
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর শাহআলী থানাধিন রবিউল টাওয়ারের নবম তলায় অবস্থিত রয়েছে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেল। দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ। সরেজমিনে দেখা যায়, আবাসিক হোটেলের নামেই চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। এসব কর্মকান্ড পুলিশের সামনেই চলছে। ওই আবাসিক হোটেলে একজন নারীর সাথে রাত কাটাতে হলেও গুনতে হয় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। বেশি অর্থ উপার্জনের লোভেই হোটেল মালিক মারুফ এই জঘন্য কাজে লিপ্ত রয়েছে।
মালিক মারুফের আয়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে মাদক ও নারীর দেহ ব্যবসা। একবাক্যে হোটেল টিকে বলা যায় মিনি পতিতালয়। হোটেল মারুফ হুঙ্কার দিয়ে জানান, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এসব ব্যবসা পরিচালিত করতে হচ্ছে সাংবাদিকরা কিছুই করতে পারবে না। সুত্রে জানা যায়, মাদক ও দেহ ব্যবসার জন্য প্রতিমাসে প্রশাসনের কিছু অসৎ সদস্যদের বড় অংকের উৎকোচ দিয়েই নির্বিঘ্নে চলে এই অনৈতিক কার্যকলাপ মারুফের পতিতালয় হোটেল। আরও রয়েছে নামধারী সাংবাদিক, স্থানীয় নেতা ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের।
মিরপুর-১ নম্বর শাহআলী থানাধিন রবিউল টাওয়ার অর্থাৎ এ্যাপেক্স এর শোরুমের উপরে ৯ম তলার পুরা ফ্লোর জুড়ে রয়েছে অসংখক রুম আর প্রতিটি রুমে বিভিন্ন সাজে মেয়েরা খদ্দেরের অপেক্ষায় রয়েছে। এখানে দুই শিফটে মেয়েরা দেহ ব্যাবসা করছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খরিদদার আসছে। পতিতা-দের নিয়ে রাত্রি যাপনের জন্যেও রয়েছে নিরাপদ ব্যবস্থা। এসব অবৈধ কারবারিদের সাথে সখ্যতা রয়েছে প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সন্ত্রাসীদের। যার ফলে এই বিষয়ে কেউ কোনো প্রতিবাদ করে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোটেলের কয়েকজন কর্মচারী জানান, এই হোটেলে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদক বেচাকেনা, জুয়া খেলা, সন্ত্রাসীদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে রফাদফার মত কাজও চলে।
নিয়মানুযাী হোটেলে যে কোনো বর্ডারের আগমন হলে তাদের সঠিক ঠিকানা যাচাই করে তাদের রেজিষ্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করা ও ছবি তুলে রাখার কথা থাকলেও অভিযুক্ত হোটেল কতৃপক্ষ মানছে না এই নিয়ম।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: জাকির হোসেন মোল্লা, নির্বাহী সম্পাদক : এনামুল হক মামুন, ৫২/৪ ছায়ানীড়, নিউ ইস্কাটন রোড, বাংলা মোটর, ঢাকা। ফোন : ০২-৪৮৩১০৭৮১, মোবাইল : ০১৬১১৬২০০০০, ই-মেইল : khaborbangladesh@gmail.com
© All rights reserved 2018-2026 khoborbangladesh.com