ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আউট সোর্সিং জনবল নিয়োগে পরিচালক তুহিনের ২৫ কোটি টাকার টার্গেট বিসিআইসিতে ‘কোকো পরিষদ’ ব্যানারে চেয়ারম্যান ও পিডি’র ক্যাশিয়ার খ্যাত কে এই নজরুল ইসলাম? বাংলাদেশ ব্যাংকে অতিরিক্ত পরিচালক মাসুম বিল্লাহ’র ‘ক্ষমতার রাজত্ব’ চলছে! ফের রাজউক এর প্রধান প্রকৌশলী হতে চান মহাদুর্নীতিবাজ উজ্জ্বল মল্লিক ঢাকা কাস্টমস্ এজেন্টস্ এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে বার্ষিক সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে শিশু তাবাচ্ছুম হ’ত্যা’র ঘটনায় অভিযুক্ত আটক: ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ মাগুরা-২ আসনের এমপি ও সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী-কে নাগরিক সংবর্ধনা প্রাইভেট না পড়লে অর্ধবার্ষিকে নম্বর কেটে দেওয়ার হুমকি শিক্ষকের পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যহীন সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকার মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের

মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩৩) গতকাল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগে উঠে এসেছে।
অভিযোগে জানা যায়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডিউটি শেষে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সাবিনা খাতুন মোহাম্মদপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা গোপালপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে সানি (২০), জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. স্বাধীন (২২), কাউসার আলীর ছেলে মো. রুবেল (২৫) এবং মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৫) জোরপূর্বক তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।
অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী সাবিনা খাতুনকে সানি’র মালিকানাধীন একটি মেহগনি বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জেলার মোহাম্মদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) পুরো ঘটনা অবহিত করেন।
খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফুজ্জামান পুলিশ ফোর্স সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সানি (২০) ও মো. স্বাধীন (২২)-কে আটক করেন। আটককৃত দুই আসামি ও ভুক্তভোগী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন।এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত কি না, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। মেডিকেল রিপোর্টে জানা যাবে কতজন ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু।

ট্যাগস

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আউট সোর্সিং জনবল নিয়োগে পরিচালক তুহিনের ২৫ কোটি টাকার টার্গেট

মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

আপডেট টাইম : ০৬:২৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩৩) গতকাল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগে উঠে এসেছে।
অভিযোগে জানা যায়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডিউটি শেষে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সাবিনা খাতুন মোহাম্মদপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা গোপালপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে সানি (২০), জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. স্বাধীন (২২), কাউসার আলীর ছেলে মো. রুবেল (২৫) এবং মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৫) জোরপূর্বক তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।
অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী সাবিনা খাতুনকে সানি’র মালিকানাধীন একটি মেহগনি বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জেলার মোহাম্মদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) পুরো ঘটনা অবহিত করেন।
খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফুজ্জামান পুলিশ ফোর্স সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সানি (২০) ও মো. স্বাধীন (২২)-কে আটক করেন। আটককৃত দুই আসামি ও ভুক্তভোগী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন।এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত কি না, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। মেডিকেল রিপোর্টে জানা যাবে কতজন ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু।