
রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় রাতের আঁধারে চলা অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হতেই বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসন তৎপর হয়। বুধবার দুপুরে মোবাইল কোর্ট টিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে গেলেও নদীর তীরের মাটি ধস এবং স্থানীয়দের বর্ণনা নিশ্চিত করেছে—দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঘটছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে পরিবেশ আইনের আওতায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য বলা হয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। জড়িত তিন ব্যক্তির নাম। তারা হলেন
বান্দরবান জেলা যুবদলের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কাজী মো. হেলাল উদ্দীন (৪৯), সুয়ালক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮), বান্দরবান সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোরশেদুল আলম (৪৭)
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে নদীর চরে বালু উত্তোলন নিয়মিত হচ্ছে। তারা আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,
অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ব্রিজ, রাস্তা এবং আশপাশের বসতবাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন,
মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করলে সাঙ্গু নদী ও গোয়ালিয়াখোলা এলাকার ভাঙন রোধ করা সম্ভব।তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: জাকির হোসেন মোল্লা, নির্বাহী সম্পাদক : এনামুল হক মামুন, ৫২/৪ ছায়ানীড়, নিউ ইস্কাটন রোড, বাংলা মোটর, ঢাকা। ফোন : ০২-৪৮৩১০৭৮১, মোবাইল : ০১৬১১৬২০০০০, ই-মেইল : khaborbangladesh@gmail.com
© All rights reserved 2018-2026 khoborbangladesh.com