ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মহার্ঘ ভাতা নয়, পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগুচ্ছে বর্তমান সরকার- অর্থ উপদেষ্টা দায়িত্বশীল উদ্যোক্তাই গড়বে আস্থাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ– ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে, হ্যাঁ ভোট দিতে হবে- উপদেষ্টা আদিলুর চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিএনসিসি শিক্ষক লে. অধ্যাপক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সংবাদপত্রের ভূমিকা অপরিসীম- প্রিন্সিপাল ইকবাল সিরাজদিখানে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদারের আহ্বান উত্তরায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় পশ্চিম থানায় এজাহার দাখিল

নওগাঁয় ঘুলিরদহ বিলে অবৈধভাবে শ্যালো মেশিন দিয়ে মা-মাছ শিকার: ছুটির অজুহাত কর্তৃপক্ষের

নাদিম আহমেদ অনিক,নিজস্ব প্রতিনিধি-
নওগাঁ সদর উপজেলার ১১নং শিকারপুর ইউনিয়নের যমুনি ফতেপর জলমহালের একাংশ ঘুলির দহ বিলে অবৈধভাবে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি শুকিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, মৎস্যজীবিদের জীবিকা নির্বাহ করা যমুনী ফতেপুর জলমাহলের একাংশ ঘুলির দহ বিলে ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিন লাগিয়ে পানি শুকিয়ে মা-মাছ সহ নানান দেশীয় মাছ ধরার জন্য আয়োজন চলছে।
সংবাদ সংগ্রহ উদ্দ্যেশ্যে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ করা সময় বাদী হয় স্থানীয় কতিপয় কিছু ব্যাক্তি।
নানান অযুহাতের পাশাপাশি সাংবাদিককে ঘুষ দিয়ে সংবাদ অপ্রকাশে অনুরোধ জানান সাবেক ইউপি সদস্য হাকিম সহ কিছু ব্যাক্তি।
সাবেক ইউপি সদস্য হাকিম বলেন, আমরা গ্রামবাসীরা মিলে এখানে মেশিন লাগিয়ে পানি সেচে মাছ ধরছি। মৎস্যজীবিরাই এ বিলটা আমাদের দিয়েছে।
এ বিলে শ্যালো মেশিন লাগিয়ে মাছ ধরাটা বৈধতা আছে কিনা সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হ্যাঁ এটা অবৈধ। আপনারাতো সবই বোঝেন।
তবে পানি সেচে মাছ ধরার কারণে মা-মাছ ধ্বংষ হচ্ছে কিনা সে প্রসঙ্গে তিনি কোন উত্তর দেননা।
এ বিষয়ে স্থানীয় মৎস্যজীবি আব্দুল হামীদ বলেন, একশাদ’র নেতৃত্বে সাবেক ইউপি সদস্য হাকিম, লাবুসহ আরও অনেকে পানি শুকিয়ে মা মাছ ধ্বংষ করছে। আমরা গরিব মানুষ। মাছ ধরে বাজারে বিক্রয় করে আমরা পরিবার চালাই, এভাবে শক্তির জোড়ে যদি পানি শুকিয়ে মা মাছ ধরে নেয় তবে তো আর মাছের বংশ বিস্তার ঘটবেনা।
তাদের কেউ এই বিলে মাছ ধরার অনুমতি দেয়নী, তারা কিছু মানুষ একত্রিত হয়ে শক্তির জোরে মেশিন দিয়ে পানি সেচে সব মাছ ধরে নিচ্ছে।
আমরা গরিব ও অসহায় তাই চুপচাপ দেখা ছাড়া আর কিছু করার নাই।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক মৎস্যজীবি বলেন, ক্ষমতার জোড়ে তারা মেশিন দিয়ে পানি সেচে মা মাছ ধ্বংষ করছে। তারা টাকা উপার্জনের জন্য সব পারে।
কোন ক্ষমতার জোরে তারা এমন অবৈধ কাজ করতে সাহস পায় এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছু সে ব্যাক্তি বলেন, আমরা সবাই অসহায়। কার নাম বলে বিপদে পরবো বলুন। তবে আমাদের মৎস্যজীবিদের রক্ষা করতে সরকারের কাছে আবেদন রইল।
এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মোঃ বায়েজিদ আলম বলেন, আজ ছুটির দিন হওয়াতে তারা এ ধরনের সুযোগ নিয়েছে। আমি এখন নওগাঁর বাহিরে অবস্থান করছি, আপনি তথ্য ও ছবি দিয়ে রাখুন, আগামিকাল ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
শ্যালো মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে পানি সেচা অবস্থায় সেইসব প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কিছুটা অপরাধ দমন সম্ভব বলে মনে করেন নওগাঁর সচেতন মহল।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

নওগাঁয় ঘুলিরদহ বিলে অবৈধভাবে শ্যালো মেশিন দিয়ে মা-মাছ শিকার: ছুটির অজুহাত কর্তৃপক্ষের

আপডেট টাইম : ১২:৪৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
নাদিম আহমেদ অনিক,নিজস্ব প্রতিনিধি-
নওগাঁ সদর উপজেলার ১১নং শিকারপুর ইউনিয়নের যমুনি ফতেপর জলমহালের একাংশ ঘুলির দহ বিলে অবৈধভাবে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি শুকিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, মৎস্যজীবিদের জীবিকা নির্বাহ করা যমুনী ফতেপুর জলমাহলের একাংশ ঘুলির দহ বিলে ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিন লাগিয়ে পানি শুকিয়ে মা-মাছ সহ নানান দেশীয় মাছ ধরার জন্য আয়োজন চলছে।
সংবাদ সংগ্রহ উদ্দ্যেশ্যে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ করা সময় বাদী হয় স্থানীয় কতিপয় কিছু ব্যাক্তি।
নানান অযুহাতের পাশাপাশি সাংবাদিককে ঘুষ দিয়ে সংবাদ অপ্রকাশে অনুরোধ জানান সাবেক ইউপি সদস্য হাকিম সহ কিছু ব্যাক্তি।
সাবেক ইউপি সদস্য হাকিম বলেন, আমরা গ্রামবাসীরা মিলে এখানে মেশিন লাগিয়ে পানি সেচে মাছ ধরছি। মৎস্যজীবিরাই এ বিলটা আমাদের দিয়েছে।
এ বিলে শ্যালো মেশিন লাগিয়ে মাছ ধরাটা বৈধতা আছে কিনা সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হ্যাঁ এটা অবৈধ। আপনারাতো সবই বোঝেন।
তবে পানি সেচে মাছ ধরার কারণে মা-মাছ ধ্বংষ হচ্ছে কিনা সে প্রসঙ্গে তিনি কোন উত্তর দেননা।
এ বিষয়ে স্থানীয় মৎস্যজীবি আব্দুল হামীদ বলেন, একশাদ’র নেতৃত্বে সাবেক ইউপি সদস্য হাকিম, লাবুসহ আরও অনেকে পানি শুকিয়ে মা মাছ ধ্বংষ করছে। আমরা গরিব মানুষ। মাছ ধরে বাজারে বিক্রয় করে আমরা পরিবার চালাই, এভাবে শক্তির জোড়ে যদি পানি শুকিয়ে মা মাছ ধরে নেয় তবে তো আর মাছের বংশ বিস্তার ঘটবেনা।
তাদের কেউ এই বিলে মাছ ধরার অনুমতি দেয়নী, তারা কিছু মানুষ একত্রিত হয়ে শক্তির জোরে মেশিন দিয়ে পানি সেচে সব মাছ ধরে নিচ্ছে।
আমরা গরিব ও অসহায় তাই চুপচাপ দেখা ছাড়া আর কিছু করার নাই।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক মৎস্যজীবি বলেন, ক্ষমতার জোড়ে তারা মেশিন দিয়ে পানি সেচে মা মাছ ধ্বংষ করছে। তারা টাকা উপার্জনের জন্য সব পারে।
কোন ক্ষমতার জোরে তারা এমন অবৈধ কাজ করতে সাহস পায় এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছু সে ব্যাক্তি বলেন, আমরা সবাই অসহায়। কার নাম বলে বিপদে পরবো বলুন। তবে আমাদের মৎস্যজীবিদের রক্ষা করতে সরকারের কাছে আবেদন রইল।
এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মোঃ বায়েজিদ আলম বলেন, আজ ছুটির দিন হওয়াতে তারা এ ধরনের সুযোগ নিয়েছে। আমি এখন নওগাঁর বাহিরে অবস্থান করছি, আপনি তথ্য ও ছবি দিয়ে রাখুন, আগামিকাল ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
শ্যালো মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে পানি সেচা অবস্থায় সেইসব প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কিছুটা অপরাধ দমন সম্ভব বলে মনে করেন নওগাঁর সচেতন মহল।