ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মিরপুরে ৬৫০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার মির্জাগঞ্জে ইসি সচিব’র সাথে মতবিনিময় সভা তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলা তথা বাউফল, বাড়ছে বিভিন্ন রোগবালাই নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু মৌজাভেদে আবারও কমলো জমির নিবন্ধন খরচ রাজউকের নতুন চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সিদ্দিকুর রহমান গোপীবাগে ৩৫ কোটি টাকার খাস জমি উদ্ধার বগুড়ায় আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব এর উদ্যোগে শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ-সামগ্রী বিতরণ ব্যাংক ডাকাতিতে ব্যবহৃত গাড়িসহ কেএনএফের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার ছাতিয়ান গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ’র  চাল বিতরন

মাগুরায় অবৈধ ৭ ক্লিনিক স্বাস্থ্য বিভাগ বন্ধ করলেও চলছে যথারীতি

মাগুরা প্রতিনিধি
অনুমোদনহীন ও অব্যস্থাপনার অভিযোগে মাগুরায় অবৈধ ৭ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু বন্ধের করে দেওয়া আধিকাংশ হাসপাতাল ও ক্লিনিক স্বাস্থ্য বিভাগের আদেশ অমান্য করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, অবৈধ হাসপাতাল ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আদেশ আমান্য করে কেউ বন্ধ প্রতিষ্ঠান চালু করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাগুরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে ১২৪টি অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনিস্ট সেন্টার। অস্বাস্থকর পরিবেশে গড়ে ওঠা অধিকাংশের নেই কোন সরকারি অনুমোদন। এ অবস্থায় মঙ্গলবার জেলা সিভিল সার্জন অভিযান চালিয়ে শহরের ইবনে সিনা, পপুলার, একতা, সালেহা, শান্তি, আল্ট্রল্যাব, ফাতেমা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে। তবে বন্ধ হওয়া এ সব প্রাইভেট ক্লিনিকের কর্তা ব্যক্তিরা প্রতিষ্ঠানে না থেকেও কর্মচারী দিয়ে কৌশলে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তবে এ সব প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি রোগির স্বজনরা বলছেন, এসব ক্লিনিক যে অবৈধ তা তারা জানেন না। বন্ধ ক্লিনিকের মালিক ও ম্যানেজারদের প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। তবে নার্স, আয়ারা বলছেন, তাদের ক্লিনিকে যে সকল রোগি রয়েছে, তা আগে ভার্তি। সিভিল সার্জনের নোটিশ পাওয়ার পরে তারা নতুন রোগি ভর্তি করেননি। জেলা ক্লিনিক ও ডায়াগনিস্ট মালিক এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফরহাদ আহমেদ বলছেন, সমিতির পক্ষ থেকে তারা মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে চান। সিভিল সার্জন অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তারা সেটিকে সমর্থন করেন।
ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ান, সিভিল সার্জন, মাগুরা বলছেন, তারা জেলার স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে মানহীন অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনিস্ট এর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচানা করে তা বন্ধ করে দিচ্ছেন। যারা তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যাবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমন বাস্তবতায় জেলার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা পড়েছে হুমকির মূখে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করাই স্বাস্থ্য বিভাগের বড় চ্যালেন্স।

ট্যাগস

মিরপুরে ৬৫০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার

মাগুরায় অবৈধ ৭ ক্লিনিক স্বাস্থ্য বিভাগ বন্ধ করলেও চলছে যথারীতি

আপডেট টাইম : ০১:০০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

মাগুরা প্রতিনিধি
অনুমোদনহীন ও অব্যস্থাপনার অভিযোগে মাগুরায় অবৈধ ৭ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু বন্ধের করে দেওয়া আধিকাংশ হাসপাতাল ও ক্লিনিক স্বাস্থ্য বিভাগের আদেশ অমান্য করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, অবৈধ হাসপাতাল ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আদেশ আমান্য করে কেউ বন্ধ প্রতিষ্ঠান চালু করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাগুরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে ১২৪টি অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনিস্ট সেন্টার। অস্বাস্থকর পরিবেশে গড়ে ওঠা অধিকাংশের নেই কোন সরকারি অনুমোদন। এ অবস্থায় মঙ্গলবার জেলা সিভিল সার্জন অভিযান চালিয়ে শহরের ইবনে সিনা, পপুলার, একতা, সালেহা, শান্তি, আল্ট্রল্যাব, ফাতেমা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে। তবে বন্ধ হওয়া এ সব প্রাইভেট ক্লিনিকের কর্তা ব্যক্তিরা প্রতিষ্ঠানে না থেকেও কর্মচারী দিয়ে কৌশলে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তবে এ সব প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি রোগির স্বজনরা বলছেন, এসব ক্লিনিক যে অবৈধ তা তারা জানেন না। বন্ধ ক্লিনিকের মালিক ও ম্যানেজারদের প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। তবে নার্স, আয়ারা বলছেন, তাদের ক্লিনিকে যে সকল রোগি রয়েছে, তা আগে ভার্তি। সিভিল সার্জনের নোটিশ পাওয়ার পরে তারা নতুন রোগি ভর্তি করেননি। জেলা ক্লিনিক ও ডায়াগনিস্ট মালিক এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফরহাদ আহমেদ বলছেন, সমিতির পক্ষ থেকে তারা মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে চান। সিভিল সার্জন অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তারা সেটিকে সমর্থন করেন।
ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ান, সিভিল সার্জন, মাগুরা বলছেন, তারা জেলার স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে মানহীন অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনিস্ট এর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচানা করে তা বন্ধ করে দিচ্ছেন। যারা তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যাবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমন বাস্তবতায় জেলার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা পড়েছে হুমকির মূখে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করাই স্বাস্থ্য বিভাগের বড় চ্যালেন্স।