ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি প্রদান, আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং বিচারিক কাজে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান।
গতকাল রোববার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই আদেশ দেওয়া হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২২ জানুয়ারির মধ্যে রুমিন ফারহানাকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই নজিরবিহীন আচরণের লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ গ্রামে বৃহৎ স্টেজ নির্মাণ ও ৪০০/৫০০ লোকের উপস্থিতিতে নির্বাচনি জনসভা করে। তিনি সেখানে মাইক দিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান করেন। যা আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর লঙ্ঘন।
এ সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করে বিভিন্ন রকম হুমকি প্রদর্শন করে। একপর্যায়ে তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বলেন, ‘আমি যদি না বলি এখান থেকে বের হতে পারবেন না, মাথায় রাইখেন। আজকে আমি আঙুল তুলে বলে গেলাম ভবিষ্যতে শুনব না।’ এ সময় তার অন্যান্য কর্মীরাও মারমুখী আচরণ করে।
নোটিশে বলা হয়, এভাবে মব সৃষ্টি করে বিচারিক কাজে বাধা দেওয়া এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি প্রদান করা নির্বাচন আচরণ বিধি সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ঘটনাটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। যা জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
খবর বাংলাদেশ ডেস্ক : 

























