ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মহার্ঘ ভাতা নয়, পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগুচ্ছে বর্তমান সরকার- অর্থ উপদেষ্টা দায়িত্বশীল উদ্যোক্তাই গড়বে আস্থাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ– ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে, হ্যাঁ ভোট দিতে হবে- উপদেষ্টা আদিলুর চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিএনসিসি শিক্ষক লে. অধ্যাপক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সংবাদপত্রের ভূমিকা অপরিসীম- প্রিন্সিপাল ইকবাল সিরাজদিখানে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদারের আহ্বান উত্তরায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় পশ্চিম থানায় এজাহার দাখিল

মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩৩) গতকাল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগে উঠে এসেছে।
অভিযোগে জানা যায়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডিউটি শেষে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সাবিনা খাতুন মোহাম্মদপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা গোপালপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে সানি (২০), জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. স্বাধীন (২২), কাউসার আলীর ছেলে মো. রুবেল (২৫) এবং মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৫) জোরপূর্বক তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।
অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী সাবিনা খাতুনকে সানি’র মালিকানাধীন একটি মেহগনি বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জেলার মোহাম্মদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) পুরো ঘটনা অবহিত করেন।
খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফুজ্জামান পুলিশ ফোর্স সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সানি (২০) ও মো. স্বাধীন (২২)-কে আটক করেন। আটককৃত দুই আসামি ও ভুক্তভোগী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন।এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত কি না, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। মেডিকেল রিপোর্টে জানা যাবে কতজন ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের প্রচারণায় বান্দরবানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

আপডেট টাইম : ০৬:২৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩৩) গতকাল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগে উঠে এসেছে।
অভিযোগে জানা যায়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডিউটি শেষে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সাবিনা খাতুন মোহাম্মদপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা গোপালপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে সানি (২০), জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. স্বাধীন (২২), কাউসার আলীর ছেলে মো. রুবেল (২৫) এবং মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৫) জোরপূর্বক তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।
অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী সাবিনা খাতুনকে সানি’র মালিকানাধীন একটি মেহগনি বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জেলার মোহাম্মদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) পুরো ঘটনা অবহিত করেন।
খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফুজ্জামান পুলিশ ফোর্স সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সানি (২০) ও মো. স্বাধীন (২২)-কে আটক করেন। আটককৃত দুই আসামি ও ভুক্তভোগী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন।এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত কি না, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। মেডিকেল রিপোর্টে জানা যাবে কতজন ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু।