নাদিম হায়দার, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি-
মুন্সীগঞ্জ ১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা এ.কে.এম ফখরুদ্দীন রাজীর “চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ” শ্লোগানে পথসভায় ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার ২২ বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার মডেল মসজিদে সামনে পথসভা করে একটি শোভাযাত্রা বের করেন। এ শোভাযাত্রা উপজেলা মোড় হয়ে সিরাজদিখান থানার সামনে দিয়ে রাজদিয়া মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।পরে সেখানে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
পথসভায় সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা এ.কে.এম ফখরুদ্দীন রাজী বলেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামি কোন বাঁকা পথে ক্ষমতায় যেতে চায় না। আমরা নির্বাচিত হলে তরুণ প্রজন্ম, জুলাই যুদ্ধাদের সহ সকল ধর্মের সবাইকে সাথে নিয়ে মুন্সীগঞ্জ ১ আসন এলাকায় রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন,বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল স্থাপন,অর্থনীতির উন্নয়ন,মাদক,সন্ত্রাসী,চাদাবাজি,কিশোর গ্যাং নির্মুল করে আমার নির্বাচনী এলাকায় সুন্দর একটি পরিবেশ সৃষ্টি করবো।পাশাপাশি শিক্ষা মান উন্নত করবো। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড যে জাতি যত শিক্ষিত সে দেশ তত উন্নত হয়।আমরা চাই মানুষের ভাতের ও ভোটের অধিকার।আইনের শাসন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন।নৈতিকতা সম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা।শিক্ষক ও শ্রমিকদের আলাদা বেতন কাঠামো।সকল মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ।সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা।বেকার সমস্যার স্থায়ী সমাধান।প্রবাসীদের সেবা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার প্রদান।নারী শিক্ষার প্রসার, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা।কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতি সমৃদ্ধ করা।মক্তব ভিত্তিক কুরআন মাজিদ শিক্ষা চালু করা হবে।
তিনি আরো বলেন, সিরাজদিখান ও শ্রীনগরে গ্যাস লাইন স্থাপন।আলআমীন বাজার থেকে শ্রীনগর হয়ে মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত রাস্তাকে চার লেনে প্রশস্থ করণ।বাড়ৈখালী বাজার থেকে নিমতলা হয়ে ইছাপুরা পর্যন্ত রাস্তাকে চার লেনে প্রশস্থ করণ।একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা।শিল্প-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরী করণ। পদ্মা, ধলেশ্বরী, ইছামতি নদী ও আড়িয়ল বিলকে কেন্দ্র করে পর্যটন কেন্দ্র তৈরী করণ।
বিশ্বরোড ও রেল লাইন ব্যবহারের বৈষম্য দূর করা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা, মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, সকলের জন্য শিক্ষা নিশ্চিতকরণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, ঈদগাহ, কবরস্থান, খেলার মাঠ সংস্কার ও উন্নয়ন করা।শ্রীনগর ও সিরাজদিখান বাজারকে পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে।
খবর বাংলাদেশ ডেস্ক : 




















