ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তৃণমূলের ক্ষুদ্র উদ্যোগেই গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী গাজীপুরে ৯০ স্টল নিয়ে ৭দিনের বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলার উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ঘটনা এক, ব্যাখ্যা ভিন্ন: শরীয়তপুরে জাতীয়বাদী আইনজীবী ফোরামের সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শুরু সাংগ্রাই উৎসব কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষক মাওলা হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন প্রাণের উৎসব বৈসাবিকে ঘিরে বিশ্বশান্তি কামনায় আনন্দে ভাসছে পাহাড় সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে হামসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব -স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাড্ডা থানার অপরাধীদের আতঙ্কের নাম ওসি ইয়াসীন গাজী

গোলাম সরওয়ার পিন্টু :

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর দুর্দান্ত সাহসী কিছু অফিসার রয়েছে যারা তাদের সৎ সাহসকে পুঁজি করে জনগণের শান্তির জন্য দিনরাত সকল অন্যায়কে বিতাড়িত করে পুলিশ বাহিনীকে করে তুলেছেন প্রশংসিত। ঠিক তেমনি একজন মানবিক, বিনয়ী, সৎ, মেধাবী ও সাহসী দায়িত্বশীল পুলিশ অফিসার হলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বাড্ডা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) ইয়াসীন গাজী। একজন ওসি থানা এলাকার আইনশৃংঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সহ তার দায়িত্ব শতভাগ সফল ভাবে পালন করেও যে, আন্তরিকতা ও মানবপ্রেম দিয়ে গোটা থানা এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মন জয় করতে পারে তার এক জলন্ত প্রমাণ তিনি।

পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের ভিন্ন ধারণা থাকলেও বাড্ডা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) ইয়াসীন গাজী যোগদানের পর সে ধারণা বদলে দিয়েছে মানুষকে। ব্যতিক্রমধর্মী একজন পুলিশ অফিসার হিসাবে তিনি তার সহকর্মী ও সাধারণ জনগণের আদর্শগত ভিন্নতা মেনে নিয়ে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে থানাতে আসা সাধারণ মানুষের সেবা শতভাগ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। শুধু তাই নয় তিনি সন্ত্রাস, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধেও কঠোর। তিনি সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক এবং অপরাধীদের কাছে হয়ে উঠেছেন আতঙ্ক।

বাড্ডা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদানের পর এই সল্প সময়ে নিজের সততা, মেধা, বিচক্ষণতা কর্মদক্ষতা ও মানবিকতার মাধ্যমে থানার সাধারণ মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি শ্রেণি ভেদাভেদ না করেই যখন যেখানে যে ধরণের আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন তিনি তাই করে যাচ্ছেন। তিনি যে কোনো ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই সাড়া দিচ্ছেন দ্রুত।

থানা এলাকাকে রেখেছেন যেকোন সময়ের চেয়ে নিরাপদ। রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতেও কঠোর হাতে আইনশৃঙ্খলা রেখেছেন স্বাভাবিক, সরকারের উন্নয়নমূলক সাফল্যগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরতে পুলিশি কার্যক্রমকে রেখেছেন বেগবান।

বাড্ডা থানায় যোগদানের পর হতে মাদক কারবারীদের আনা গোনা অনেকটা কমে গেছে । প্রতিনিয়ত অভিযানের ফলে অনেক মাদক ব্যবসায়ী ও গড ফাদারদের তিনি গ্রেফতার করেছেন। তার ভয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা বর্তমানে গা ঢাকা দিয়েছে।

তিনি বর্তমান এ থানার চোখে একজন সৎ, আদর্শবান, ন্যায়নিষ্ঠ ও গরিবের বন্ধুসুলভ পুলিশ অফিসার। তার চোখে ধনি-গরিব, জেলে,রিকশা চালক হতে সব শ্রেণিপেশার মানুষ সমান। এ ছাড়াও একের পর এক ব্যতিক্রমী কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভেসে বেড়ায় তার সচেতনতামূলক কিছু কার্যক্রম। আর তার কর্মকান্ডের খ্যাতি জনসাধারণের মুখে মুখে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

তৃণমূলের ক্ষুদ্র উদ্যোগেই গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

বাড্ডা থানার অপরাধীদের আতঙ্কের নাম ওসি ইয়াসীন গাজী

আপডেট টাইম : ০৬:২২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

গোলাম সরওয়ার পিন্টু :

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর দুর্দান্ত সাহসী কিছু অফিসার রয়েছে যারা তাদের সৎ সাহসকে পুঁজি করে জনগণের শান্তির জন্য দিনরাত সকল অন্যায়কে বিতাড়িত করে পুলিশ বাহিনীকে করে তুলেছেন প্রশংসিত। ঠিক তেমনি একজন মানবিক, বিনয়ী, সৎ, মেধাবী ও সাহসী দায়িত্বশীল পুলিশ অফিসার হলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বাড্ডা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) ইয়াসীন গাজী। একজন ওসি থানা এলাকার আইনশৃংঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সহ তার দায়িত্ব শতভাগ সফল ভাবে পালন করেও যে, আন্তরিকতা ও মানবপ্রেম দিয়ে গোটা থানা এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মন জয় করতে পারে তার এক জলন্ত প্রমাণ তিনি।

পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের ভিন্ন ধারণা থাকলেও বাড্ডা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) ইয়াসীন গাজী যোগদানের পর সে ধারণা বদলে দিয়েছে মানুষকে। ব্যতিক্রমধর্মী একজন পুলিশ অফিসার হিসাবে তিনি তার সহকর্মী ও সাধারণ জনগণের আদর্শগত ভিন্নতা মেনে নিয়ে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে থানাতে আসা সাধারণ মানুষের সেবা শতভাগ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। শুধু তাই নয় তিনি সন্ত্রাস, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধেও কঠোর। তিনি সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক এবং অপরাধীদের কাছে হয়ে উঠেছেন আতঙ্ক।

বাড্ডা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদানের পর এই সল্প সময়ে নিজের সততা, মেধা, বিচক্ষণতা কর্মদক্ষতা ও মানবিকতার মাধ্যমে থানার সাধারণ মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি শ্রেণি ভেদাভেদ না করেই যখন যেখানে যে ধরণের আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন তিনি তাই করে যাচ্ছেন। তিনি যে কোনো ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই সাড়া দিচ্ছেন দ্রুত।

থানা এলাকাকে রেখেছেন যেকোন সময়ের চেয়ে নিরাপদ। রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতেও কঠোর হাতে আইনশৃঙ্খলা রেখেছেন স্বাভাবিক, সরকারের উন্নয়নমূলক সাফল্যগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরতে পুলিশি কার্যক্রমকে রেখেছেন বেগবান।

বাড্ডা থানায় যোগদানের পর হতে মাদক কারবারীদের আনা গোনা অনেকটা কমে গেছে । প্রতিনিয়ত অভিযানের ফলে অনেক মাদক ব্যবসায়ী ও গড ফাদারদের তিনি গ্রেফতার করেছেন। তার ভয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা বর্তমানে গা ঢাকা দিয়েছে।

তিনি বর্তমান এ থানার চোখে একজন সৎ, আদর্শবান, ন্যায়নিষ্ঠ ও গরিবের বন্ধুসুলভ পুলিশ অফিসার। তার চোখে ধনি-গরিব, জেলে,রিকশা চালক হতে সব শ্রেণিপেশার মানুষ সমান। এ ছাড়াও একের পর এক ব্যতিক্রমী কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভেসে বেড়ায় তার সচেতনতামূলক কিছু কার্যক্রম। আর তার কর্মকান্ডের খ্যাতি জনসাধারণের মুখে মুখে।