ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান বান্দরবানের কদুখোলায় ব্যতিক্রমী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯ মাস ১৫ দিনে হিফজ সম্পন্নের নজির মাগুরার মহম্মদপুরে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন বরগুনায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: নওগাঁয় ভূমিমন্ত্রী ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী শ্রীকাইলে ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন, প্রতিদিন মিলবে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জমি দিয়ে নিয়োগ পেলেও স্কুল থেকে বিতাড়িত দুই বোন রাজাপুরে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান

নিউজ প্রকাশের পর-বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসনের অভিযান, রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা ব্রিজসংলগ্ন অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় রাতের আঁধারে চলা অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হতেই বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসন তৎপর হয়। বুধবার দুপুরে মোবাইল কোর্ট টিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে গেলেও নদীর তীরের মাটি ধস এবং স্থানীয়দের বর্ণনা নিশ্চিত করেছে—দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঘটছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে পরিবেশ আইনের আওতায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য বলা হয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। জড়িত তিন ব্যক্তির নাম। তারা হলেন
বান্দরবান জেলা যুবদলের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কাজী মো. হেলাল উদ্দীন (৪৯), সুয়ালক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮), বান্দরবান সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোরশেদুল আলম (৪৭)
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে নদীর চরে বালু উত্তোলন নিয়মিত হচ্ছে। তারা আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,
অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ব্রিজ, রাস্তা এবং আশপাশের বসতবাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন,
মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করলে সাঙ্গু নদী ও গোয়ালিয়াখোলা এলাকার ভাঙন রোধ করা সম্ভব।তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান

নিউজ প্রকাশের পর-বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসনের অভিযান, রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা ব্রিজসংলগ্ন অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

আপডেট টাইম : ১২:২৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় রাতের আঁধারে চলা অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হতেই বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসন তৎপর হয়। বুধবার দুপুরে মোবাইল কোর্ট টিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে গেলেও নদীর তীরের মাটি ধস এবং স্থানীয়দের বর্ণনা নিশ্চিত করেছে—দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঘটছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে পরিবেশ আইনের আওতায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য বলা হয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। জড়িত তিন ব্যক্তির নাম। তারা হলেন
বান্দরবান জেলা যুবদলের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কাজী মো. হেলাল উদ্দীন (৪৯), সুয়ালক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮), বান্দরবান সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোরশেদুল আলম (৪৭)
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে নদীর চরে বালু উত্তোলন নিয়মিত হচ্ছে। তারা আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,
অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ব্রিজ, রাস্তা এবং আশপাশের বসতবাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন,
মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করলে সাঙ্গু নদী ও গোয়ালিয়াখোলা এলাকার ভাঙন রোধ করা সম্ভব।তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।