ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আদমদিঘীর আনিকা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় অ্যাপ তাড়াইলে সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক পদযাত্রা বর্ণ ধর্ম দেখে নয়, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা পাবে ত্রাণ সহায়তা: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর ঘিরে সিটি কর্পোরেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গাজীপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ ডিসি-এসপির দ্রুত পদক্ষেপে খাগড়াছড়িতে বন্ধ হল জুয়ার আসর জয়পুরহাটে ধানক্ষেত থেকে নারীর লাশ উদ্ধার লগআউট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের স্টুডিও অফিসের আনুষ্ঠানিক যাত্রার শুভ উদ্বোধন পঞ্চগড়ে পুলিশের মাথা ফাটিয়ে পালালো গরু চোর কুমিল্লার মুরাদনগরে মা–মেয়ের বিষপানে আত্মহত্যা

মির্জাগঞ্জে অসহায় প্রতিবন্ধীকে চায়ের দোকান দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা

বাবা প্রতিবন্ধী ছিলেন, বাবা ৭ বছর আগে মারা গেছেন, মা সে অসুস্থ, কোন কাজকর্ম করতে পারেনা, ভাই সে প্রতিবন্ধী, আমি নিজেও প্রতিবন্ধী, গরিব মানুষ উপার্জন করার মত কোন লোক নেই, সংসার চলে না, মা অসুস্থ শরীর নিয়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করে।
একদিন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অফিসে গেলাম, অফিসে গিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম মহোদয়ের কাছে সমস্যাগুলো বললাম। তিনি কথাগুলো শুনে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।
নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় চিন্তা করে আমাকে বললো তোমাকে আমি ১০০০ বা ২০০০ টাকা দিয়ে সাহায্য করবো না। তোমাকে যদি একটি দোকানের ব্যবস্থা করে দেই, তুমি কি দোকান চালাতে পারবে, আমি বললাম স্যার পারবো। তখন নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম মহোদয় মির্জাগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আমিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলেন, তখন সমাজসেবা অফিসার নির্বাহী কর্মকর্তাকে বললেন,
ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান আওতায় ৫০০০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে। যেই কথা সেই কাজ।
শুরু করলেন অফিসিয়াল প্রক্রিয়া, প্রক্রিয়া শেষে অসহায় প্রতিবন্ধী মোসাম্মৎ সিমার পাশে দাঁড়ালেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২০২৫ – ২৬ অর্থবছরে ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়ে চায়ের দোকান ও মালামাল প্রদান করেছেন প্রতিবন্ধী মোসাম্মৎ সিমাকে। উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের শৈলাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত হাবিব আকনের মেয়ে প্রতিবন্ধী মোসাম্মৎ সীমা।
প্রতিবন্ধী সিমা বলেন,
স্যারের প্রতি অনেক খুশি, এই দোকানের মাধ্যমে কিছুটা অভাব দূর হবে।
সমাজসেবা অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা তার পাশে আছি। মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন,
তিনি আমার কাছে এসে তার সমস্যাগুলো বলেন, তারা একটি অসহায় পরিবার তাদের উপার্জন করার মত কেউ নেই,তিনি প্রতিবন্ধী একটি মেয়ে তাকে স্থায়ী একটি উপার্জনে ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

আদমদিঘীর আনিকা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় অ্যাপ

মির্জাগঞ্জে অসহায় প্রতিবন্ধীকে চায়ের দোকান দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা

আপডেট টাইম : ১২:৩৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাবা প্রতিবন্ধী ছিলেন, বাবা ৭ বছর আগে মারা গেছেন, মা সে অসুস্থ, কোন কাজকর্ম করতে পারেনা, ভাই সে প্রতিবন্ধী, আমি নিজেও প্রতিবন্ধী, গরিব মানুষ উপার্জন করার মত কোন লোক নেই, সংসার চলে না, মা অসুস্থ শরীর নিয়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করে।
একদিন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অফিসে গেলাম, অফিসে গিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম মহোদয়ের কাছে সমস্যাগুলো বললাম। তিনি কথাগুলো শুনে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।
নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় চিন্তা করে আমাকে বললো তোমাকে আমি ১০০০ বা ২০০০ টাকা দিয়ে সাহায্য করবো না। তোমাকে যদি একটি দোকানের ব্যবস্থা করে দেই, তুমি কি দোকান চালাতে পারবে, আমি বললাম স্যার পারবো। তখন নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম মহোদয় মির্জাগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আমিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলেন, তখন সমাজসেবা অফিসার নির্বাহী কর্মকর্তাকে বললেন,
ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান আওতায় ৫০০০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে। যেই কথা সেই কাজ।
শুরু করলেন অফিসিয়াল প্রক্রিয়া, প্রক্রিয়া শেষে অসহায় প্রতিবন্ধী মোসাম্মৎ সিমার পাশে দাঁড়ালেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২০২৫ – ২৬ অর্থবছরে ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়ে চায়ের দোকান ও মালামাল প্রদান করেছেন প্রতিবন্ধী মোসাম্মৎ সিমাকে। উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের শৈলাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত হাবিব আকনের মেয়ে প্রতিবন্ধী মোসাম্মৎ সীমা।
প্রতিবন্ধী সিমা বলেন,
স্যারের প্রতি অনেক খুশি, এই দোকানের মাধ্যমে কিছুটা অভাব দূর হবে।
সমাজসেবা অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা তার পাশে আছি। মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন,
তিনি আমার কাছে এসে তার সমস্যাগুলো বলেন, তারা একটি অসহায় পরিবার তাদের উপার্জন করার মত কেউ নেই,তিনি প্রতিবন্ধী একটি মেয়ে তাকে স্থায়ী একটি উপার্জনে ব্যবস্থা করে দিয়েছি।