ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালনের তিরোধান দিবস জাতীয় দিবস ঘোষণায় কেন্দ্রীয় সাধুসংঘের অভিনন্দন বাউফলে মাদ্রাসার তালা ভেঙ্গে চেয়ার ও কাগজপত্র তছনছসহ লাঞ্ছিতের অভিযোগ কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময় গাজীপুর কালীগঞ্জে ট্রেন-অটোরিকশা সংঘর্ষ জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো দিয়ামনি ই – কমিউনিকেশন স্টার এ্যাওয়ার্ড নৌ-অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন গিয়াসের নামে দুদকের মামলার অনুমোদন মাদারীপুরে সরকারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে সমাজ সেবা কর্মকর্তা ও তার বেকার স্বামীর দাদাগিরি! মির্জাগঞ্জে গণ অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ ফরিদপুরে সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা মুন্সি আকতার হোসেনের সংবাদ সম্মেলন

কালিহাতীতে গ্রামীন সংঘর্ষে অর্ধ শতাধিক আহত, উত্তেজনা বিরাজমান

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি-
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে তিনটি গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অর্ধ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। উত্তেজনাপূর্ণ এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়ে গেছে। ৩ মার্চ (সোমবার) দুপুর থেকে উপজেলার সোলাকুড়া এলাকায় শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে অন্তত ২০টির বেশি দোকানপাট ভাঙচুর হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাকরাইল, শহদেবপুর ও মুলিয়া—এই তিন গ্রামের মধ্যে স্থানীয় একটি ওরস বিষয়ক শালিসী বৈঠককে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বৈঠকে মাতবর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শুকুর মাহমুদ। বৈঠকের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হলে তা দ্রুত হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় একপক্ষ শুকুর মাহমুদের বিরুদ্ধে উৎকোচের অভিযোগ এনে তার উপর আক্রমন চালিয়ে গুরুতর জখম করলে এবং স্থানীয়রা তাকে কালিহাতী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। ।

দুই গ্রামে সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং টাঙ্গাইল — ময়মনসিংহ মহাসড়ক বন্ধ করে গ্রামে গ্রামে সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কালিহাতী থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রায় দুই ঘন্টায় পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে । তবে রিপোর্ট লেখা সময়ে এলাকায় কিছু কিছু উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পুনরায় সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি শান্ত করতে তৎপর রয়েছে।

উভয় পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় ৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও সংঘর্ষের সময় অন্তত ২০টির বেশি দোকানপাট ভাঙচুর করে হরিলোটের অভিযোগ ওঠেছে । স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং তারা দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার আশা করছেন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে এবং উত্তেজনা প্রশমনে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

লালনের তিরোধান দিবস জাতীয় দিবস ঘোষণায় কেন্দ্রীয় সাধুসংঘের অভিনন্দন

কালিহাতীতে গ্রামীন সংঘর্ষে অর্ধ শতাধিক আহত, উত্তেজনা বিরাজমান

আপডেট টাইম : ০৩:২৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি-
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে তিনটি গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অর্ধ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। উত্তেজনাপূর্ণ এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়ে গেছে। ৩ মার্চ (সোমবার) দুপুর থেকে উপজেলার সোলাকুড়া এলাকায় শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে অন্তত ২০টির বেশি দোকানপাট ভাঙচুর হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাকরাইল, শহদেবপুর ও মুলিয়া—এই তিন গ্রামের মধ্যে স্থানীয় একটি ওরস বিষয়ক শালিসী বৈঠককে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বৈঠকে মাতবর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শুকুর মাহমুদ। বৈঠকের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হলে তা দ্রুত হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় একপক্ষ শুকুর মাহমুদের বিরুদ্ধে উৎকোচের অভিযোগ এনে তার উপর আক্রমন চালিয়ে গুরুতর জখম করলে এবং স্থানীয়রা তাকে কালিহাতী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। ।

দুই গ্রামে সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং টাঙ্গাইল — ময়মনসিংহ মহাসড়ক বন্ধ করে গ্রামে গ্রামে সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কালিহাতী থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রায় দুই ঘন্টায় পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে । তবে রিপোর্ট লেখা সময়ে এলাকায় কিছু কিছু উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পুনরায় সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি শান্ত করতে তৎপর রয়েছে।

উভয় পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় ৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও সংঘর্ষের সময় অন্তত ২০টির বেশি দোকানপাট ভাঙচুর করে হরিলোটের অভিযোগ ওঠেছে । স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং তারা দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার আশা করছেন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে এবং উত্তেজনা প্রশমনে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন।