ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আদমদীঘিতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ: গ্রেফতার-১ মহম্মদপুরে হত্যার মামলার আসামি জামিনে এসে বাদিকে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি, পরে মারধর আ.লীগ নেতার হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় আইসক্রিম ফাক্টরি মালিক কালিহাতীতে লিঙ্গ কাটার অভিযোগ স্ত্রী’র বিরুদ্ধে ফিটনেস বিহীন নৌযানে সয়লাব সদরঘাট,নেই পর্যাপ্ত দক্ষ নাবিক! ৫০ কোটি টাকার মামলা থেকে বাঁচতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পাল্টা মামলা! ফরিদপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের নব সভাপতি হলেন আবু সাঈদ মির্জাগঞ্জে আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ মাগুরার হৃদয়পুরে ফসলি জমির টপসয়েল মাটিকাটার অভিযোগ, ইউএনওর হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ
মো: সরোয়ার এখন বিসিকের ছায়া চেয়ারম্যান!

জাতির পিতার ছবি ও জয়বাংলা শ্লোগান অবমাননা করেও তিনি বহাল তবিয়তে!

বিশেষ প্রতিবেদক :

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে পরিচালিত বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশ (বিসিক) এক ছায়া চেয়ারম্যানের আবির্ভাব ঘটেছে। এই ছায়া চেয়ারম্যানের পরামর্শ বা মতামতেই চলছে যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম।ফলে কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার ভৌমিকের কর্মদক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
জয়বাংলা জাতীয় শ্লোগান এবং জয় বঙ্গবন্ধু জাতির পিতার স্মরণে উচ্চারিত শ্লোগান এবং জাতির পিতার স্মরণে খচিত ব্যানার ভাংচুর, পা দিয়ে মোড়ানো এবং সরকারী অফিসে লাঠির আমদানীকারক ব্যক্তি শুদ্ধাচার পুরষ্কার প্রাপ্ত হলে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন প্রয়োজন হয়না। ডাল মে কুছ কালা হায়। এ বিষয়ে সচিত্র একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল বেশ কয়েকটি আনলাইন পত্রিকায়। তাছাড়া জাতীয় শ্লোগান এবং জাতির পিতার অবমাননাকারী পেলেন শুদ্ধাচার পুরষ্কার শিরোনামেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্ত এই মারাত্মক অভিযোগের কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি তৎকালীন বিসিক চেয়ারম্যান মুহঃ মাহবুবর রহমান তথা বিসিক কর্তৃপক্ষ।
বিসিকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক থেকে অবৈধভাবে লবণ সেলের প্রধান হিসাবে কর্মরত ব্যক্তির নাম মোঃ সরোয়ার হোসেন। বিসিকের চাকুরীতে ২০১৫ সালে প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন বিসিক নৈপুন্য বিকাশ কেন্দ্র গোপালগঞ্জ শীর্ষক একট প্রকল্পের ৬ষ্ঠ গ্রেডের উপব্যবস্থাপক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা হিসাবে। সরকারের প্রচলিত নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে বে-আইনীভাবে ৫ম গ্রেডে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন ২০২০ সালে। পদোন্নতি প্রাপ্তির পর হতে অদ্যবাধি ৫ বছর লবণসেল প্রধানের একই পদে কর্মরত আছেন সরকারের প্রচলিত বদলীর সাধারণ শর্তাবলী ভংগ করে।
ইতিমধ্যেই মোঃ সরোয়ার হোসেন সুখ্যাতি অর্জন করেছেন বিসিকের বেনজীর-আজিজ হিসাবে। ২০১৫ সালে বিসিকের চাকুরীতে যোগদান করে ৯ বছরে হাতে পেয়েছেন আলাদিনের চেরাগ। এ সময় চাকুরী করে কোটি টাকা মূল্যের একাধিক ফ্লাট বুকিং দিয়েছেন মোঃ সরোয়ার হোসেন।
তিনি মাসিক বেতন ভাতা পান তিনি সব মিলিয়ে ৭৫ হাজার টাকা। অথচ তার মাসিক ব্যয় দেড় লক্ষ টাকার উপরে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, তার বাসা ভাড়া ৩৫ হাজার টাকা, ইউটিলিটি বিল, সার্ভিস চার্জ বাবদ পরিশোধ করেন ১০ হাজার টাকা, মাসিক খাওয়া খরচ ৪৫ হাজার টাকা, সন্তানের লেখাপড়া খরচ বাবদ ব্যয় করেন ২০ হাজার টাকা, ক্রেডিট কার্ডের লোন পরিশোধ করেন ৩০ হাজার টাকা, ডাক্তার, ঔষধ বাবদ মাসিক সর্বনিম্ন খরচ ৫ হাজার টাকা, পোষাক পরিচ্ছদ বাবদ মাসিক গড় খরচ ৫ হাজার টাকা, বিবিধ খরচ আছে মাসে ৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মাসিক ব্যয় কমপক্ষে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা। প্রশ্ন হলো বাকি ৭৫ হাজার টাকা তিনি কোথায় পান? তার বর্তমান বাসস্থান হচ্ছে ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ চান মিয়া হাউজিং এর রোড নং-২ এর মেঘনীল ভবন এর ৪র্থ তলাস্থ ফ্লাট নং-সি-১২। ৭৫ হাজার টাকার বেতন ভাতার একজন চাকুরীজীবি ৪৫ হাজার টাকার খরচ করেন বাসা ভাড়া বাবদ! সংগত কারণেই প্রশ œদেখা দিয়েছে, তিনি ৭৫ হাজার টাকা আয় করে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় করেন কি করে? মোঃ সরোয়ারের আয়ের সাথে ব্যয়ের অসংগতি ৭৫ হাজার টাকার যোগান দিচ্ছে লবন সেল। ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে অবৈধপন্থায় অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে তিনি মাসে মাসে এই টাকা উপার্জন করছেন।
কৌশলবাজ মোঃ সরোয়ার হোসেন অতি অল্প সময়ে প্রতিজন চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করে তার চেয়ার ঠিক রাখছেন। অবৈধপন্থায় উপার্জিত অথর্ দুহাতে খরচ করে বর্তমান চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার ভ্যেমিকের অতিপছন্দের লোক বনে গেছেন। যে কোন কাজেই সরোয়ার বিসিক চেয়ারম্যানের সাথে আছেন। যার অকাট্য প্রমাণ পত্রিকা কর্তৃপক্ষের হাতে রয়েছে।
সরোয়ার হাসেন হচ্ছেন লবন সেল প্রধান অথচ প্রশাসনিক কাজের বিষয়ে গৃহীত বিসিক পরিচালক পর্ষদ সভার সিদ্ধান্ত বিসিক চেয়ারম্যান মার্ক করেন সরোয়ার হোসেনকে। কর্মচারীদের স্বার্থ নষ্ট করে ভিআইপি মাত্রায় ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হয়েছেন সরোয়ার হোসেন। সময় অসময়ে বিসিক চেয়ারম্যানের সফর সংগী হচ্ছেন সরোয়ার হোসেন। প্রতিটি সভায় বিসিক চেয়ারম্যান প্রসংশা করেন সরোয়ার হোসেন। যার কারণে বিসিকের অধিকাংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জাতীয় শ্লোগান ও জাতির পিতার অবমাননার কারণে শাস্তির আওতায় না এনে মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের নির্দেশনা উপেক্ষা করে মো: সরোয়ার হোসেনকে ৩ বছরের জায়গায় ৫ বছর একই কর্মস্থলে কর্মরত রাখা, শুদ্ধাচার পুরষ্কার প্রদান এবং ভ্রমণকালে সফর সংগী হিসাবে প্রাধান্য দেয়ার বিষয়টি রহস্যে ঘেরা। মো: সরোয়ারের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারী মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি,কর্মচারীদের স্বার্থবিরোধী কার্য সম্পাদন, বিসিক নামীয় প্রতিষ্ঠানটির শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অশান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রাষ্ট্রের স্বার্থে এ বিষয়ে বিধিগত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল।
এসব বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য তেঁজগাওস্থ বিসিকের প্রধান কার্যালয়ে গিয়েও মো: সরোয়ারের সাক্ষাত পাওয়া যায়নি। মোবাইলে কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

আদমদীঘিতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ: গ্রেফতার-১

মো: সরোয়ার এখন বিসিকের ছায়া চেয়ারম্যান!

জাতির পিতার ছবি ও জয়বাংলা শ্লোগান অবমাননা করেও তিনি বহাল তবিয়তে!

আপডেট টাইম : ১১:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

বিশেষ প্রতিবেদক :

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে পরিচালিত বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশ (বিসিক) এক ছায়া চেয়ারম্যানের আবির্ভাব ঘটেছে। এই ছায়া চেয়ারম্যানের পরামর্শ বা মতামতেই চলছে যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম।ফলে কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার ভৌমিকের কর্মদক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
জয়বাংলা জাতীয় শ্লোগান এবং জয় বঙ্গবন্ধু জাতির পিতার স্মরণে উচ্চারিত শ্লোগান এবং জাতির পিতার স্মরণে খচিত ব্যানার ভাংচুর, পা দিয়ে মোড়ানো এবং সরকারী অফিসে লাঠির আমদানীকারক ব্যক্তি শুদ্ধাচার পুরষ্কার প্রাপ্ত হলে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন প্রয়োজন হয়না। ডাল মে কুছ কালা হায়। এ বিষয়ে সচিত্র একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল বেশ কয়েকটি আনলাইন পত্রিকায়। তাছাড়া জাতীয় শ্লোগান এবং জাতির পিতার অবমাননাকারী পেলেন শুদ্ধাচার পুরষ্কার শিরোনামেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্ত এই মারাত্মক অভিযোগের কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি তৎকালীন বিসিক চেয়ারম্যান মুহঃ মাহবুবর রহমান তথা বিসিক কর্তৃপক্ষ।
বিসিকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক থেকে অবৈধভাবে লবণ সেলের প্রধান হিসাবে কর্মরত ব্যক্তির নাম মোঃ সরোয়ার হোসেন। বিসিকের চাকুরীতে ২০১৫ সালে প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন বিসিক নৈপুন্য বিকাশ কেন্দ্র গোপালগঞ্জ শীর্ষক একট প্রকল্পের ৬ষ্ঠ গ্রেডের উপব্যবস্থাপক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা হিসাবে। সরকারের প্রচলিত নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে বে-আইনীভাবে ৫ম গ্রেডে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন ২০২০ সালে। পদোন্নতি প্রাপ্তির পর হতে অদ্যবাধি ৫ বছর লবণসেল প্রধানের একই পদে কর্মরত আছেন সরকারের প্রচলিত বদলীর সাধারণ শর্তাবলী ভংগ করে।
ইতিমধ্যেই মোঃ সরোয়ার হোসেন সুখ্যাতি অর্জন করেছেন বিসিকের বেনজীর-আজিজ হিসাবে। ২০১৫ সালে বিসিকের চাকুরীতে যোগদান করে ৯ বছরে হাতে পেয়েছেন আলাদিনের চেরাগ। এ সময় চাকুরী করে কোটি টাকা মূল্যের একাধিক ফ্লাট বুকিং দিয়েছেন মোঃ সরোয়ার হোসেন।
তিনি মাসিক বেতন ভাতা পান তিনি সব মিলিয়ে ৭৫ হাজার টাকা। অথচ তার মাসিক ব্যয় দেড় লক্ষ টাকার উপরে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, তার বাসা ভাড়া ৩৫ হাজার টাকা, ইউটিলিটি বিল, সার্ভিস চার্জ বাবদ পরিশোধ করেন ১০ হাজার টাকা, মাসিক খাওয়া খরচ ৪৫ হাজার টাকা, সন্তানের লেখাপড়া খরচ বাবদ ব্যয় করেন ২০ হাজার টাকা, ক্রেডিট কার্ডের লোন পরিশোধ করেন ৩০ হাজার টাকা, ডাক্তার, ঔষধ বাবদ মাসিক সর্বনিম্ন খরচ ৫ হাজার টাকা, পোষাক পরিচ্ছদ বাবদ মাসিক গড় খরচ ৫ হাজার টাকা, বিবিধ খরচ আছে মাসে ৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মাসিক ব্যয় কমপক্ষে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা। প্রশ্ন হলো বাকি ৭৫ হাজার টাকা তিনি কোথায় পান? তার বর্তমান বাসস্থান হচ্ছে ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ চান মিয়া হাউজিং এর রোড নং-২ এর মেঘনীল ভবন এর ৪র্থ তলাস্থ ফ্লাট নং-সি-১২। ৭৫ হাজার টাকার বেতন ভাতার একজন চাকুরীজীবি ৪৫ হাজার টাকার খরচ করেন বাসা ভাড়া বাবদ! সংগত কারণেই প্রশ œদেখা দিয়েছে, তিনি ৭৫ হাজার টাকা আয় করে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় করেন কি করে? মোঃ সরোয়ারের আয়ের সাথে ব্যয়ের অসংগতি ৭৫ হাজার টাকার যোগান দিচ্ছে লবন সেল। ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে অবৈধপন্থায় অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে তিনি মাসে মাসে এই টাকা উপার্জন করছেন।
কৌশলবাজ মোঃ সরোয়ার হোসেন অতি অল্প সময়ে প্রতিজন চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করে তার চেয়ার ঠিক রাখছেন। অবৈধপন্থায় উপার্জিত অথর্ দুহাতে খরচ করে বর্তমান চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার ভ্যেমিকের অতিপছন্দের লোক বনে গেছেন। যে কোন কাজেই সরোয়ার বিসিক চেয়ারম্যানের সাথে আছেন। যার অকাট্য প্রমাণ পত্রিকা কর্তৃপক্ষের হাতে রয়েছে।
সরোয়ার হাসেন হচ্ছেন লবন সেল প্রধান অথচ প্রশাসনিক কাজের বিষয়ে গৃহীত বিসিক পরিচালক পর্ষদ সভার সিদ্ধান্ত বিসিক চেয়ারম্যান মার্ক করেন সরোয়ার হোসেনকে। কর্মচারীদের স্বার্থ নষ্ট করে ভিআইপি মাত্রায় ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হয়েছেন সরোয়ার হোসেন। সময় অসময়ে বিসিক চেয়ারম্যানের সফর সংগী হচ্ছেন সরোয়ার হোসেন। প্রতিটি সভায় বিসিক চেয়ারম্যান প্রসংশা করেন সরোয়ার হোসেন। যার কারণে বিসিকের অধিকাংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জাতীয় শ্লোগান ও জাতির পিতার অবমাননার কারণে শাস্তির আওতায় না এনে মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের নির্দেশনা উপেক্ষা করে মো: সরোয়ার হোসেনকে ৩ বছরের জায়গায় ৫ বছর একই কর্মস্থলে কর্মরত রাখা, শুদ্ধাচার পুরষ্কার প্রদান এবং ভ্রমণকালে সফর সংগী হিসাবে প্রাধান্য দেয়ার বিষয়টি রহস্যে ঘেরা। মো: সরোয়ারের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারী মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি,কর্মচারীদের স্বার্থবিরোধী কার্য সম্পাদন, বিসিক নামীয় প্রতিষ্ঠানটির শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অশান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রাষ্ট্রের স্বার্থে এ বিষয়ে বিধিগত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল।
এসব বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য তেঁজগাওস্থ বিসিকের প্রধান কার্যালয়ে গিয়েও মো: সরোয়ারের সাক্ষাত পাওয়া যায়নি। মোবাইলে কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।