ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি: সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার কে হচ্ছেন মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসক? নীল সাগর ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত; আহত শতাধিক বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান বান্দরবানের কদুখোলায় ব্যতিক্রমী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯ মাস ১৫ দিনে হিফজ সম্পন্নের নজির মাগুরার মহম্মদপুরে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন বরগুনায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: নওগাঁয় ভূমিমন্ত্রী ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী

মাগুরায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ (পর্ব-১)

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরা সদর উপজেলাধীন ১১নং বেরইল পলিতা ইউনিয়নস্থ বেরইল গ্রামের আলহাজ্ব কাজী আব্দুল ওয়াহেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও সভাপতি
তাজেনুর রহমানের অপসারণ দাবিতে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট অধিদফতরে আবেদন করেছে ওই বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবক। এমনকি ওই শিক্ষক ও সভাপতির দুর্নীতি-অনিয়ম ও অবৈধভাবে বিশাল সম্পদের মালিক হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে ওই অভিযোগে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, স্কুল প্রতিষ্ঠাতার ভাই ৯ শতক জমি স্কুলের নামে দান করেন কিন্তু তাকে প্রধান শিক্ষক ভোটার করা হয় নাই। বর্তমান সভাপতি তানজুর রহমানকে ২০ হাজার টাকা ঘোষনা দিয়ে সদস্য করে দুই মেয়াদে সভাপতি করে গেছেন প্রধান শিক্ষক, তাছাড়া তিনি গত ২১ মার্চ ২০১৮ ইং তারিখে সাত লাখ ত্রিশ হাজার টাকা ঘুষের বিনিময়ে গোপনে শহিদুল ইসলাম নামে একজন নৈশ প্রহরী নিয়োগদেন। তথ্যনুসন্ধানে জানা যায় ওই অবৈধ নৈশ প্রহরীর বিলের জন্য কাগজ পত্র বোর্ডে পাঠিয়েছেন। সম্প্রতি জিহাদুল ইসলাম (সেকশন), চন্দনা রানী (সেকশন)ও রবিউল ইসলাম (বিজ্ঞান) বিভাগে শিক্ষক হিসেবে এই তিনজনকে ১৩ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি নিয়োগদেন। কারিগরি বোর্ড থেকে ভোকেশনাল খোলার অনুমতি এনে দুই প্রার্থীর নিকট থেকে ৭ লাখ টাকা ঘুষ নেন প্রধান শিক্ষকের সহযোগীতায় সভাপতি তানজুর রহমান। ২০১৭ সালে ভাঙ্গুড়া গ্রামের ইমদাদুল ইসলামের ছেলের ভর্তির ব্যাপারে ৩ হাজার টাকা ঘুষ নেন। বর্তমান আলহাজ্ব কাজী আব্দুল ওয়াহেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও সভাপতি তাজেনুর রহমানের চরিত্র এতোই খারাপ যা স্কুলের কোন মহিলারা ঠিকমত চাকুরী করতে পারেন না।
প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও সভাপতি তানজুর রহমানের এহনে কার্যকলাপে অন্যান্য শিক্ষকের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়াও একাধিকবার বিভাগীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হওয়ার পরেও একই পদে বহাল রয়েছেন। বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারের মালামাল ক্রয় বাবদ প্রতিবছর লক্ষাধিক টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও কোনো মালামাল না কিনে ভুয়া কোটেশন ও ভাউচার দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের দুজনের। লাইব্রেরি বাবদ সরকারি বরাদ্দ এবং ছাত্রদের কাছ থেকে যে টাকা নিয়ে পরিমিত বই ক্রয় না করে বাকি টাকা হাতিয়ে নেয়া, বিবিধ ফান্ডের অর্থ ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া, শিক্ষার্থীদের নামমাত্র নাস্তা দিয়ে বাকি অর্থ ভুয়া বিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া এবং কম্পিউটার মেরামত, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা উপকরণ মুদ্রন এবং পরিচয়পত্র ফান্ডে অর্থ ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন দীর্ঘদিন থেকে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও সভাপতি তানজরু রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি: সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার

মাগুরায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ (পর্ব-১)

আপডেট টাইম : ০৬:১৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরা সদর উপজেলাধীন ১১নং বেরইল পলিতা ইউনিয়নস্থ বেরইল গ্রামের আলহাজ্ব কাজী আব্দুল ওয়াহেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও সভাপতি
তাজেনুর রহমানের অপসারণ দাবিতে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট অধিদফতরে আবেদন করেছে ওই বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবক। এমনকি ওই শিক্ষক ও সভাপতির দুর্নীতি-অনিয়ম ও অবৈধভাবে বিশাল সম্পদের মালিক হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে ওই অভিযোগে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, স্কুল প্রতিষ্ঠাতার ভাই ৯ শতক জমি স্কুলের নামে দান করেন কিন্তু তাকে প্রধান শিক্ষক ভোটার করা হয় নাই। বর্তমান সভাপতি তানজুর রহমানকে ২০ হাজার টাকা ঘোষনা দিয়ে সদস্য করে দুই মেয়াদে সভাপতি করে গেছেন প্রধান শিক্ষক, তাছাড়া তিনি গত ২১ মার্চ ২০১৮ ইং তারিখে সাত লাখ ত্রিশ হাজার টাকা ঘুষের বিনিময়ে গোপনে শহিদুল ইসলাম নামে একজন নৈশ প্রহরী নিয়োগদেন। তথ্যনুসন্ধানে জানা যায় ওই অবৈধ নৈশ প্রহরীর বিলের জন্য কাগজ পত্র বোর্ডে পাঠিয়েছেন। সম্প্রতি জিহাদুল ইসলাম (সেকশন), চন্দনা রানী (সেকশন)ও রবিউল ইসলাম (বিজ্ঞান) বিভাগে শিক্ষক হিসেবে এই তিনজনকে ১৩ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি নিয়োগদেন। কারিগরি বোর্ড থেকে ভোকেশনাল খোলার অনুমতি এনে দুই প্রার্থীর নিকট থেকে ৭ লাখ টাকা ঘুষ নেন প্রধান শিক্ষকের সহযোগীতায় সভাপতি তানজুর রহমান। ২০১৭ সালে ভাঙ্গুড়া গ্রামের ইমদাদুল ইসলামের ছেলের ভর্তির ব্যাপারে ৩ হাজার টাকা ঘুষ নেন। বর্তমান আলহাজ্ব কাজী আব্দুল ওয়াহেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও সভাপতি তাজেনুর রহমানের চরিত্র এতোই খারাপ যা স্কুলের কোন মহিলারা ঠিকমত চাকুরী করতে পারেন না।
প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও সভাপতি তানজুর রহমানের এহনে কার্যকলাপে অন্যান্য শিক্ষকের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়াও একাধিকবার বিভাগীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হওয়ার পরেও একই পদে বহাল রয়েছেন। বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারের মালামাল ক্রয় বাবদ প্রতিবছর লক্ষাধিক টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও কোনো মালামাল না কিনে ভুয়া কোটেশন ও ভাউচার দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের দুজনের। লাইব্রেরি বাবদ সরকারি বরাদ্দ এবং ছাত্রদের কাছ থেকে যে টাকা নিয়ে পরিমিত বই ক্রয় না করে বাকি টাকা হাতিয়ে নেয়া, বিবিধ ফান্ডের অর্থ ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া, শিক্ষার্থীদের নামমাত্র নাস্তা দিয়ে বাকি অর্থ ভুয়া বিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া এবং কম্পিউটার মেরামত, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা উপকরণ মুদ্রন এবং পরিচয়পত্র ফান্ডে অর্থ ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন দীর্ঘদিন থেকে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও সভাপতি তানজরু রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।