ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বান্দরবান রুমায় ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ গাছা ভূমি অফিসের হর্তাকর্তা কে এই দালাল জহির? মুরাদনগরে ভেজাল খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান: ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, একটির কার্যক্রম বন্ধ গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ফিল্ড স্পোর্টস সিটির শুভ উদ্বোধন জয়পুরহাটে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদল নেতা আদনান বহিষ্কার কুমিল্লা দেবিদ্বারের শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন ও সামরিক জাদুঘর ঘুরে দেখালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ বালাঘাটার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৯ পরিবারকে জেলা প্রশাসনের সহায়তা মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী

মিরপুর-১ নম্বর ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য 

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর বাস ষ্ট্যান্ড ও শপিংমার্কেট গুলো এখন ছিনতাইকারী চক্রের অভয়ারণ্য। দিনে দুপুরে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যার পর অন্ধকার রাস্তায় যার ভয়াবহতা বাড়ে আরো কয়েক গুণ। পুরুষ ছিনতাইকারীদের পাশাপাশি মহিলা ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতাও রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের অবহেলার জন্য অপরাধ প্রবণতা বাড়ার কারণ।
মিরপুর-১ নম্বরে ১০/১২টি শপিংমার্কেটে নেই কোন স্থায়ী পুলিশের ডিউটি। এ ছাড়া বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারের কয়েক মিনিটের মধ্যে ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বাড়ে কয়েকগুণ।
যার ফলে মার্কেটে আসা লোকজনের মোবাইল, টাকা-পঁয়সা ও স্বর্ণলঙ্কার ছিনতাই করছে। প্রতিদিনই একাধিক ব্যাক্তির দামি মোবাইল সেট ও টাকা-পয়সা খোয়া যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে একজন বলেন, ‘একদিন এক লোককে ধরে চরম ভাবে মারছে, তার কাছে টাকা ছিলো সেগুলো নিয়ে গেছে এবং সাথে থাকা মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছে।’
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলেন, স্থায়ী কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলেও সার্বক্ষণিক টহল দলের মাধ্যমে সব সময় কড়া নজরদারি করা হচ্ছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

মিরপুর-১ নম্বর ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য 

আপডেট টাইম : ০৭:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর বাস ষ্ট্যান্ড ও শপিংমার্কেট গুলো এখন ছিনতাইকারী চক্রের অভয়ারণ্য। দিনে দুপুরে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যার পর অন্ধকার রাস্তায় যার ভয়াবহতা বাড়ে আরো কয়েক গুণ। পুরুষ ছিনতাইকারীদের পাশাপাশি মহিলা ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতাও রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের অবহেলার জন্য অপরাধ প্রবণতা বাড়ার কারণ।
মিরপুর-১ নম্বরে ১০/১২টি শপিংমার্কেটে নেই কোন স্থায়ী পুলিশের ডিউটি। এ ছাড়া বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারের কয়েক মিনিটের মধ্যে ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বাড়ে কয়েকগুণ।
যার ফলে মার্কেটে আসা লোকজনের মোবাইল, টাকা-পঁয়সা ও স্বর্ণলঙ্কার ছিনতাই করছে। প্রতিদিনই একাধিক ব্যাক্তির দামি মোবাইল সেট ও টাকা-পয়সা খোয়া যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে একজন বলেন, ‘একদিন এক লোককে ধরে চরম ভাবে মারছে, তার কাছে টাকা ছিলো সেগুলো নিয়ে গেছে এবং সাথে থাকা মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছে।’
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলেন, স্থায়ী কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলেও সার্বক্ষণিক টহল দলের মাধ্যমে সব সময় কড়া নজরদারি করা হচ্ছে।


প্রিন্ট