ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মহার্ঘ ভাতা নয়, পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগুচ্ছে বর্তমান সরকার- অর্থ উপদেষ্টা দায়িত্বশীল উদ্যোক্তাই গড়বে আস্থাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ– ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে, হ্যাঁ ভোট দিতে হবে- উপদেষ্টা আদিলুর চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিএনসিসি শিক্ষক লে. অধ্যাপক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সংবাদপত্রের ভূমিকা অপরিসীম- প্রিন্সিপাল ইকবাল সিরাজদিখানে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদারের আহ্বান উত্তরায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় পশ্চিম থানায় এজাহার দাখিল

জাতীয় মেধায় উজ্জ্বল নক্ষত্র: মানবিক ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে সাবিহা ইসলাম

আয়নাল হক, গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি-
নাটোরের গুরুদাসপুরে এক গর্বিত মুখ সাবিহা ইসলাম। ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সে। সাবিহা ইসলামের পিতা মো. শহিদুল ইসলাম ও মাতা ইসমেতারা খাতুন।

২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১২৬৬ নম্বর পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে সাবিহা। এরপর ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ অর্জনের পাশাপাশি আবারও উপজেলা পর্যায়ে প্রথম হয়ে নিজের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সাবিহা ইসলাম সমগ্র বাংলাদেশে মেধা তালিকায় ২৩০তম স্থান অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় সে ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে মেধা তালিকার ২২৭তম পর্যন্ত ভর্তি সম্পন্ন হওয়ায়, সাবিহা এখনো আশাবাদী—তার মেধা ও অবস্থানের ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাবিহা ইসলাম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,
“আমি একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। শুধু ভালো চিকিৎসক নয়, একজন ভালো মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার স্বপ্ন।”
সাবিহার পারিবারিক পরিবেশও শিক্ষাবান্ধব। তার বড় বোন ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসা শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। আর তার বাবা মো. শহিদুল ইসলাম একজন কলেজের প্রভাষক।

মেয়ের সাফল্যে গর্বিত বাবা বলেন,
“আমি চাই আমার মেয়ে একজন আদর্শ মানুষ হয়ে উঠুক। একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে যেন সে সততা, দায়িত্ববোধ ও মমতা নিয়ে মানুষের সেবা করতে পারে—এই কামনাই করি।”

সাবিহা ইসলামের এই সাফল্য শুধু তার পরিবার নয়, পুরো উপজেলা ও জেলার জন্য গর্বের। তার অর্জন আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

জাতীয় মেধায় উজ্জ্বল নক্ষত্র: মানবিক ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে সাবিহা ইসলাম

আপডেট টাইম : ১২:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আয়নাল হক, গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি-
নাটোরের গুরুদাসপুরে এক গর্বিত মুখ সাবিহা ইসলাম। ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সে। সাবিহা ইসলামের পিতা মো. শহিদুল ইসলাম ও মাতা ইসমেতারা খাতুন।

২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১২৬৬ নম্বর পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে সাবিহা। এরপর ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ অর্জনের পাশাপাশি আবারও উপজেলা পর্যায়ে প্রথম হয়ে নিজের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সাবিহা ইসলাম সমগ্র বাংলাদেশে মেধা তালিকায় ২৩০তম স্থান অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় সে ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে মেধা তালিকার ২২৭তম পর্যন্ত ভর্তি সম্পন্ন হওয়ায়, সাবিহা এখনো আশাবাদী—তার মেধা ও অবস্থানের ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাবিহা ইসলাম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,
“আমি একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। শুধু ভালো চিকিৎসক নয়, একজন ভালো মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার স্বপ্ন।”
সাবিহার পারিবারিক পরিবেশও শিক্ষাবান্ধব। তার বড় বোন ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসা শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। আর তার বাবা মো. শহিদুল ইসলাম একজন কলেজের প্রভাষক।

মেয়ের সাফল্যে গর্বিত বাবা বলেন,
“আমি চাই আমার মেয়ে একজন আদর্শ মানুষ হয়ে উঠুক। একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে যেন সে সততা, দায়িত্ববোধ ও মমতা নিয়ে মানুষের সেবা করতে পারে—এই কামনাই করি।”

সাবিহা ইসলামের এই সাফল্য শুধু তার পরিবার নয়, পুরো উপজেলা ও জেলার জন্য গর্বের। তার অর্জন আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।