ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মির্জাগঞ্জে সরকারি কর্ম দিবসে যুব উন্নয়ন কার্যালয়ে ঝুলছে তালা

  • জিয়াউর রহমান :
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮৩২ বার পড়া হয়েছে

​সরকারি নির্ধারিত কর্মদিবস সকাল ৯টা অথচ, ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল ১১টা ১১ মিনিট। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তিনটি কক্ষ তখনও তালাবদ্ধ। উত্তোলন করা হয়নি জাতীয় পতাকাও। সেবা নিতে আসা মানুষ অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ থাকার কারণে নিরাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে।

​রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অফিসের তিনটি কক্ষতেই ঝুলছে তালা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও বেলা এগারোটা পেরিয়ে গেলেও কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়নি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর অনেক সেবাগ্রহীতাকে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফিরে যেতে দেখা গেছে।
​এ বিষয়ে মুঠোফোনে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ মোঃ ফারুক হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি অতিরিক্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
বর্তমানে দুমকিতে আছি। অফিসের তালা না খোলার কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, পিওনের বাড়ি বাউফলে, সে পথেই আছে, কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসবে। আর সহকারী কর্মকর্তা মোঃ নাসির হোসেন কাজের প্রয়োজনে জেলা অফিসে গেছেন।

সরকারি একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে অফিসের সকল জনবল এভাবে একসাথে অনুপস্থিত থাকা এবং কর্মদিবসে অফিস তালাবদ্ধ রাখা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এটা অফিস নাকি ভৌতিক দপ্তর।

​উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়রা বলছেন, দায়িত্ব পালনে এমন অবহেলার কারণে সরকারের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এই অব্যবস্থাপনা দূর করার দাবি জানাই।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা: মলিহা খানম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। আমি তাদের এখনই ওয়ার্ণ (সতর্ক) করে দিচ্ছি এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাগঞ্জে সরকারি কর্ম দিবসে যুব উন্নয়ন কার্যালয়ে ঝুলছে তালা

আপডেট টাইম : ১২:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

​সরকারি নির্ধারিত কর্মদিবস সকাল ৯টা অথচ, ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল ১১টা ১১ মিনিট। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তিনটি কক্ষ তখনও তালাবদ্ধ। উত্তোলন করা হয়নি জাতীয় পতাকাও। সেবা নিতে আসা মানুষ অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ থাকার কারণে নিরাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে।

​রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অফিসের তিনটি কক্ষতেই ঝুলছে তালা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও বেলা এগারোটা পেরিয়ে গেলেও কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়নি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর অনেক সেবাগ্রহীতাকে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফিরে যেতে দেখা গেছে।
​এ বিষয়ে মুঠোফোনে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ মোঃ ফারুক হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি অতিরিক্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
বর্তমানে দুমকিতে আছি। অফিসের তালা না খোলার কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, পিওনের বাড়ি বাউফলে, সে পথেই আছে, কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসবে। আর সহকারী কর্মকর্তা মোঃ নাসির হোসেন কাজের প্রয়োজনে জেলা অফিসে গেছেন।

সরকারি একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে অফিসের সকল জনবল এভাবে একসাথে অনুপস্থিত থাকা এবং কর্মদিবসে অফিস তালাবদ্ধ রাখা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এটা অফিস নাকি ভৌতিক দপ্তর।

​উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়রা বলছেন, দায়িত্ব পালনে এমন অবহেলার কারণে সরকারের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এই অব্যবস্থাপনা দূর করার দাবি জানাই।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা: মলিহা খানম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। আমি তাদের এখনই ওয়ার্ণ (সতর্ক) করে দিচ্ছি এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।