ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান বান্দরবানের কদুখোলায় ব্যতিক্রমী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯ মাস ১৫ দিনে হিফজ সম্পন্নের নজির মাগুরার মহম্মদপুরে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন বরগুনায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: নওগাঁয় ভূমিমন্ত্রী ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী শ্রীকাইলে ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন, প্রতিদিন মিলবে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জমি দিয়ে নিয়োগ পেলেও স্কুল থেকে বিতাড়িত দুই বোন রাজাপুরে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান

কুষ্টিয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের উত্তেজনা: ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

সোহেল পারভেজ,কুষ্টিয়া-
কুষ্টিয়া -৩ সদর আসনে নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিএনপির দুই গ্রুপের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) রাত ৮ টার দিকে কুষ্টিয়া কোর্টপাড়া এলাকায় অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার পরাজিত হওয়ায় দলীয় নেতারা নিজ এলাকায় সন্তোষজনক ফলাফল না হওয়ায় এ নিয়ে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের প্লাটফর্মে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের দুই গ্রুপের মধ্যে তর্ক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এরপর কুষ্টিয়া শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইমতিয়াজ দিবস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন-সম্পাদক আব্দুস সালাম ও ছাত্রদল নেতা সাগির কুরাইশসহ তাদের নেতাকর্মীরা কুষ্টিয়া জেলা কৃষকদলের আহবায়ক আরিফুর রহমান সুমন ও সদস্য সচিব এডভোকেট নুরুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ইসমাইল হোসেন মুরাদকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উতপ্ত হয়ে ওঠে। স্টেশনের প্লাটফর্মের উপরে থাকা চায়েরদোকানে থাকা বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভাংচুর করে। এরপর দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ এসে দুই গ্রুপকে হুশিয়ারি দিয়ে ধাওয়া করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভড করেন নি।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কবির হোসেন মাতুব্বার বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। আমরা সেখানে কোন ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা পাইনাই।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান

কুষ্টিয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের উত্তেজনা: ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

আপডেট টাইম : ১২:৪৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সোহেল পারভেজ,কুষ্টিয়া-
কুষ্টিয়া -৩ সদর আসনে নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিএনপির দুই গ্রুপের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) রাত ৮ টার দিকে কুষ্টিয়া কোর্টপাড়া এলাকায় অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার পরাজিত হওয়ায় দলীয় নেতারা নিজ এলাকায় সন্তোষজনক ফলাফল না হওয়ায় এ নিয়ে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের প্লাটফর্মে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের দুই গ্রুপের মধ্যে তর্ক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এরপর কুষ্টিয়া শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইমতিয়াজ দিবস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন-সম্পাদক আব্দুস সালাম ও ছাত্রদল নেতা সাগির কুরাইশসহ তাদের নেতাকর্মীরা কুষ্টিয়া জেলা কৃষকদলের আহবায়ক আরিফুর রহমান সুমন ও সদস্য সচিব এডভোকেট নুরুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ইসমাইল হোসেন মুরাদকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উতপ্ত হয়ে ওঠে। স্টেশনের প্লাটফর্মের উপরে থাকা চায়েরদোকানে থাকা বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভাংচুর করে। এরপর দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ এসে দুই গ্রুপকে হুশিয়ারি দিয়ে ধাওয়া করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভড করেন নি।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কবির হোসেন মাতুব্বার বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। আমরা সেখানে কোন ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা পাইনাই।