
মাগুরার মোহাম্মদপুরের ধোয়াইল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ওই গ্রামের প্রভাবশালী দানবীর আদম আলী সরদারের নিজস্ব জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠানটি। প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন তার বড় সন্তান আইয়ুব আলী সরদার, দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন, প্রতিষ্ঠানটির ছাত্র শিক্ষকের মধ্যে ছিল চমৎকার বন্ডিং লেখাপড়ার মান নিয়েও অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ছিল আত্মতৃপ্তি, বিপত্তি ঘটে প্রধান শিক্ষক অবসরে যাওয়ার পর। লাহোড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর (ধ্বংসকারী খ্যাত) রফিকুল ইসলাম ওরফে ভয়ংকর রফিক ২০১২ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে ধোয়াইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করে। শুরুতেই ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার দিকে না তাকিয়ে লবিং এবং নিয়োগ বাণিজ্য শুরু করেন, বছর বছর কমতে থাকে ছাত্রছাত্রী এবং পড়ালেখার মান, এবং তৎকালীন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আত্মীয় হবার সুবাদে শুরু করেন নিয়োগ বাণিজ্য।
একাধিক শিক্ষক সহ দপ্তরের বেশ কিছু পদে অনেকেই অন্যায় ভাবে জাল সনদ ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ পান। আওয়ামী দোসর সরকারের যুব ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদারের (ডান হাত খ্যাত) মোহাম্মদপুর সদর ইউনিয়নের নেতা (তপু) রফিক মাস্টারের আপন মামা হওয়ার সুবাদে রফিক মাস্টার হয়ে ওঠেন আরো ভয়ংকর। আরেক আপন ছোট মামা যুবদলের আহবায়ক (তরিকুল ইসলাম তারা) বিশেষ পাওয়ারে অত্র স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষকের চাকরি দেন। মামা স্কুলে ঢোকা মাত্রই প্রধান শিক্ষক রফিক স্কুলে যাওয়া ছেড়ে দেন এবং শুরু হয় উপজেলা পরিষদে বিভিন্ন প্রকার তদবির বাণিজ্য। এলাকার বকাটে কিছু উদীয়মান তরুনদের নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে হুমকি ধামকি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেন পরিষদের বিভিন্ন দপ্তর। দপ্তরের অফিসারদের বাড়ির দূরদূরান্ত হওয়ায় ভয়ে মুখ খুলতেন না অনেকেই, এরই ধারাবাহিকতায় নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাবের। ক্ষমতার দাপটে জীবনে কোনদিন কোন নিউজ না করেই বনে যান সাংবাদিক এবং দাবি করেন মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাবের আহবায়ক। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন প্রেসক্লাবের নির্বাচনে। গোপন ব্যালোটে ভরাডুবি হওয়ার পরে হয়ে ওঠেন আরো ভয়ংকর। দাপটের মুখে জিম্মি করে স্ত্রীকে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য নির্বাচিত করেন, এছাড়াও মহিলা ও শিশু অধিদপ্তর কর্তৃক উপজেলার শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের একজন (রোকেয়া পদক) রূপান্তরিত করেন তার স্ত্রীকে।
কিন্তু সম্প্রীতি এক ভয়াবহ দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে বিগত প্রায় সাত আট বছর পূর্বে নিয়োগ দেন তারই গ্রামের নিকটতম একজন পরিচ্ছন্ন কর্মী আরিফুল ইসলাম সুমনকে। তিনি দুই থেকে তিন মাস চাকরি করে পরবর্তীতে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখা কালীগঞ্জ লোহাগড়ায় চাকরি নেন। এবং তার স্থানে প্রক্সি ডিউটি করেন তারই আপন ছোট ভাই রমজান। পরিছন্নতা কর্মী সুমনের সাথে মাসিক ছয় হাজার টাকা চুক্তির মাধ্যমে এটাকে সম্ভব করেন প্রধান শিক্ষক রফিক। প্রতিমাসে বেতন পেলেই ছয় হাজার টাকা করে গুনতে হয় ওই রমজানকে। ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে তারাকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দেখতে, তাদের দাবি দুর্নীতি বাজ প্রধান শিক্ষক রফিককে চাকুরী হতে বিদায় জানিয়ে আইনের আওতায় আনা এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলামকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দেখতে চায়। কারণ হিসেবে উপস্থিত অনেকেই উল্লেখ করেন তিনি লেখা পড়া সহ বিদ্যালয় এর সকল প্রকার সহযোগিতা করেন এবং অনেকেই দাবি করেন তারি মামা সহকারী শিক্ষক তরিকুল ইসলাম তারাকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দেখতে চান কারণ তরিকুল ইসলাম তারা সততা-নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে। বিষয় টি জানাজানি হলে পরিচ্ছন্ন কর্মী সুমনের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: জাকির হোসেন মোল্লা, নির্বাহী সম্পাদক : এনামুল হক মামুন, ৫২/৪ ছায়ানীড়, নিউ ইস্কাটন রোড, বাংলা মোটর, ঢাকা। ফোন : ০২-৪৮৩১০৭৮১, মোবাইল : ০১৬১১৬২০০০০, ই-মেইল : khaborbangladesh@gmail.com
© All rights reserved 2018-2026 khoborbangladesh.com