ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও  শহীদ  দিবসে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির শ্রদ্ধা নিবেদন  ৫২’র ভাষা শহীদদের প্রতি মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের শ্রদ্ধা নিবেদন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছেন ডিজি ডা: মো: এমদাদুল হক তালুকদার! বাসাবো এলাকায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান; ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা দুই সাব-রেজিস্ট্রারের বদলী উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীল হবেন দুদক কর্মকর্তারা বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে ভূমি অফিস পরিচালনা করুন: ভূমিমন্ত্রী বাসাবো এলাকায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান; ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা মাগুরায় মাদরাসার সভাপতির ধমকে সুপার অজ্ঞান  মাগুরায় সাকিবের পৃষ্ঠপোষকতায় মহান একুশ উপলক্ষে শহরে আলপনার উদ্যোগ 

মাগুরার এক এমপির ড্রাইভারের ভাগ্য বদলের কাহিনী!

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক :
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য একজন এমপির ড্রাইভার ২৫ হাজার টাকা বেতন পেয়ে থাকেন ৩৫ হাজার টাকা ভাড়ার ফ্ল্যাটে। স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও সংসারের পেছনে ব্যয় করেন লক্ষাধিক টাকা। নিজ গ্রামের বাড়িতে বড় বড় গরু কুরবানী দেন। গ্রামবাসীর মধ্যে শাড়ি,লুঙ্গী,কম্বল বিতরণ করেন। পিতা ও ভাইকে কিনে দিয়েছেন লেটেস্ট মডেলের গাড়ি। রেন্ট এ কারে ভাড়া দিয়েছেন ২টা হায়েস মাইক্রোবাস। তার ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী ও সে নিজেও আইফোন ব্যবহার করেন। মাত্র ৫ বছর এমপির ড্রাইভার পদে চাকুরী করে তিনি গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। নিজ গ্রামে দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। দিয়েছেন ডেইরি ফার্ম। নিজ নামে মুক্তি পানির ডিলারশীপ নিয়েছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুর বসিলা ভেড়িবাঁধ এলাকায় যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করছেন ১০ তলা বাড়ি। তিনি প্রায় সময়ই থাকেন ফাইভ স্টার নয়তো থ্রী-স্টার হোটেলে। এমপির লাইসেন্স করা অস্ত্র, গাড়ি ও মোবাইল ব্যবহার করে প্রশাসনে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাকুরির তদবীর করেন। তার জীবন জাপনের স্টাইল দেখলে মনে হয় তিনি কোন শিল্পপতি বা সরকারি বড় কোন কর্মকর্তা।
ভাগ্যবান এই ড্রাইভারকে নিয়ে আমাদের আজকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। চলুন প্রথমেই জেনে নেই তার প্রকৃত পরিচয়। তথ্য বলছে,এই ড্রাইভারের নাম মো: ইমরান শেখ। তার পিতার নাম: ইসাহাক শেখ। স্ত্রীর নাম: রেহানা বেগম। দুই সন্তানের জনক তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের ব্যক্তিগত ড্রাইভার তিনি।
এমপির ড্রাইভার হওয়ার পরই তার ভাগ্য বদলে গেছে। ফরিদপুর জেলার তুলাগ্রাম গ্রামে পৈতৃক নিবাস হলেও থাকেন ঢাকা পশ্চিম আগারগাঁও এর ৬ ফিট এলাকার আলীশান ফ্ল্যাটে। তার বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে লোমহর্ষক সব তথ্য। একজন ড্রাইভার হয়ে তিনি কিভাবে কোটি কোটি টাকা ও সম্পদের মালিক হয়েছেন তা এক বিরাট রহস্য। সেই রহস্য উদঘাটনে আমরা সক্রিয় হলেই বেরিয়ে আসে তার থলের বিড়াল।
জানা যায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস শিখরের ড্রাইভার থাকাকালে তার গাড়ি ব্যবহার করে নানা প্রকার অবৈধ কারবার, ঠিকাদারী, চাকরির তদবীর ও মাদক ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। সেই টাকায় ঢাকা,ফরিদপুর ছাড়াও মাগুরাতেও অনেক সম্পদ গড়েছেন। তার স্ত্রী ও ছেলের নামে মাগুরা স্টেডিয়াম মার্কেটে ২ টি দোকানের পজেশন ক্রয় করেছেন। সেখানে বাড়ি করার জন্য ১০ শতাংশ জমিও কিনেছেন। ফরিদপুর শহরের হেলিপ্যাড মার্কেটে তার পুত্র রিপন শেখের নামে ২ টি দোকান ক্রয় করেছেন। আক্কাছের মোড়ে ২ টি দোকান ক্রয় করেছেন। বাহার মোড়ে ৩ টি দোকান ও একটি বাড়ি নির্মাণ করেছেন।
শোনা যায়,তার পিতা ইসহাক শেখ এক সময় রিকসা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এর পর নদী ও বিল বাওড় থেকে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালাতেন। সেই ইসাহাক শেখ এখন রাজকীয় জীবন যাপন করেন। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, ড্রাইভার ইমরানের বৈধ অবৈধ ৩ টি স্ত্রী রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর নাম রেহানা,দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম শিলা,তৃতীয় স্ত্রীর নাম রাণী। স্ত্রীদের তিনি পৃথক পৃথক স্থানে রেখে ভোরণ পোষন দেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে সবার কাছে খালাডো বোন হিসাবে পরিচয় দেন। তার ঘরে তিনটি সন্তান রয়েছে। এলাকাবাসী সুত্রে আরো প্রকাশ,ড্রাইভার ইমরান প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ড্রাইভারী চাকরী ছেড়ে দিলেও পিএম দপ্তর কর্তৃক ইস্যুকৃত আইডি কার্ড এখনো জমা দেননি। ৫ বছর যাবৎ সেটি অপব্যবহার করছেন।
সুত্র মতে তিনি ফরিদপুর অঞ্চলের সবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে তার কাছে তথ্য পাচার করেন। এলাকার বিএনপি নেতা মন্ত্রীর ভাই বাবর হোসেনের বাসার কাজের মেয়ে রেহানাকে বিয়ে করে,এলজিইডিতে মাস্টার রোলে ড্রাইভার পদে চাকুরী পান। এরপর তিনি এপিএস-২ শিখরের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে তার ড্রাইভার বনে যান। তারপর থেকেই তদবীর বাণিজ্য আর শিখরের নামে বিভিন্ন শিল্পপতি,ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করে টাকা ও সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলেন। তিনি এলজিইডিত ও পিএম এর দপ্তরে চাকুরী করা কালে সরকারী ২ খানা মটর সাইকেল চুরি করেন, তা এখনো জমা দেননি। একখানা তার শ্যালক মুন্সীগঞ্জে ব্যবহার করছেন। তার বিরুদ্ধে আরো অনেক জঘন্য অভিযোগ আমাদের হাতে এসেছে। সেগুলো অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় আরাফাত কনষ্ট্রাকশন নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মচারীগণ বিসিকের পরিচয় পত্র বা আইডি কার্ড ব্যবহার করছেন কিভাবে-জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ মতামত প্রদান বা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত একজন ইলেকট্রিশিয়ান গাড়ী চালকের দায়িত্ব পালন করেন কিভাবে-এ প্রশ্নের জবাবে উপকরণ শাখা প্রধান, উপব্যবস্থাপক এবং যানবাহন এর কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত কারিগরী কর্মকর্তা তাদের মতাম্ত ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন যে, পরিবহন পুলের কোন গাড়ী নির্ধারিত গাড়ী চালকের বাইরে অন্য কেউ এ দায়িত্ব পালন করেন না। পরিচালক পর্ষদের কেউ এটাচড গাড়ী চালক ব্যতীত অন্য কারো মাধ্যমে পরিচালনা করে থাকলে তার দায়ভার উপকরণ শাখার নয় মর্মেও তারা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
বিষয়টি নিয়ে বিসিকের পরিচালক (প্রশাসন) শ্যামলী নবী এর সাথে যোগাযোগ করা হলে লিফটম্যানগন দায়িত্ব পালন করেন না বিষয়টি তার নজরে পড়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপকরণ শাখার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাগণকে মৌখিকভাবে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বিসিকের আইডি কার্ড ব্যবহার করার এখতিয়ার নেই এবং আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োগপ্রাপ্ত ইলেকট্রিশিয়ানের মাধ্যমে গাড়ী চালানোর বিষয়ে তিনি অবগত নন। এ বিষয়ে বিসিক চেয়ারম্যান মুহা: মাহবুবর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমি ওএসডি হয়েগেছি তাই এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারব না।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও  শহীদ  দিবসে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির শ্রদ্ধা নিবেদন 

মাগুরার এক এমপির ড্রাইভারের ভাগ্য বদলের কাহিনী!

আপডেট টাইম : ১১:১৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক :
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য একজন এমপির ড্রাইভার ২৫ হাজার টাকা বেতন পেয়ে থাকেন ৩৫ হাজার টাকা ভাড়ার ফ্ল্যাটে। স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও সংসারের পেছনে ব্যয় করেন লক্ষাধিক টাকা। নিজ গ্রামের বাড়িতে বড় বড় গরু কুরবানী দেন। গ্রামবাসীর মধ্যে শাড়ি,লুঙ্গী,কম্বল বিতরণ করেন। পিতা ও ভাইকে কিনে দিয়েছেন লেটেস্ট মডেলের গাড়ি। রেন্ট এ কারে ভাড়া দিয়েছেন ২টা হায়েস মাইক্রোবাস। তার ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী ও সে নিজেও আইফোন ব্যবহার করেন। মাত্র ৫ বছর এমপির ড্রাইভার পদে চাকুরী করে তিনি গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। নিজ গ্রামে দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। দিয়েছেন ডেইরি ফার্ম। নিজ নামে মুক্তি পানির ডিলারশীপ নিয়েছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুর বসিলা ভেড়িবাঁধ এলাকায় যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করছেন ১০ তলা বাড়ি। তিনি প্রায় সময়ই থাকেন ফাইভ স্টার নয়তো থ্রী-স্টার হোটেলে। এমপির লাইসেন্স করা অস্ত্র, গাড়ি ও মোবাইল ব্যবহার করে প্রশাসনে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাকুরির তদবীর করেন। তার জীবন জাপনের স্টাইল দেখলে মনে হয় তিনি কোন শিল্পপতি বা সরকারি বড় কোন কর্মকর্তা।
ভাগ্যবান এই ড্রাইভারকে নিয়ে আমাদের আজকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। চলুন প্রথমেই জেনে নেই তার প্রকৃত পরিচয়। তথ্য বলছে,এই ড্রাইভারের নাম মো: ইমরান শেখ। তার পিতার নাম: ইসাহাক শেখ। স্ত্রীর নাম: রেহানা বেগম। দুই সন্তানের জনক তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের ব্যক্তিগত ড্রাইভার তিনি।
এমপির ড্রাইভার হওয়ার পরই তার ভাগ্য বদলে গেছে। ফরিদপুর জেলার তুলাগ্রাম গ্রামে পৈতৃক নিবাস হলেও থাকেন ঢাকা পশ্চিম আগারগাঁও এর ৬ ফিট এলাকার আলীশান ফ্ল্যাটে। তার বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে লোমহর্ষক সব তথ্য। একজন ড্রাইভার হয়ে তিনি কিভাবে কোটি কোটি টাকা ও সম্পদের মালিক হয়েছেন তা এক বিরাট রহস্য। সেই রহস্য উদঘাটনে আমরা সক্রিয় হলেই বেরিয়ে আসে তার থলের বিড়াল।
জানা যায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস শিখরের ড্রাইভার থাকাকালে তার গাড়ি ব্যবহার করে নানা প্রকার অবৈধ কারবার, ঠিকাদারী, চাকরির তদবীর ও মাদক ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। সেই টাকায় ঢাকা,ফরিদপুর ছাড়াও মাগুরাতেও অনেক সম্পদ গড়েছেন। তার স্ত্রী ও ছেলের নামে মাগুরা স্টেডিয়াম মার্কেটে ২ টি দোকানের পজেশন ক্রয় করেছেন। সেখানে বাড়ি করার জন্য ১০ শতাংশ জমিও কিনেছেন। ফরিদপুর শহরের হেলিপ্যাড মার্কেটে তার পুত্র রিপন শেখের নামে ২ টি দোকান ক্রয় করেছেন। আক্কাছের মোড়ে ২ টি দোকান ক্রয় করেছেন। বাহার মোড়ে ৩ টি দোকান ও একটি বাড়ি নির্মাণ করেছেন।
শোনা যায়,তার পিতা ইসহাক শেখ এক সময় রিকসা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এর পর নদী ও বিল বাওড় থেকে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালাতেন। সেই ইসাহাক শেখ এখন রাজকীয় জীবন যাপন করেন। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, ড্রাইভার ইমরানের বৈধ অবৈধ ৩ টি স্ত্রী রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর নাম রেহানা,দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম শিলা,তৃতীয় স্ত্রীর নাম রাণী। স্ত্রীদের তিনি পৃথক পৃথক স্থানে রেখে ভোরণ পোষন দেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে সবার কাছে খালাডো বোন হিসাবে পরিচয় দেন। তার ঘরে তিনটি সন্তান রয়েছে। এলাকাবাসী সুত্রে আরো প্রকাশ,ড্রাইভার ইমরান প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ড্রাইভারী চাকরী ছেড়ে দিলেও পিএম দপ্তর কর্তৃক ইস্যুকৃত আইডি কার্ড এখনো জমা দেননি। ৫ বছর যাবৎ সেটি অপব্যবহার করছেন।
সুত্র মতে তিনি ফরিদপুর অঞ্চলের সবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে তার কাছে তথ্য পাচার করেন। এলাকার বিএনপি নেতা মন্ত্রীর ভাই বাবর হোসেনের বাসার কাজের মেয়ে রেহানাকে বিয়ে করে,এলজিইডিতে মাস্টার রোলে ড্রাইভার পদে চাকুরী পান। এরপর তিনি এপিএস-২ শিখরের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে তার ড্রাইভার বনে যান। তারপর থেকেই তদবীর বাণিজ্য আর শিখরের নামে বিভিন্ন শিল্পপতি,ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করে টাকা ও সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলেন। তিনি এলজিইডিত ও পিএম এর দপ্তরে চাকুরী করা কালে সরকারী ২ খানা মটর সাইকেল চুরি করেন, তা এখনো জমা দেননি। একখানা তার শ্যালক মুন্সীগঞ্জে ব্যবহার করছেন। তার বিরুদ্ধে আরো অনেক জঘন্য অভিযোগ আমাদের হাতে এসেছে। সেগুলো অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় আরাফাত কনষ্ট্রাকশন নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মচারীগণ বিসিকের পরিচয় পত্র বা আইডি কার্ড ব্যবহার করছেন কিভাবে-জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ মতামত প্রদান বা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত একজন ইলেকট্রিশিয়ান গাড়ী চালকের দায়িত্ব পালন করেন কিভাবে-এ প্রশ্নের জবাবে উপকরণ শাখা প্রধান, উপব্যবস্থাপক এবং যানবাহন এর কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত কারিগরী কর্মকর্তা তাদের মতাম্ত ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন যে, পরিবহন পুলের কোন গাড়ী নির্ধারিত গাড়ী চালকের বাইরে অন্য কেউ এ দায়িত্ব পালন করেন না। পরিচালক পর্ষদের কেউ এটাচড গাড়ী চালক ব্যতীত অন্য কারো মাধ্যমে পরিচালনা করে থাকলে তার দায়ভার উপকরণ শাখার নয় মর্মেও তারা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
বিষয়টি নিয়ে বিসিকের পরিচালক (প্রশাসন) শ্যামলী নবী এর সাথে যোগাযোগ করা হলে লিফটম্যানগন দায়িত্ব পালন করেন না বিষয়টি তার নজরে পড়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপকরণ শাখার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাগণকে মৌখিকভাবে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বিসিকের আইডি কার্ড ব্যবহার করার এখতিয়ার নেই এবং আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োগপ্রাপ্ত ইলেকট্রিশিয়ানের মাধ্যমে গাড়ী চালানোর বিষয়ে তিনি অবগত নন। এ বিষয়ে বিসিক চেয়ারম্যান মুহা: মাহবুবর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমি ওএসডি হয়েগেছি তাই এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারব না।