ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মহার্ঘ ভাতা নয়, পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগুচ্ছে বর্তমান সরকার- অর্থ উপদেষ্টা দায়িত্বশীল উদ্যোক্তাই গড়বে আস্থাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ– ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে, হ্যাঁ ভোট দিতে হবে- উপদেষ্টা আদিলুর চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিএনসিসি শিক্ষক লে. অধ্যাপক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সংবাদপত্রের ভূমিকা অপরিসীম- প্রিন্সিপাল ইকবাল সিরাজদিখানে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদারের আহ্বান উত্তরায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় পশ্চিম থানায় এজাহার দাখিল

গ্রুপিং রাজনীতিতে মাগুরা-২ ধানের শীষের ভরাডুবির শঙ্কা!

মাগুরা-২ আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য ভরাডুবির দায় কোনো একক ব্যক্তি বা ভোটারের নয়, এর মূল কারণ গ্রুপিং রাজনীতি। বিশেষ করে ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরী এর পাশে থাকা কিছু নেতার ভূমিকা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে মাগুরার রাজনীতিতে তৃণমূলের শক্তিশালী অংশ জড়িয়ে আছে স্বতন্ত্র ধারায়। বারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল সেই ধারার কেন্দ্র-বিন্দু। সর্বশেষ বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে বিএনপি থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজী সালিমুল হক কামালের পক্ষে তৃণমূল বিএনপির বহু সিনিয়র নেতা একতাবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরীর সঙ্গে থাকা বর্তমান গ্রুপটি চায় না, বিএনপির সব আমলের কর্মী-সমর্থক এক হয়ে ধানের শীষে কাজ করুক। কারণটা পরিষ্কার: গ্রুপিং ভাঙলে তাদের বিশেষ অবস্থান ও সুবিধা থাকবে না। তাই ঐক্যের বদলে গ্রুপিং টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে,যা সরাসরি ধানের শীষের ক্ষতি করছে।
বাস্তবতা হলো নিতাই রায়চৌধুরীর তৃণমূল ভিত্তি তুলনামূলক ভাবে দুর্বল। তার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাশে থাকা সংগঠকরা মাঠে বেশি গ্রহণযোগ্য, বেশি প্রভাবশালী এবং ঐক্যবদ্ধ। এই সমীকরণে গ্রুপিং চলতে থাকলে ধানের শীষের ভরাডুবি অনিবার্য হয়ে উঠছে আর লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে কাজী সালিমুল হক কামালের।
মাগুরা-২ এ ধানের শীষের জয়পরাজয়ের চাবিকাঠি এখন ঐক্য। গ্রুপিং রাজনীতি বন্ধ না হলে দায় ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে আর বিজয়ের পাল্লা ঝুঁকবে স্বতন্ত্র ধারার দিকেই।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

গ্রুপিং রাজনীতিতে মাগুরা-২ ধানের শীষের ভরাডুবির শঙ্কা!

আপডেট টাইম : ০২:৪২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

মাগুরা-২ আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য ভরাডুবির দায় কোনো একক ব্যক্তি বা ভোটারের নয়, এর মূল কারণ গ্রুপিং রাজনীতি। বিশেষ করে ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরী এর পাশে থাকা কিছু নেতার ভূমিকা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে মাগুরার রাজনীতিতে তৃণমূলের শক্তিশালী অংশ জড়িয়ে আছে স্বতন্ত্র ধারায়। বারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল সেই ধারার কেন্দ্র-বিন্দু। সর্বশেষ বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে বিএনপি থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজী সালিমুল হক কামালের পক্ষে তৃণমূল বিএনপির বহু সিনিয়র নেতা একতাবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরীর সঙ্গে থাকা বর্তমান গ্রুপটি চায় না, বিএনপির সব আমলের কর্মী-সমর্থক এক হয়ে ধানের শীষে কাজ করুক। কারণটা পরিষ্কার: গ্রুপিং ভাঙলে তাদের বিশেষ অবস্থান ও সুবিধা থাকবে না। তাই ঐক্যের বদলে গ্রুপিং টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে,যা সরাসরি ধানের শীষের ক্ষতি করছে।
বাস্তবতা হলো নিতাই রায়চৌধুরীর তৃণমূল ভিত্তি তুলনামূলক ভাবে দুর্বল। তার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাশে থাকা সংগঠকরা মাঠে বেশি গ্রহণযোগ্য, বেশি প্রভাবশালী এবং ঐক্যবদ্ধ। এই সমীকরণে গ্রুপিং চলতে থাকলে ধানের শীষের ভরাডুবি অনিবার্য হয়ে উঠছে আর লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে কাজী সালিমুল হক কামালের।
মাগুরা-২ এ ধানের শীষের জয়পরাজয়ের চাবিকাঠি এখন ঐক্য। গ্রুপিং রাজনীতি বন্ধ না হলে দায় ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে আর বিজয়ের পাল্লা ঝুঁকবে স্বতন্ত্র ধারার দিকেই।