ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মহার্ঘ ভাতা নয়, পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগুচ্ছে বর্তমান সরকার- অর্থ উপদেষ্টা দায়িত্বশীল উদ্যোক্তাই গড়বে আস্থাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ– ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে, হ্যাঁ ভোট দিতে হবে- উপদেষ্টা আদিলুর চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিএনসিসি শিক্ষক লে. অধ্যাপক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সংবাদপত্রের ভূমিকা অপরিসীম- প্রিন্সিপাল ইকবাল সিরাজদিখানে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদারের আহ্বান উত্তরায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় পশ্চিম থানায় এজাহার দাখিল

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গোপন টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের অনিয়ম দুর্নীতি লিখে শেষ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্নীতির নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বর্জ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও অপসারণ খাতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ পান। সেই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করার জন্য। কিন্তু তিনি ঐ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য পত্রিকায় ঘুপচি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে অতি গোপনে ফরিদপুরে একজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করেন। ঐ ঠিকাদার নাকি তার নিকট আত্মীয়। এই টেন্ডারের বিষয়টি মাগুরার কোন ঠিকাদার জানতে পারেন নি।
গোপনে খাতা কলমে পেপার ওয়ার্ক ঠিক রেখে তিনি সামান্য ৫/১০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন কিনে বাকি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি কেউ জানতে না পারলেও একজন ঠিকাদার এজি অফিস সুত্রে জানতে পারেন যে, সুপার ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এই খাতে বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। পরবর্তীতে স্টার কীপার গৌতম কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।
অভিযোগকারীদের মতে ২০২৪ সালের জুন মাসে যদি ৫০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয় তবে তা এখনো স্টোরে জমা থাকার কথা। কিন্তু সেটাতো খাতা পত্রে ছাড়া বাস্তবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে সেগুলো গেল কোথায়?
এ বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদকের তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গোপন টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

আপডেট টাইম : ০২:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের অনিয়ম দুর্নীতি লিখে শেষ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্নীতির নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বর্জ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও অপসারণ খাতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ পান। সেই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করার জন্য। কিন্তু তিনি ঐ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য পত্রিকায় ঘুপচি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে অতি গোপনে ফরিদপুরে একজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করেন। ঐ ঠিকাদার নাকি তার নিকট আত্মীয়। এই টেন্ডারের বিষয়টি মাগুরার কোন ঠিকাদার জানতে পারেন নি।
গোপনে খাতা কলমে পেপার ওয়ার্ক ঠিক রেখে তিনি সামান্য ৫/১০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন কিনে বাকি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি কেউ জানতে না পারলেও একজন ঠিকাদার এজি অফিস সুত্রে জানতে পারেন যে, সুপার ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এই খাতে বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। পরবর্তীতে স্টার কীপার গৌতম কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।
অভিযোগকারীদের মতে ২০২৪ সালের জুন মাসে যদি ৫০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয় তবে তা এখনো স্টোরে জমা থাকার কথা। কিন্তু সেটাতো খাতা পত্রে ছাড়া বাস্তবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে সেগুলো গেল কোথায়?
এ বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদকের তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে।