ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তৃণমূলের ক্ষুদ্র উদ্যোগেই গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী গাজীপুরে ৯০ স্টল নিয়ে ৭দিনের বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলার উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ঘটনা এক, ব্যাখ্যা ভিন্ন: শরীয়তপুরে জাতীয়বাদী আইনজীবী ফোরামের সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শুরু সাংগ্রাই উৎসব কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষক মাওলা হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন প্রাণের উৎসব বৈসাবিকে ঘিরে বিশ্বশান্তি কামনায় আনন্দে ভাসছে পাহাড় সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে হামসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব -স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দারুস সালামে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যায় ইসলাম গ্রুপের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালামে ইসলাম গ্রুপ ও নাবিল খান গ্রুপের দলীয় কোন্দলের জেরে ইসলাম গ্রুপের সদস্যদের ছুরিকাঘাতে শাহ আলম (৩০) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যার ঘটনায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
রোববার (১৫ অক্টোবর) বিষয়টি জানিয়েছেন দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল বাশার।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহ আলমকে হত্যার ঘটনার ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৫/৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি দায়ের করেছেন তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সৈয়দ আলী। মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে, শনিবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে দারুস সালাম এলাকার ভূমি অফিসের সামনে শাহ আলমকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শাহ আলম দারুস সালাম থানা এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
নিহত শাহ আলমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা অটোরিকশা চালক রিমন বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে দারুস সালাম থানার বদ্ধন বাড়ির রাস্তায় তাকে পড়ে থাকতে দেখি। এরপর অটোরিকশায় তুলে মিরপুরের সেলিনা হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তাকে পঙ্গু হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শাহ আলমের মৃত্যুর খবর শুনে কয়েকশ’ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিকেলে এসে উপস্থিত হন। তবে ঘটনার বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলেননি তার পরিবার এবং দলীয় নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাবিল খান গ্রুপ ও ইসলাম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই গ্রুপের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

তৃণমূলের ক্ষুদ্র উদ্যোগেই গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

দারুস সালামে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যায় ইসলাম গ্রুপের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট টাইম : ০৭:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৩

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালামে ইসলাম গ্রুপ ও নাবিল খান গ্রুপের দলীয় কোন্দলের জেরে ইসলাম গ্রুপের সদস্যদের ছুরিকাঘাতে শাহ আলম (৩০) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যার ঘটনায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
রোববার (১৫ অক্টোবর) বিষয়টি জানিয়েছেন দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল বাশার।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহ আলমকে হত্যার ঘটনার ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৫/৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি দায়ের করেছেন তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সৈয়দ আলী। মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে, শনিবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে দারুস সালাম এলাকার ভূমি অফিসের সামনে শাহ আলমকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শাহ আলম দারুস সালাম থানা এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
নিহত শাহ আলমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা অটোরিকশা চালক রিমন বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে দারুস সালাম থানার বদ্ধন বাড়ির রাস্তায় তাকে পড়ে থাকতে দেখি। এরপর অটোরিকশায় তুলে মিরপুরের সেলিনা হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তাকে পঙ্গু হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শাহ আলমের মৃত্যুর খবর শুনে কয়েকশ’ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিকেলে এসে উপস্থিত হন। তবে ঘটনার বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলেননি তার পরিবার এবং দলীয় নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাবিল খান গ্রুপ ও ইসলাম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই গ্রুপের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।