ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে মরা মুরগিসহ ২ জন আটক

মোহাম্মদ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় :
পঞ্চগড়ে ১১ পিস মরা মুরগিসহ দুইজনকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার ঝাকুয়াকালি থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- ঠাকুরগাঁও চাপাতি এলাকার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে ইনতাজুল হক এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার আমবাড়ি এলাকার মকবুল মন্ডলের ছেলে হায়দার আলী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাজী ফার্মের শিতাগ্রাম সেলস সেন্টার থেকে ১১টি মরা মুরগি বস্তায় ভরে হাড়িভাসার দিকে যাচ্ছিলেন ইনতাজুল ও হায়দার আলী। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঝাকুয়াকালিতে তাদের আটক করে।

এদিকে এ ঘটনা ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পরিষদে নিয়ে যায় তাদেরকে। স্থানীয়রা জানায়, এর আগেও বার বার মরা মুরগি নিয়ে হাড়িভাসাসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেছে তারা।

ইনতাজুল হক ও হায়দার আলী নিজেদের কাজী ফার্ম পুকুরিডাঙ্গা এলাকার গার্ড পরিচয় দিয়ে বলেন ,খাওয়ার জন্য আমরা মুরগিগুলো নিয়েছি। তবে সেগুলো মরা মুরগি না। এটা ইনজুরি মুরগি, এজন্য জবাই করে নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কাজী ফার্মের শিতাগ্রাম সেলস সেন্টারের সেলস একাউন্টেন্ট সবুজকে মুঠোফোনে বার বার ফোন দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

কাজী ফার্ম পঞ্চগড়ের সেলস এর দায়িত্বে থাকা মোস্তফা জানান, আমরা মরা বা খারাপ মুরগি বাইরের লোককে দেইনি। মুরগি যা নিয়ে গেছে, সেটা আমাদের লোক। স্থানীয়দের কাছে মুরগি বিক্রি না করার কারণে এ ঘটনা ঘটাতে পারে বলেও জানান তিনি।

পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান বলেন, রাতে বিষয়টি শুনেছি।পরে কি হয়েছে তাও জানি না।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে মরা মুরগিসহ ২ জন আটক

আপডেট টাইম : ১০:১৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০২৪

মোহাম্মদ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় :
পঞ্চগড়ে ১১ পিস মরা মুরগিসহ দুইজনকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার ঝাকুয়াকালি থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- ঠাকুরগাঁও চাপাতি এলাকার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে ইনতাজুল হক এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার আমবাড়ি এলাকার মকবুল মন্ডলের ছেলে হায়দার আলী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাজী ফার্মের শিতাগ্রাম সেলস সেন্টার থেকে ১১টি মরা মুরগি বস্তায় ভরে হাড়িভাসার দিকে যাচ্ছিলেন ইনতাজুল ও হায়দার আলী। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঝাকুয়াকালিতে তাদের আটক করে।

এদিকে এ ঘটনা ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পরিষদে নিয়ে যায় তাদেরকে। স্থানীয়রা জানায়, এর আগেও বার বার মরা মুরগি নিয়ে হাড়িভাসাসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেছে তারা।

ইনতাজুল হক ও হায়দার আলী নিজেদের কাজী ফার্ম পুকুরিডাঙ্গা এলাকার গার্ড পরিচয় দিয়ে বলেন ,খাওয়ার জন্য আমরা মুরগিগুলো নিয়েছি। তবে সেগুলো মরা মুরগি না। এটা ইনজুরি মুরগি, এজন্য জবাই করে নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কাজী ফার্মের শিতাগ্রাম সেলস সেন্টারের সেলস একাউন্টেন্ট সবুজকে মুঠোফোনে বার বার ফোন দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

কাজী ফার্ম পঞ্চগড়ের সেলস এর দায়িত্বে থাকা মোস্তফা জানান, আমরা মরা বা খারাপ মুরগি বাইরের লোককে দেইনি। মুরগি যা নিয়ে গেছে, সেটা আমাদের লোক। স্থানীয়দের কাছে মুরগি বিক্রি না করার কারণে এ ঘটনা ঘটাতে পারে বলেও জানান তিনি।

পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান বলেন, রাতে বিষয়টি শুনেছি।পরে কি হয়েছে তাও জানি না।