মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি-
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। নির্বাচন ঘিরে যেকোনো ধরনের সহিংসতা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলার অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বান্দরবান জোন সদর মাঠে আয়োজিত ‘সেনা মোতায়েন ব্রিফিং’-এ এসব কথা বলেন বান্দরবান সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে ইতোমধ্যে কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রগুলোতে থাকবে বিশেষ নজরদারি। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এবং ভোটকেন্দ্রগুলোতে গড়ে তোলা হবে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা বলয়।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করাই সেনাবাহিনীর মূল দায়িত্ব। তবে রাষ্ট্রীয় ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
জোন কমান্ডার আশ্বস্ত করেন, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করবে। তিনি জানান, ৩০০ নম্বর বান্দরবান সংসদীয় নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনীর ৪৫০ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এছাড়া বিজিবির ১০০ জন এবং র্যাবের ৫০ জন সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
ব্রিফিং শেষে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাবের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সতর্কতামূলক মহড়া দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে— কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে শান্ত ও শৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতা করুন। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার জন্য পুনরায় অনুরোধ জানানো হয়েছে।
খবর বাংলাদেশ ডেস্ক : 


























