ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফ্যাসিষ্টের সহযোগীরা এখন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের টেন্ডার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক! মাদক ব্যবসায়ী ধরাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫ আটক ৮ মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কার সিদ্দিকীর পেটে উন্নয়ন প্রকল্পের ৫০ কোটি টাকা! ঝিনাইদহ পুলিশের অভিযানে চোর চক্রের তিন সদস্য দুইটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার ইউসেপ বাংলাদেশ আয়োজিত চাকুরী মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত বিসিক এর প্রধান কার্যালয়ে দুদকের টিম: সিংহভাগ অভিযোগ পিডি হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে! রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বান্দরবান রুমায় ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ গাছা ভূমি অফিসের হর্তাকর্তা কে এই দালাল জহির? মুরাদনগরে ভেজাল খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান: ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, একটির কার্যক্রম বন্ধ
তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন

বেনজীরের সম্পদ নিয়ে মুখ খুললেন ব্যারিস্টার সুমন

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন দাবি করে সেই সম্পদের তদন্ত দাবি করেছেন সৈয়দ সায়েদুল হক ওরফে ব্যারিস্টার সুমন।

এই দাবি নিয়ে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট ও মাধবপুর) আসনের এই সংসদ সদস্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। আবেদনে সাবেক পুলিশ প্রধানসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের তদন্ত করার অনুরোধ করেছেন ব্যারিস্টার সুমন।

আজ রবিবার দুপুরে দুদক কার্যালয়ে এই আবেদন জমা দেন ব্যারিস্টার সুমন।

আবেদনে ব্যারিস্টার সুমন লিখেছেন, বেনজীর আহমেদ বাংলাদেশ পুলিশের ৩০তম আইজি ছিলেন। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি অবসর গ্রহণ করেন। কিন্তু চাকরিতে থাকাকালে তার স্ত্রী ও মেয়েদের নামে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে, যে সম্পদগুলো তার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এর আগে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার স্ত্রী জিসান মির্জা এবং দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাশিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে প্রচুর সম্পদ গড়েছেন। তাদের নামে রাজধানীতে বেস্ট হোল্ডিংয়ের পাঁচ তারকা মানের হোটেল লা মেরিডিয়ানে শেয়ার, গোপালগঞ্জে বিলাসবহুল সাবানাহ ইকো রিসোর্ট, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমিসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমাণে জমি ও একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকানার তথ্য প্রকাশ করা হয় ওই প্রতিবেদনে।

ব্যারিস্টার সুমন ওই প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে লিখেছেন, বেনজীর আহমেদের বৈধ যে আয়, তার পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদের পরিমাণ তার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে বেনজীর আহমেদ চাকরিতে থাকাকালে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে এসব সম্পদ অর্জন করেছেন বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে।

আবেদনে ব্যারিস্টার সুমন লিখেছেন, এ পরিস্থিতিতে বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী সন্তানদের সম্পদের তদন্তে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি।

আবেদন জমা দিয়ে পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সুমন। বলেন, ‘পুলিশে যারা অসৎ হবেন বেনজীর সাহেবকে আদর্শ ধরে নিবেন।’

এদিকে ওই জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যগুলো অসত্য বলে দাবি করেছেন বেনজীর আহমেদ। গতকাল শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি সম্পত্তি অর্জনের তথ্যকে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন। বলেছেন, কেউ যদি সেই তথ্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, তবে সেই সম্পত্তি সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে হাসিমুখে লিখে দেবেন তিনি।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিষ্টের সহযোগীরা এখন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের টেন্ডার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক!

তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন

বেনজীরের সম্পদ নিয়ে মুখ খুললেন ব্যারিস্টার সুমন

আপডেট টাইম : ০৮:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন দাবি করে সেই সম্পদের তদন্ত দাবি করেছেন সৈয়দ সায়েদুল হক ওরফে ব্যারিস্টার সুমন।

এই দাবি নিয়ে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট ও মাধবপুর) আসনের এই সংসদ সদস্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। আবেদনে সাবেক পুলিশ প্রধানসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের তদন্ত করার অনুরোধ করেছেন ব্যারিস্টার সুমন।

আজ রবিবার দুপুরে দুদক কার্যালয়ে এই আবেদন জমা দেন ব্যারিস্টার সুমন।

আবেদনে ব্যারিস্টার সুমন লিখেছেন, বেনজীর আহমেদ বাংলাদেশ পুলিশের ৩০তম আইজি ছিলেন। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি অবসর গ্রহণ করেন। কিন্তু চাকরিতে থাকাকালে তার স্ত্রী ও মেয়েদের নামে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে, যে সম্পদগুলো তার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এর আগে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার স্ত্রী জিসান মির্জা এবং দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাশিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে প্রচুর সম্পদ গড়েছেন। তাদের নামে রাজধানীতে বেস্ট হোল্ডিংয়ের পাঁচ তারকা মানের হোটেল লা মেরিডিয়ানে শেয়ার, গোপালগঞ্জে বিলাসবহুল সাবানাহ ইকো রিসোর্ট, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমিসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমাণে জমি ও একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকানার তথ্য প্রকাশ করা হয় ওই প্রতিবেদনে।

ব্যারিস্টার সুমন ওই প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে লিখেছেন, বেনজীর আহমেদের বৈধ যে আয়, তার পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদের পরিমাণ তার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে বেনজীর আহমেদ চাকরিতে থাকাকালে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে এসব সম্পদ অর্জন করেছেন বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে।

আবেদনে ব্যারিস্টার সুমন লিখেছেন, এ পরিস্থিতিতে বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী সন্তানদের সম্পদের তদন্তে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি।

আবেদন জমা দিয়ে পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সুমন। বলেন, ‘পুলিশে যারা অসৎ হবেন বেনজীর সাহেবকে আদর্শ ধরে নিবেন।’

এদিকে ওই জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যগুলো অসত্য বলে দাবি করেছেন বেনজীর আহমেদ। গতকাল শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি সম্পত্তি অর্জনের তথ্যকে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন। বলেছেন, কেউ যদি সেই তথ্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, তবে সেই সম্পত্তি সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে হাসিমুখে লিখে দেবেন তিনি।


প্রিন্ট