
বাংলাদেশ এখন ভদ্রবেশী প্রতারকদের দেশ। এই দেশটিতে খুব সহজেই সাধারণ মানুষকে বোকা বানানো যায়। হাতিয়ে নেওয়া যায় ধন-সম্পদ,ইজ্জত,মান-সম্মান। আবার পোষাকী ছদ্মাবরণে ধোকা দেওয়া যায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারি এমন কি আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও।এখন আদালত পাড়া বা বিচারালয়েও প্রতারকদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়।
এই সব প্রতারকরা জনগণকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা,জমা-জমি এমন কি বাড়ী-গাড়ি পর্যন্ত। এরা ঝোঁক বুঝে কোপ মেরে থাকে। তারা স্থানাভেদে পরিচয় বদলীয়ে প্রতারণা করে থাকে।
কখনো গোয়েন্দা কর্মকর্তা,কখনো দুদক কর্মকর্তা,কখনো আইনজীবি,কখনো সাংবাদিক,কখনো বেসরকারী কোম্পানীর মালিক,কখনো ব্যাংক কর্মকর্তা,কখনো মন্ত্রীর এপিএস,কখনো সচিবের আত্মীয় ইত্যাদি পরিচয়ে এরা সর্বত্র বিরাজ করছে। এদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নি:স-রিক্ত হচ্ছে সাধারন মানুষ।
জনগণের সচেতনতা ও আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপে মাঝে মধ্যে ২/৪ ধরা পড়লেও বেশিরভাগই থেকে যাচ্ছে অধরা। তবে কি এদের হাত থেকে মুক্তির উপায় নেই? এই প্রশ্নটির উত্তর মেলা অতি আবশ্যিক হলেও সেটি থেকে যাচ্ছে অবহেলা আর উদাসীনতায়।
ছবির এই ব্যাক্তির নাম: মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ (৪৪), পিতা- মো. বদিউজ্জামান, মাতা- মোছা. আফুজা খাতুন। বর্তমান ঠিকানা: ১৪৯, ডা. হিরন মার্কেট, আশকোনা, হাজী ক্যাম্প, দক্ষিণখান, ঢাকা- ১২৩০। তিনি কিছুদিন আগেও মোহনা টিভিতে চাকুরী করতেন। সেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘটিয়েছেন নানা কেচ্ছা কেলেংকারী। আর্থিক অনিয়ম দুর্নীতিও করেছেন। ফলে মোহনা টিভি কর্তৃপক্ষ তাকে চাকুরীচ্যুত করে স্বসম্মানে বিদায় দিয়েছেন।
এরপর থেকে তিনি আয়কর আইনজীবি হিসাবে আবির্ভুত হয়েছেন। এই পরিচয়ে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে বিতরণ করছেন মক্কেল ধরার জন্য। এ দিকে স্বামী পরিত্যাক্ত এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অবৈধ মেলামেশা ও অর্থ কড়িও হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা দাগে। এখন ও নারীকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেলিং করার চেষ্টা করছেন। এ কারণে ওই নারী মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ’র বিরুদ্ধে থানায় জিডি করতে বাধ্য হয়েছেন।
জানাগেছে, মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বিবাহিত । শ^শুর বাড়ীতে নাকি ঘর জামাই থাকেন। তার শ^শুর বাড়ীর লোকেজন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। যে কারণে তার ২ শ্যালক এখন পলাতক। এই ঘর জামাই ভদ্রলোক মোহনা টিভিতে চাকুরীর সুবাদে প্রতারণা পেশাকে বেশ ভালোই রপ্ত করেছেন। তার সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। শিঘ্রয় তার “অপকর্মনামা” বিশ^বাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: জাকির হোসেন মোল্লা, নির্বাহী সম্পাদক : এনামুল হক মামুন, ৫২/৪ ছায়ানীড়, নিউ ইস্কাটন রোড, বাংলা মোটর, ঢাকা। ফোন : ০২-৪৮৩১০৭৮১, মোবাইল : ০১৬১১৬২০০০০, ই-মেইল : khaborbangladesh@gmail.com
© All rights reserved 2018-2026 khoborbangladesh.com