ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ধর্মের অপব্যবহার ও তথ্য জালিয়াতির বিরুদ্ধে ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান আমিনুল হকের ঢাকা-১০ আসন হবে চাঁদাবাজ-সন্ত্রাস ও দুর্নীতি মুক্ত- শেখ রবিউল আলম এবার ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের কোনো সুযোগ নেই- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামি কোন বাঁকা পথে ক্ষমতায় যেতে চায় না- অধ্যাপক ফখরুদ্দিন বিডা’র রেমিট্যান্স অনুমোদন সেবা এখন পুরোপুরি অনলাইনে পার্বত্য চট্টগ্রামের কলেজগুলোর উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে -ভাইস-চ্যান্সেলর হ্যাঁ’-এর প্রার্থী আপনি আমি আমরা সবাই- আলী রীয়াজ দুর্গম থানচি থেকে রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত যারা ঢাকা-১৬ আসন: মা-বাবার কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হকের

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গোপন টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের অনিয়ম দুর্নীতি লিখে শেষ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্নীতির নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বর্জ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও অপসারণ খাতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ পান। সেই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করার জন্য। কিন্তু তিনি ঐ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য পত্রিকায় ঘুপচি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে অতি গোপনে ফরিদপুরে একজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করেন। ঐ ঠিকাদার নাকি তার নিকট আত্মীয়। এই টেন্ডারের বিষয়টি মাগুরার কোন ঠিকাদার জানতে পারেন নি।
গোপনে খাতা কলমে পেপার ওয়ার্ক ঠিক রেখে তিনি সামান্য ৫/১০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন কিনে বাকি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি কেউ জানতে না পারলেও একজন ঠিকাদার এজি অফিস সুত্রে জানতে পারেন যে, সুপার ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এই খাতে বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। পরবর্তীতে স্টার কীপার গৌতম কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।
অভিযোগকারীদের মতে ২০২৪ সালের জুন মাসে যদি ৫০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয় তবে তা এখনো স্টোরে জমা থাকার কথা। কিন্তু সেটাতো খাতা পত্রে ছাড়া বাস্তবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে সেগুলো গেল কোথায়?
এ বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদকের তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্মের অপব্যবহার ও তথ্য জালিয়াতির বিরুদ্ধে ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান আমিনুল হকের

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গোপন টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

আপডেট টাইম : ০২:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের অনিয়ম দুর্নীতি লিখে শেষ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্নীতির নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বর্জ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও অপসারণ খাতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ পান। সেই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করার জন্য। কিন্তু তিনি ঐ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য পত্রিকায় ঘুপচি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে অতি গোপনে ফরিদপুরে একজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করেন। ঐ ঠিকাদার নাকি তার নিকট আত্মীয়। এই টেন্ডারের বিষয়টি মাগুরার কোন ঠিকাদার জানতে পারেন নি।
গোপনে খাতা কলমে পেপার ওয়ার্ক ঠিক রেখে তিনি সামান্য ৫/১০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন কিনে বাকি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি কেউ জানতে না পারলেও একজন ঠিকাদার এজি অফিস সুত্রে জানতে পারেন যে, সুপার ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এই খাতে বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। পরবর্তীতে স্টার কীপার গৌতম কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।
অভিযোগকারীদের মতে ২০২৪ সালের জুন মাসে যদি ৫০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয় তবে তা এখনো স্টোরে জমা থাকার কথা। কিন্তু সেটাতো খাতা পত্রে ছাড়া বাস্তবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে সেগুলো গেল কোথায়?
এ বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদকের তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে।