ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান বান্দরবানের কদুখোলায় ব্যতিক্রমী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯ মাস ১৫ দিনে হিফজ সম্পন্নের নজির মাগুরার মহম্মদপুরে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন বরগুনায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: নওগাঁয় ভূমিমন্ত্রী ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী শ্রীকাইলে ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন, প্রতিদিন মিলবে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জমি দিয়ে নিয়োগ পেলেও স্কুল থেকে বিতাড়িত দুই বোন রাজাপুরে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গোপন টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের অনিয়ম দুর্নীতি লিখে শেষ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্নীতির নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বর্জ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও অপসারণ খাতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ পান। সেই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করার জন্য। কিন্তু তিনি ঐ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য পত্রিকায় ঘুপচি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে অতি গোপনে ফরিদপুরে একজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করেন। ঐ ঠিকাদার নাকি তার নিকট আত্মীয়। এই টেন্ডারের বিষয়টি মাগুরার কোন ঠিকাদার জানতে পারেন নি।
গোপনে খাতা কলমে পেপার ওয়ার্ক ঠিক রেখে তিনি সামান্য ৫/১০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন কিনে বাকি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি কেউ জানতে না পারলেও একজন ঠিকাদার এজি অফিস সুত্রে জানতে পারেন যে, সুপার ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এই খাতে বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। পরবর্তীতে স্টার কীপার গৌতম কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।
অভিযোগকারীদের মতে ২০২৪ সালের জুন মাসে যদি ৫০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয় তবে তা এখনো স্টোরে জমা থাকার কথা। কিন্তু সেটাতো খাতা পত্রে ছাড়া বাস্তবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে সেগুলো গেল কোথায়?
এ বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদকের তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গোপন টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

আপডেট টাইম : ০২:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের অনিয়ম দুর্নীতি লিখে শেষ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্নীতির নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বর্জ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও অপসারণ খাতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ পান। সেই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করার জন্য। কিন্তু তিনি ঐ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য পত্রিকায় ঘুপচি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে অতি গোপনে ফরিদপুরে একজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করেন। ঐ ঠিকাদার নাকি তার নিকট আত্মীয়। এই টেন্ডারের বিষয়টি মাগুরার কোন ঠিকাদার জানতে পারেন নি।
গোপনে খাতা কলমে পেপার ওয়ার্ক ঠিক রেখে তিনি সামান্য ৫/১০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন কিনে বাকি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি কেউ জানতে না পারলেও একজন ঠিকাদার এজি অফিস সুত্রে জানতে পারেন যে, সুপার ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এই খাতে বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। পরবর্তীতে স্টার কীপার গৌতম কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।
অভিযোগকারীদের মতে ২০২৪ সালের জুন মাসে যদি ৫০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয় তবে তা এখনো স্টোরে জমা থাকার কথা। কিন্তু সেটাতো খাতা পত্রে ছাড়া বাস্তবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে সেগুলো গেল কোথায়?
এ বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদকের তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে।