ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নৌ-অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন গিয়াসের নামে দুদকের মামলার অনুমোদন মাদারীপুরে সরকারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে সমাজ সেবা কর্মকর্তা ও তার বেকার স্বামীর দাদাগিরি! মির্জাগঞ্জে গণ অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ ফরিদপুরে সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা মুন্সি আকতার হোসেনের সংবাদ সম্মেলন নিকুঞ্জে বিএনপি নেতা এম কফিলউদ্দিন আহমেদের লিফলেট বিতরণ মির্জাগঞ্জে মা ছেলেকে কুপিয়ে জখম, দোষীদের বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন পঞ্চগড়ে বাড়ির পাশে যুবকের মরদেহ উদ্ধার মাগুরায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক সভা নওগাঁয় সংবাদিকদের সাথে জেলা বিএনপির মতবিনিময়

সিরাজদিখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজ না করে ভুয়া ভাউচারে বিল উত্তোলন

নাদিম হায়দার, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে ব্যাপক দুর্নীতির ও ৫ শতাংশ কমিশন না দিলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কোন বরাদ্দ না দেওয়ার প্রমান পাওয়া গিয়েছে।

গত ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ২০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাইনর মেরামত বাবদ ২ লক্ষ টাকা করে মোট ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সেখান থেকে আইটি ও ভ্যাট বাবদ টাকা কর্তন করার পর প্রতিটি বিদ্যালয় পায় ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪ শত টাকা। এই টাকা বরাদ্দ পাওয়ার পরেই শুরু হয় যত অনিয়ম। প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪ শত টাকা করে পেলেও তারা বিল উত্তোলনের জন্য ভাউচার জমা দেন ২ লক্ষ টাকার। বিল উত্তোলনের এসব ভুয়া বিল ভাউচার কোন যাচাই বাছাই না করেই বিল প্রদান করর জন্য সুপারিশ এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা কে বিশেষ ভাবে বলে দেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন। এই বিল পাশ করার জন্যও তাকে দিতে হয় শতকরা হিসেবের ৫ শতাংশ ভাগ। ভাগ না দিলে কোন বিদ্যালয় টাকা বরাদ্দ পায় না এমনকি শিক্ষকদেরও করা হয় নানা রকম হয়রানি। উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসব দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে দৈনিক খবর বাংলাদেশ প্রতিবেদকের কাছে
একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেনের নির্দেশনায় কাজ শুরু করার আগেই ভুয়া ভাউচার দিয়ে বিল উত্তোলন করার জন্য বলা হতো। এর পর সেই টাকা কিভাবে খরচ হতো তার সঠিক হিসেব কোন প্রতিষ্ঠান প্রধান দিতে পারেন নি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একজন ট্যাগ অফিসার রয়েছেন। সরকারী ওই প্রধান শিক্ষকেরা, ট্যাগ অফিসার এবং শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে এই দুর্নীতি চলে আসছে বছরের পর বছর। সরেজমিনে গিয়ে বরাদ্দ পাওয়া প্রতিটি বিদ্যালয়ে একই চিত্র দেখা গেছে। এই নিয়ে কথা বললে প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা বলেন, উপজেলা থেকে আমাদের যেমন নির্দেশনা দেয় আমরা সেই মোতাবেক কাজ করি। শিক্ষা কর্মকর্তা আমাদের বলে দেয় আমরা কাজ করি। এখানে তো একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসার রয়েছে। তাদের সাথে সমন্বয় করেই প্রধান শিক্ষকদের কাজ করতে হয়। বিল উত্তোলনের পরে বিদ্যালয়ের কি কাজ হয় তা জানতে চাইলে তার কোন সদুত্তর কোন প্রধান শিক্ষক দিতে পারেন নি।
এ বিষয়ে বরাদ্দ পাওয়া বিদ্যালয় গুলোর ট্যাগ অফিসার আম্বিয়া আক্তার বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষকদের এত টাকা থাকে না। তাই আগে বিল উত্তোলন করে পরে কাজ করানো হয়।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোন জবাব না দিয়ে কৌশলে তা এড়িয়ে যায়।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

নৌ-অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন গিয়াসের নামে দুদকের মামলার অনুমোদন

সিরাজদিখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজ না করে ভুয়া ভাউচারে বিল উত্তোলন

আপডেট টাইম : ০১:৩৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

নাদিম হায়দার, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে ব্যাপক দুর্নীতির ও ৫ শতাংশ কমিশন না দিলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কোন বরাদ্দ না দেওয়ার প্রমান পাওয়া গিয়েছে।

গত ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ২০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাইনর মেরামত বাবদ ২ লক্ষ টাকা করে মোট ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সেখান থেকে আইটি ও ভ্যাট বাবদ টাকা কর্তন করার পর প্রতিটি বিদ্যালয় পায় ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪ শত টাকা। এই টাকা বরাদ্দ পাওয়ার পরেই শুরু হয় যত অনিয়ম। প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪ শত টাকা করে পেলেও তারা বিল উত্তোলনের জন্য ভাউচার জমা দেন ২ লক্ষ টাকার। বিল উত্তোলনের এসব ভুয়া বিল ভাউচার কোন যাচাই বাছাই না করেই বিল প্রদান করর জন্য সুপারিশ এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা কে বিশেষ ভাবে বলে দেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন। এই বিল পাশ করার জন্যও তাকে দিতে হয় শতকরা হিসেবের ৫ শতাংশ ভাগ। ভাগ না দিলে কোন বিদ্যালয় টাকা বরাদ্দ পায় না এমনকি শিক্ষকদেরও করা হয় নানা রকম হয়রানি। উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসব দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে দৈনিক খবর বাংলাদেশ প্রতিবেদকের কাছে
একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেনের নির্দেশনায় কাজ শুরু করার আগেই ভুয়া ভাউচার দিয়ে বিল উত্তোলন করার জন্য বলা হতো। এর পর সেই টাকা কিভাবে খরচ হতো তার সঠিক হিসেব কোন প্রতিষ্ঠান প্রধান দিতে পারেন নি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একজন ট্যাগ অফিসার রয়েছেন। সরকারী ওই প্রধান শিক্ষকেরা, ট্যাগ অফিসার এবং শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে এই দুর্নীতি চলে আসছে বছরের পর বছর। সরেজমিনে গিয়ে বরাদ্দ পাওয়া প্রতিটি বিদ্যালয়ে একই চিত্র দেখা গেছে। এই নিয়ে কথা বললে প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা বলেন, উপজেলা থেকে আমাদের যেমন নির্দেশনা দেয় আমরা সেই মোতাবেক কাজ করি। শিক্ষা কর্মকর্তা আমাদের বলে দেয় আমরা কাজ করি। এখানে তো একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসার রয়েছে। তাদের সাথে সমন্বয় করেই প্রধান শিক্ষকদের কাজ করতে হয়। বিল উত্তোলনের পরে বিদ্যালয়ের কি কাজ হয় তা জানতে চাইলে তার কোন সদুত্তর কোন প্রধান শিক্ষক দিতে পারেন নি।
এ বিষয়ে বরাদ্দ পাওয়া বিদ্যালয় গুলোর ট্যাগ অফিসার আম্বিয়া আক্তার বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষকদের এত টাকা থাকে না। তাই আগে বিল উত্তোলন করে পরে কাজ করানো হয়।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোন জবাব না দিয়ে কৌশলে তা এড়িয়ে যায়।