ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শালিখায় মাদরাসা সুপারের অবহেলায় শিক্ষার্থীর জীবন সংকটাপন্ন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে বহিরাগত ব্যক্তির প্রভাবের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি শালিখায় পাণ্ডুলিপি সংগ্রহশালা ও পাঠাগার এর শুভ উদ্বোধন বান্দরবানে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের নানা আয়োজন নিয়ে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ গাজীপুরের শ্রীপুরে মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল মসজিদসহ একাধিক স্থাপনা বরগুনায় ১৬ সাংবাদিকের মাঝে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের চেক বিতরণ বান্দরবানের সুয়ালক চেক স্টেশনে টিপি পরীক্ষার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ গাজীপুরের ভাওয়াল রাজদিঘীসহ সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবি শালিখায় মাদরাসা সুপারের অবহেলায় শিক্ষার্থীর জীবন সংকটাপন্ন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

মিরপুর-১ নম্বর ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য 

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর বাস ষ্ট্যান্ড ও শপিংমার্কেট গুলো এখন ছিনতাইকারী চক্রের অভয়ারণ্য। দিনে দুপুরে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যার পর অন্ধকার রাস্তায় যার ভয়াবহতা বাড়ে আরো কয়েক গুণ। পুরুষ ছিনতাইকারীদের পাশাপাশি মহিলা ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতাও রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের অবহেলার জন্য অপরাধ প্রবণতা বাড়ার কারণ।
মিরপুর-১ নম্বরে ১০/১২টি শপিংমার্কেটে নেই কোন স্থায়ী পুলিশের ডিউটি। এ ছাড়া বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারের কয়েক মিনিটের মধ্যে ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বাড়ে কয়েকগুণ।
যার ফলে মার্কেটে আসা লোকজনের মোবাইল, টাকা-পঁয়সা ও স্বর্ণলঙ্কার ছিনতাই করছে। প্রতিদিনই একাধিক ব্যাক্তির দামি মোবাইল সেট ও টাকা-পয়সা খোয়া যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে একজন বলেন, ‘একদিন এক লোককে ধরে চরম ভাবে মারছে, তার কাছে টাকা ছিলো সেগুলো নিয়ে গেছে এবং সাথে থাকা মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছে।’
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলেন, স্থায়ী কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলেও সার্বক্ষণিক টহল দলের মাধ্যমে সব সময় কড়া নজরদারি করা হচ্ছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

শালিখায় মাদরাসা সুপারের অবহেলায় শিক্ষার্থীর জীবন সংকটাপন্ন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

মিরপুর-১ নম্বর ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য 

আপডেট টাইম : ০৭:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর বাস ষ্ট্যান্ড ও শপিংমার্কেট গুলো এখন ছিনতাইকারী চক্রের অভয়ারণ্য। দিনে দুপুরে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যার পর অন্ধকার রাস্তায় যার ভয়াবহতা বাড়ে আরো কয়েক গুণ। পুরুষ ছিনতাইকারীদের পাশাপাশি মহিলা ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতাও রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের অবহেলার জন্য অপরাধ প্রবণতা বাড়ার কারণ।
মিরপুর-১ নম্বরে ১০/১২টি শপিংমার্কেটে নেই কোন স্থায়ী পুলিশের ডিউটি। এ ছাড়া বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারের কয়েক মিনিটের মধ্যে ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বাড়ে কয়েকগুণ।
যার ফলে মার্কেটে আসা লোকজনের মোবাইল, টাকা-পঁয়সা ও স্বর্ণলঙ্কার ছিনতাই করছে। প্রতিদিনই একাধিক ব্যাক্তির দামি মোবাইল সেট ও টাকা-পয়সা খোয়া যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে একজন বলেন, ‘একদিন এক লোককে ধরে চরম ভাবে মারছে, তার কাছে টাকা ছিলো সেগুলো নিয়ে গেছে এবং সাথে থাকা মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছে।’
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলেন, স্থায়ী কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলেও সার্বক্ষণিক টহল দলের মাধ্যমে সব সময় কড়া নজরদারি করা হচ্ছে।


প্রিন্ট