ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত ৫ বছরের অধিক প্রেষনে দায়িত্ব পালন করছেন চীফ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল কবীর! বিআইডব্লিউটিএর অতি: পরিচালক আরিফ উদ্দিনের সম্পদের পাহাড়! শাহআলীতে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যাকারি পলাতক স্বামী গ্রেফতার  অতি:পরিচালক আরিফ উদ্দিন এখন বিআইডব্লিউটিএ‘র অঘোষিত “রাজা”! সাভারে এক ইউপি চেয়ারম্যানের সম্পদের পাহাড়! সিরাজদিখানে মঈনুল হাসান নাহিদকে বিকল্প ধরার সমর্থন মির্জাগঞ্জের ইউ,পি সচিব পরকীয়া প্রেমিকার হত্যাকাণ্ডে পুলিশ হেফাজতে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় মানুষের ভালবাসায় আমি মুগ্ধ: চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ মানবতার আড়ালে ভয়ংকর ফয়সাল বাহিনী, পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

চিলমারীতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য দেয়নি কৃষি কর্মকর্তা

হাবিবুর রহমান:

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে তথ্য অধিকার ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে গেলে ও আবেদনকারীকে ফিরিয়ে দিয়েছেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ নুর আলম। এদিকে কৃষি কর্মকর্তা কুমার প্রণয় বিষাণ দাশকে বিষয়টি জানালে তিনি তেমন ভাবে কোন উত্তর না দিয়ে, দায় সারা ভাবে কথা বলেছেন। সোমবার সকালে এবং দুপুরে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধি এস এম রাফি ও ফয়সাল হক তথ্য অধিকারে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার এর তালিকা চেয়ে আবেদন করতে গেলে দায়িত্বরত স্টাফ ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ নুর আলম আবেদন টি গ্রহন না করে সাংবাদিকদের ফিরয়ে দিয়েছেন। এতে করে চিলমারীতে সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এ বলা হয়েছে, তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করণের নিমিত্ত বিধান করিবার লক্ষ্যে প্রণীত আইন। যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা নাগরিকগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসাবে স্বীকৃত এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং যেহেতু জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। সাংবাদিক রাফি বলেন, ১ম দফায় আবেদন নিয়ে গেলে দায়িত্বরত স্টাফ আমাকে বলেন আবেদন জমা দিয়ে যেতে পারেন। তবে রিসিভ করে নেয়া যাবে না বলে তিনি জানান। অপর দিকে সাংবাদিক ফয়সাল হক জানান, তারা আবেদন রেখে যেতে বলেছেন। সেই সাথে এটাও জানিয়েছেন যে উপরের কর্মকর্তার (কৃষি অফিসার) নিষেধ থাকায় আবেদন গ্রহন করেন নি। এ দিকে ক্ষোভ প্রকাশ করে, চিলমারী অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মোঃ মমিনুল ইসলাম বাবু বলেন, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সনের ২০ নম্বর আইনে বলা আছে, যেহেতু জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। সুতরাং তথ্য অধিকারে যে কেউ আবেদন করতে পারেন। কিন্তু তারা আবেদন গ্রহন করেন না কেন, সেটা আমার বোধ গম্য হচ্ছে না। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কুমার প্রণয় বিষাণ দাশের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আবেদনটি রেখে যেতে বললেও রিসিভ কপি দেবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়েই তিনি বাইরে আছেন বলে মুঠোফোনের লাইন কেটে দিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

চিলমারীতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য দেয়নি কৃষি কর্মকর্তা

আপডেট টাইম : ০৬:৩৪:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২

হাবিবুর রহমান:

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে তথ্য অধিকার ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে গেলে ও আবেদনকারীকে ফিরিয়ে দিয়েছেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ নুর আলম। এদিকে কৃষি কর্মকর্তা কুমার প্রণয় বিষাণ দাশকে বিষয়টি জানালে তিনি তেমন ভাবে কোন উত্তর না দিয়ে, দায় সারা ভাবে কথা বলেছেন। সোমবার সকালে এবং দুপুরে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধি এস এম রাফি ও ফয়সাল হক তথ্য অধিকারে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার এর তালিকা চেয়ে আবেদন করতে গেলে দায়িত্বরত স্টাফ ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ নুর আলম আবেদন টি গ্রহন না করে সাংবাদিকদের ফিরয়ে দিয়েছেন। এতে করে চিলমারীতে সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এ বলা হয়েছে, তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করণের নিমিত্ত বিধান করিবার লক্ষ্যে প্রণীত আইন। যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা নাগরিকগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসাবে স্বীকৃত এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং যেহেতু জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। সাংবাদিক রাফি বলেন, ১ম দফায় আবেদন নিয়ে গেলে দায়িত্বরত স্টাফ আমাকে বলেন আবেদন জমা দিয়ে যেতে পারেন। তবে রিসিভ করে নেয়া যাবে না বলে তিনি জানান। অপর দিকে সাংবাদিক ফয়সাল হক জানান, তারা আবেদন রেখে যেতে বলেছেন। সেই সাথে এটাও জানিয়েছেন যে উপরের কর্মকর্তার (কৃষি অফিসার) নিষেধ থাকায় আবেদন গ্রহন করেন নি। এ দিকে ক্ষোভ প্রকাশ করে, চিলমারী অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মোঃ মমিনুল ইসলাম বাবু বলেন, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সনের ২০ নম্বর আইনে বলা আছে, যেহেতু জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। সুতরাং তথ্য অধিকারে যে কেউ আবেদন করতে পারেন। কিন্তু তারা আবেদন গ্রহন করেন না কেন, সেটা আমার বোধ গম্য হচ্ছে না। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কুমার প্রণয় বিষাণ দাশের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আবেদনটি রেখে যেতে বললেও রিসিভ কপি দেবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়েই তিনি বাইরে আছেন বলে মুঠোফোনের লাইন কেটে দিয়েছেন।