাবধানে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত করার বৈধতা নিশ্চিত করা হয়।এটাই স্বাভাবিক নিয়ম।তবে এই স্বভাবিক নিয়ম কে পাশকাটিয়ে কথিত নতুন মালিকেরা যাচ্ছে- তাই ভাবে বাংলাদেশ জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফর্মুলারির বাইরে গিয়ে সম্পুর্ন কালার ফ্লেভার ও কেমিক্যাল ব্যাবহার করে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

সাবেক মালিক নুরল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেছে তার মালিকানা খাকা অবস্থায় ৩৭ টি ঔষধের অনুমোদন নিয়েছেন এবং আরও নতুন ১০ টি ঔষধের অনুমোদনের জন্য আবেদন করা আছে এবং জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর উৎপাদন লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত। তার বক্তব্য অনুযায়ী এপ্রিল মাস থেকে ওই উৎপাদন লাইসেন্স নবায়ন নাই, মে ও জুন মাসে অবৈধভাবে ই চলছে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত,  তবে বর্তমানে কোম্পানিটি কিভাবে চলছে এসম্পর্কে তিনি কিছু ই জানেন না।

ঔষধের পাইকারী ও খুচরা বাজারে খবর নিয়ে জানা গেছে ডায়াবেটিস, যৌন উত্তেজক ও ভিটামিন সিরাপ, ক্যাপসুল ও ট্যাবলেট উৎপাদন ও বাজারজাত করছে, যাচ্ছে তাই ভাবে আন্ডার রেটে মুড়িমুড়কি’র মতো বিক্রি ও হচ্ছে ।অপর এক বিশেষ সুত্রে জানা গেছে কথিত বর্তমান চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক বিভিন্ন মহলের কাছে বলছেন তারা পূর্বের মালিকের কাছ থেকে সাড়ে ৩ শত টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটা লিখিত ডিট করে ই চালিয়ে যাচ্ছেন জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর ব্যানারে ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত।এছাড়াও বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে কোম্পানির কথিত  ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো : শাজাহান কোম্পানির পার্টনারশিপ দেবেন বলে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর তৈরি করা বেশিরভাগ ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধের মধ্যে, ডইবিকিউর (বহুমুত্রক রস) ডায়াবেটিস এর ক্যাপসুল, জি -আইভি (জিঙ্গো বিলোবা) ক্যাপসুল, জিউমা-ক্যাপ (নগেন্দ্র বটি) ক্যাপসুল, জি-টাইমেক্স (স্বপ্ন চন্দ্রদ্য মকর ধধজ) ক্যাপসুল, স্ট্যামিনেক্স ( কামিনী বিদ্রাবণ রস) ক্যাপসুল, জি-র‍্যালেক্স (স্বরাস্বত চুর্ণ) ক্যাপসুল, জি-জল ( বাবলা) ক্যাপসুল, জি-কফ (বাসকারিস্ট) ১০০ মিলি সিরাপ, জি-কোভিট ( বলারিস্ট) ১০০ মিলি সিরাপ (বাচ্চাদের ছবি সংবলিত) জি-কোসিড (আমলকী রসায়ন) ৪৫০ মিলি সিরাপ এবং জি-কোজিন (দশমুলারিস্ট) ৪৫০ মিলি সিরাপ উল্লেখযোগ্য।

যেয়েতু কোম্পানির মালিকানা পরিবর্তন নাম পরিবর্তন বা স্থান পরিবর্তনের পূর্ব অনুমোদন নেওয়া হয়নি তাহলে কথিত  নতুন চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এর তত্ত্বাবধানে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে  কিভাবে? দীর্ঘ ২ বছর ধরে অবৈধভাবে ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাত করছে অথচ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের জি এস ল্যাবরেটরীক (আয়ু) লিমিটেড এর নথি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব জানেন না? বা বরিশাল এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কি জানেন না ? এ বিষয়ে কথিত বর্তমান চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এর বক্তব্য জানতে চাইলে তারা উভয়েই বলেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ টি এম গোলাম কিবরিয়া স্যারকে সবকিছুই বলা আছে তিনি সব-ই জানেন। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ টি এম গোলাম কিবরিয়ার বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় তার কোন কোন প্রকার বক্তব্য প্রকাশিত হলো না।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বরিশালের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশিদ এর বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উল্লেখিত বিষয়ে তিনি কিছু ই জানেন না, তিনি জি এস ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেড এর কারখানায় গিয়ে পূর্বের মালিককে ডাকবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।