ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত ৫ বছরের অধিক প্রেষনে দায়িত্ব পালন করছেন চীফ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল কবীর! বিআইডব্লিউটিএর অতি: পরিচালক আরিফ উদ্দিনের সম্পদের পাহাড়! শাহআলীতে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যাকারি পলাতক স্বামী গ্রেফতার  অতি:পরিচালক আরিফ উদ্দিন এখন বিআইডব্লিউটিএ‘র অঘোষিত “রাজা”! সাভারে এক ইউপি চেয়ারম্যানের সম্পদের পাহাড়! সিরাজদিখানে মঈনুল হাসান নাহিদকে বিকল্প ধরার সমর্থন মির্জাগঞ্জের ইউ,পি সচিব পরকীয়া প্রেমিকার হত্যাকাণ্ডে পুলিশ হেফাজতে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় মানুষের ভালবাসায় আমি মুগ্ধ: চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ মানবতার আড়ালে ভয়ংকর ফয়সাল বাহিনী, পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

দারুস সালামে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যায় ইসলাম গ্রুপের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালামে ইসলাম গ্রুপ ও নাবিল খান গ্রুপের দলীয় কোন্দলের জেরে ইসলাম গ্রুপের সদস্যদের ছুরিকাঘাতে শাহ আলম (৩০) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যার ঘটনায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
রোববার (১৫ অক্টোবর) বিষয়টি জানিয়েছেন দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল বাশার।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহ আলমকে হত্যার ঘটনার ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৫/৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি দায়ের করেছেন তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সৈয়দ আলী। মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে, শনিবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে দারুস সালাম এলাকার ভূমি অফিসের সামনে শাহ আলমকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শাহ আলম দারুস সালাম থানা এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
নিহত শাহ আলমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা অটোরিকশা চালক রিমন বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে দারুস সালাম থানার বদ্ধন বাড়ির রাস্তায় তাকে পড়ে থাকতে দেখি। এরপর অটোরিকশায় তুলে মিরপুরের সেলিনা হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তাকে পঙ্গু হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শাহ আলমের মৃত্যুর খবর শুনে কয়েকশ’ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিকেলে এসে উপস্থিত হন। তবে ঘটনার বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলেননি তার পরিবার এবং দলীয় নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাবিল খান গ্রুপ ও ইসলাম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই গ্রুপের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

দারুস সালামে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যায় ইসলাম গ্রুপের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট টাইম : ০৭:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৩

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালামে ইসলাম গ্রুপ ও নাবিল খান গ্রুপের দলীয় কোন্দলের জেরে ইসলাম গ্রুপের সদস্যদের ছুরিকাঘাতে শাহ আলম (৩০) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যার ঘটনায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
রোববার (১৫ অক্টোবর) বিষয়টি জানিয়েছেন দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল বাশার।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহ আলমকে হত্যার ঘটনার ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৫/৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি দায়ের করেছেন তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সৈয়দ আলী। মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে, শনিবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে দারুস সালাম এলাকার ভূমি অফিসের সামনে শাহ আলমকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শাহ আলম দারুস সালাম থানা এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
নিহত শাহ আলমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা অটোরিকশা চালক রিমন বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে দারুস সালাম থানার বদ্ধন বাড়ির রাস্তায় তাকে পড়ে থাকতে দেখি। এরপর অটোরিকশায় তুলে মিরপুরের সেলিনা হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তাকে পঙ্গু হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শাহ আলমের মৃত্যুর খবর শুনে কয়েকশ’ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিকেলে এসে উপস্থিত হন। তবে ঘটনার বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলেননি তার পরিবার এবং দলীয় নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাবিল খান গ্রুপ ও ইসলাম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই গ্রুপের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।