ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আউট সোর্সিং জনবল নিয়োগে পরিচালক তুহিনের ২৫ কোটি টাকার টার্গেট বিসিআইসিতে ‘কোকো পরিষদ’ ব্যানারে চেয়ারম্যান ও পিডি’র ক্যাশিয়ার খ্যাত কে এই নজরুল ইসলাম? বাংলাদেশ ব্যাংকে অতিরিক্ত পরিচালক মাসুম বিল্লাহ’র ‘ক্ষমতার রাজত্ব’ চলছে! ফের রাজউক এর প্রধান প্রকৌশলী হতে চান মহাদুর্নীতিবাজ উজ্জ্বল মল্লিক ঢাকা কাস্টমস্ এজেন্টস্ এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে বার্ষিক সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে শিশু তাবাচ্ছুম হ’ত্যা’র ঘটনায় অভিযুক্ত আটক: ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ মাগুরা-২ আসনের এমপি ও সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী-কে নাগরিক সংবর্ধনা প্রাইভেট না পড়লে অর্ধবার্ষিকে নম্বর কেটে দেওয়ার হুমকি শিক্ষকের পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যহীন সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকার মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের

গ্রুপিং রাজনীতিতে মাগুরা-২ ধানের শীষের ভরাডুবির শঙ্কা!

মাগুরা-২ আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য ভরাডুবির দায় কোনো একক ব্যক্তি বা ভোটারের নয়, এর মূল কারণ গ্রুপিং রাজনীতি। বিশেষ করে ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরী এর পাশে থাকা কিছু নেতার ভূমিকা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে মাগুরার রাজনীতিতে তৃণমূলের শক্তিশালী অংশ জড়িয়ে আছে স্বতন্ত্র ধারায়। বারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল সেই ধারার কেন্দ্র-বিন্দু। সর্বশেষ বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে বিএনপি থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজী সালিমুল হক কামালের পক্ষে তৃণমূল বিএনপির বহু সিনিয়র নেতা একতাবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরীর সঙ্গে থাকা বর্তমান গ্রুপটি চায় না, বিএনপির সব আমলের কর্মী-সমর্থক এক হয়ে ধানের শীষে কাজ করুক। কারণটা পরিষ্কার: গ্রুপিং ভাঙলে তাদের বিশেষ অবস্থান ও সুবিধা থাকবে না। তাই ঐক্যের বদলে গ্রুপিং টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে,যা সরাসরি ধানের শীষের ক্ষতি করছে।
বাস্তবতা হলো নিতাই রায়চৌধুরীর তৃণমূল ভিত্তি তুলনামূলক ভাবে দুর্বল। তার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাশে থাকা সংগঠকরা মাঠে বেশি গ্রহণযোগ্য, বেশি প্রভাবশালী এবং ঐক্যবদ্ধ। এই সমীকরণে গ্রুপিং চলতে থাকলে ধানের শীষের ভরাডুবি অনিবার্য হয়ে উঠছে আর লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে কাজী সালিমুল হক কামালের।
মাগুরা-২ এ ধানের শীষের জয়পরাজয়ের চাবিকাঠি এখন ঐক্য। গ্রুপিং রাজনীতি বন্ধ না হলে দায় ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে আর বিজয়ের পাল্লা ঝুঁকবে স্বতন্ত্র ধারার দিকেই।

ট্যাগস

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আউট সোর্সিং জনবল নিয়োগে পরিচালক তুহিনের ২৫ কোটি টাকার টার্গেট

গ্রুপিং রাজনীতিতে মাগুরা-২ ধানের শীষের ভরাডুবির শঙ্কা!

আপডেট টাইম : ০২:৪২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

মাগুরা-২ আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য ভরাডুবির দায় কোনো একক ব্যক্তি বা ভোটারের নয়, এর মূল কারণ গ্রুপিং রাজনীতি। বিশেষ করে ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরী এর পাশে থাকা কিছু নেতার ভূমিকা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে মাগুরার রাজনীতিতে তৃণমূলের শক্তিশালী অংশ জড়িয়ে আছে স্বতন্ত্র ধারায়। বারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল সেই ধারার কেন্দ্র-বিন্দু। সর্বশেষ বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে বিএনপি থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজী সালিমুল হক কামালের পক্ষে তৃণমূল বিএনপির বহু সিনিয়র নেতা একতাবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরীর সঙ্গে থাকা বর্তমান গ্রুপটি চায় না, বিএনপির সব আমলের কর্মী-সমর্থক এক হয়ে ধানের শীষে কাজ করুক। কারণটা পরিষ্কার: গ্রুপিং ভাঙলে তাদের বিশেষ অবস্থান ও সুবিধা থাকবে না। তাই ঐক্যের বদলে গ্রুপিং টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে,যা সরাসরি ধানের শীষের ক্ষতি করছে।
বাস্তবতা হলো নিতাই রায়চৌধুরীর তৃণমূল ভিত্তি তুলনামূলক ভাবে দুর্বল। তার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাশে থাকা সংগঠকরা মাঠে বেশি গ্রহণযোগ্য, বেশি প্রভাবশালী এবং ঐক্যবদ্ধ। এই সমীকরণে গ্রুপিং চলতে থাকলে ধানের শীষের ভরাডুবি অনিবার্য হয়ে উঠছে আর লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে কাজী সালিমুল হক কামালের।
মাগুরা-২ এ ধানের শীষের জয়পরাজয়ের চাবিকাঠি এখন ঐক্য। গ্রুপিং রাজনীতি বন্ধ না হলে দায় ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে আর বিজয়ের পাল্লা ঝুঁকবে স্বতন্ত্র ধারার দিকেই।