বিশেষ প্রতিনিধি |
নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম-এর সঙ্গে আজ সকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। জাইকার বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ মি. ইচিগুচি তোমোহিদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশের পরিবহন খাতে বাস্তবায়িত ও চলমান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে ছিল মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড-এর অধীনে পরিচালিত মেট্রোরেল, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উন্নয়ন প্রকল্প, কাঁচপুর ২য় সেতু, মেঘনা ২য় সেতু, গোমতী ২য় সেতু এবং যমুনা রেল সেতু নির্মাণ প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রকল্পসমূহ।
প্রতিনিধিদল প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, সময়সীমা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। জাইকার প্রতিনিধিদল নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং তাঁর নেতৃত্বে দেশের পরিবহন খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, এসব অবকাঠামো প্রকল্প দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং জাইকার অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পরিবহন খাতের উন্নয়নে জাপান সরকার ও জাইকার অনবদ্য ভূমিকা পালনের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রী জাপান সরকার ও জাইকার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
বৈঠকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: ফাহিমুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, এনডিসিসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
খবর বাংলাদেশ ডেস্ক : 























