ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! আবারও ফুটপাত আওয়ামী দোসর খলিলের দখলে বিএনপির সাইনবোর্ডে রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দখলে নিয়েছে খিলগাঁও সাব-রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন তৃণমূলের ক্ষুদ্র উদ্যোগেই গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী গাজীপুরে ৯০ স্টল নিয়ে ৭দিনের বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলার উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ঘটনা এক, ব্যাখ্যা ভিন্ন: শরীয়তপুরে জাতীয়বাদী আইনজীবী ফোরামের সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শুরু সাংগ্রাই উৎসব কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষক মাওলা হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

আবারও ফুটপাত আওয়ামী দোসর খলিলের দখলে

  • ইদ্রিস মাতব্বর :
  • আপডেট টাইম : ১১:২৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭৭০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানী মিরপুরে বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ এর দোসর মিরপুরে চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলো বিগত ১৭ বছর ধরে। আর সীমিত পুঁজির ব্যবসায়ীরা চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ছিল। বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে পড়েছিলেন বিপাকে, ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে চাঁদাবাজদের জন্য হারাতে হয়েছে তাদের সর্বস্ব। ৫ আগস্টের পর যখন নতুন করে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার পূনরুদ্ধার হয়েছে বলে মনে করেছিলেন সাধারণ মানুষ।
মানুষের মন স্বস্তি ফিরে এসেছিলো, এবার বুঝি চাঁদাবাজি বন্ধ হলো। কিন্তু না, শান্তি তাদের ভাগ্যে বেশিদিন রইলো না। কিছুদিন যেতে না যেতেই শুরু হয়ে গেলো বিএনপির অঙ্গ সংগঠন গুলোর কৌশলে চাঁদাবাজির আধিপত্য বিস্তারের কর্মকাণ্ড। আওয়ামী লীগের কিছু চাঁদাবাজদের মাঠ পর্যায় চাঁদা আদায় করার জন্য ব্যবহার করে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা। ধরাছোঁয়ার বাহিরে থেকে চাঁদাবাজি পরিচালনায় থাকেন বিএনপি’র নেতাকর্মী। প্রধান সড়ক, ফুটপাত ও অন্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করা থেকে শুরু করে আওয়ামী অর্থশালী ব্যক্তিদের মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে হয়েছে জিরো থেকে হিরো।
প্রধান সড়কের প্রায় ৭০ ভাগ সড়র বিএনপির দখলে নিয়ে অসহায় দরিদ্র মানুষদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। গত ৫ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ ফুটপাত দখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ করা হয় মিরপুর-১। ১৯ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিএনপি’র চাঁদাবাজ ও প্রশাসনের পক্ষ নিয়ে ফুটপাতের প্রতিটি দোকান থেকে ২৫০০ থেকে ৩০০০ করে টাকা আদায় করেছেন খলিল।
এই বিষয় টি নিশ্চিত করেন ফুটের হকার দোকানি নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক। তিনি জানান প্রতি বছর দুই ঈদে আমাদের কাছ থেকে থানা,ট্রাফিক এর টিআই,দলীয় নেতা এর নাম করে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন খলিল। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চাঁদা আদায় করেছেন ৩৪ টি দোকান থেকে মোট ৮৫ হাজার টাকা।
কে এই খলিল?
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ এর দোসর ও চাঁদাবাজ হকার লীগের সভাপতি খলিল। ফুটপাতের চাঁদাবাজি, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সপ্তাহের টাকা কালেকশনধারী ক্যাশিয়ার খলিল। মিরপুর -১ এর ৬ জন ফুটের লাইন ম্যানদের কাছ থেকে পুলিশের সপ্তাহের টাকা আদায় করেন খলিল নিজেই গোপনে পৌঁছে দিয়ে আসতেন। শুধু তাই নয় নিজেকে তিনি দুধে ধোয়া তুলসী পাতা বলে থাকেন,আর অন্যের কাঁধে চাঁদাবাজির দোষ চাপিয়ে দিয়ে থাকেন বলেও দেখা যায়। খলিলের অধীনে রয়েছে ৩৪ টি ফুটপাতে দোকান, এগুলো দেখভাল করেন খলিল নিজেই। ফুটের দোকানীদের বলে দেওয়া হয়েছে যদি কেউ তাদের জিজ্ঞেস করে চাঁদার বিষয় তা স্বীকার না করার জন্য। যদি কেউ মুখ খুললে তবে তার দোকান থাকবে না আর ফুটপাতে। হকার দোকানী জানান দোকান হারানোর ভয়ে সত্য প্রকাশ করতে পারছেন না তারা।

বিগত ৩০ বছর ধরে কো- অপারেটিভ মার্কেট এর সামনে অবৈধ ভাবে প্রধান সড়কের একটি অংশ দখল করে ৩৪টি অস্থায়ী দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন খলিল। শুধু তাই নয় নিজেকে এই চাঁদাবাজির দায় থেকে এড়াতে অন্য ব্যাক্তিকে প্রতিদিন ৩০০ টাকা বেতন ভুক্ত করে তাকে দিয়ে চাঁদা আদায় করিয়ে থাকেন।
৫ আগস্ট ২০২৪ এ খলিল ও মদদদাতা এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, শরিফ, দেলোয়ার খান সহ আরো অনেকেই পলাতক ছিলো। বর্তমানে বিএনপির অর্থ লোভী নেতাদের সাথে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সমন্বয় করে তারা এলাকায় এসে প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা যায়। খলিল এখন বিএনপির নেতা কর্মীদের মদদে চলছে। খলিলকে এ বিষয় জিজ্ঞেস করলে তিনি সাংবাদিকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন চাঁদাবাজির টাকা কি আমি খাই, যারা খায় তাদেরকে ধরেন। চাঁদাবাজির টাকার ভাগ কোথায় যায় তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো ট্রাফিক টিআই জুবায়ের প্রতিমাসে মাসে ৩০ হাজার, ক্রাইম এর এসি কে দিতে হয় ৩০ হাজার টাকা। এছাড়াও রেকার এর দিতে হয় প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকা। আগে ফাঁড়ির আই সি(এস আই) মনিরকে সপ্তাহে ৬ হাজার টাকা দিতাম, এখন তা দেওয়া হয় না। এতে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলেন আগেই ভালো ছিলাম এখন চাঁদাবাজের শেষ নেই, যুবদল, সেচ্ছাসেবক দল মূল দল, ছাত্রদল সহ নানা দলের চাঁদাবাজদের উৎপত্তি বেড়েছে। তাদের অত্যাচারে আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।
বিএনপির লোকজন ফুটপাত দখল করে কেউ ২টি, কেউ ৫টি করে দোকান বসিয়ে প্রতিটি দোকান থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করে আসছে। আওয়ামী লীগের আমলে যেখানে ফুটপাতে দোকান ছিলো এক হাজার, ৫ আগস্টের পর থেকে দাড়িয়েছে চার হাজারেরও বেশি।
গত ৫ এপ্রিল মিরপুর-১ ফুটপাট দখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসন। ৭ এপ্রিল হকারদের নিয়ে গোপন বৈঠক করেন খলিল। ১২ এপ্রিল ফের প্রধান সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বসানো হয়েছে দোকান। ৩০ বছর ধরে চাঁদাবাজি করে আজ অর্ধ কোটি টাকার সম্পদ গড়েতুলেছে। এই খলিল এর ক্ষমতার উৎস কোথায়? আরো বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্বে……..

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

আবারও ফুটপাত আওয়ামী দোসর খলিলের দখলে

আপডেট টাইম : ১১:২৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানী মিরপুরে বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ এর দোসর মিরপুরে চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলো বিগত ১৭ বছর ধরে। আর সীমিত পুঁজির ব্যবসায়ীরা চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ছিল। বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে পড়েছিলেন বিপাকে, ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে চাঁদাবাজদের জন্য হারাতে হয়েছে তাদের সর্বস্ব। ৫ আগস্টের পর যখন নতুন করে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার পূনরুদ্ধার হয়েছে বলে মনে করেছিলেন সাধারণ মানুষ।
মানুষের মন স্বস্তি ফিরে এসেছিলো, এবার বুঝি চাঁদাবাজি বন্ধ হলো। কিন্তু না, শান্তি তাদের ভাগ্যে বেশিদিন রইলো না। কিছুদিন যেতে না যেতেই শুরু হয়ে গেলো বিএনপির অঙ্গ সংগঠন গুলোর কৌশলে চাঁদাবাজির আধিপত্য বিস্তারের কর্মকাণ্ড। আওয়ামী লীগের কিছু চাঁদাবাজদের মাঠ পর্যায় চাঁদা আদায় করার জন্য ব্যবহার করে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা। ধরাছোঁয়ার বাহিরে থেকে চাঁদাবাজি পরিচালনায় থাকেন বিএনপি’র নেতাকর্মী। প্রধান সড়ক, ফুটপাত ও অন্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করা থেকে শুরু করে আওয়ামী অর্থশালী ব্যক্তিদের মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে হয়েছে জিরো থেকে হিরো।
প্রধান সড়কের প্রায় ৭০ ভাগ সড়র বিএনপির দখলে নিয়ে অসহায় দরিদ্র মানুষদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। গত ৫ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ ফুটপাত দখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ করা হয় মিরপুর-১। ১৯ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিএনপি’র চাঁদাবাজ ও প্রশাসনের পক্ষ নিয়ে ফুটপাতের প্রতিটি দোকান থেকে ২৫০০ থেকে ৩০০০ করে টাকা আদায় করেছেন খলিল।
এই বিষয় টি নিশ্চিত করেন ফুটের হকার দোকানি নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক। তিনি জানান প্রতি বছর দুই ঈদে আমাদের কাছ থেকে থানা,ট্রাফিক এর টিআই,দলীয় নেতা এর নাম করে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন খলিল। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চাঁদা আদায় করেছেন ৩৪ টি দোকান থেকে মোট ৮৫ হাজার টাকা।
কে এই খলিল?
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ এর দোসর ও চাঁদাবাজ হকার লীগের সভাপতি খলিল। ফুটপাতের চাঁদাবাজি, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সপ্তাহের টাকা কালেকশনধারী ক্যাশিয়ার খলিল। মিরপুর -১ এর ৬ জন ফুটের লাইন ম্যানদের কাছ থেকে পুলিশের সপ্তাহের টাকা আদায় করেন খলিল নিজেই গোপনে পৌঁছে দিয়ে আসতেন। শুধু তাই নয় নিজেকে তিনি দুধে ধোয়া তুলসী পাতা বলে থাকেন,আর অন্যের কাঁধে চাঁদাবাজির দোষ চাপিয়ে দিয়ে থাকেন বলেও দেখা যায়। খলিলের অধীনে রয়েছে ৩৪ টি ফুটপাতে দোকান, এগুলো দেখভাল করেন খলিল নিজেই। ফুটের দোকানীদের বলে দেওয়া হয়েছে যদি কেউ তাদের জিজ্ঞেস করে চাঁদার বিষয় তা স্বীকার না করার জন্য। যদি কেউ মুখ খুললে তবে তার দোকান থাকবে না আর ফুটপাতে। হকার দোকানী জানান দোকান হারানোর ভয়ে সত্য প্রকাশ করতে পারছেন না তারা।

বিগত ৩০ বছর ধরে কো- অপারেটিভ মার্কেট এর সামনে অবৈধ ভাবে প্রধান সড়কের একটি অংশ দখল করে ৩৪টি অস্থায়ী দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন খলিল। শুধু তাই নয় নিজেকে এই চাঁদাবাজির দায় থেকে এড়াতে অন্য ব্যাক্তিকে প্রতিদিন ৩০০ টাকা বেতন ভুক্ত করে তাকে দিয়ে চাঁদা আদায় করিয়ে থাকেন।
৫ আগস্ট ২০২৪ এ খলিল ও মদদদাতা এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, শরিফ, দেলোয়ার খান সহ আরো অনেকেই পলাতক ছিলো। বর্তমানে বিএনপির অর্থ লোভী নেতাদের সাথে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সমন্বয় করে তারা এলাকায় এসে প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা যায়। খলিল এখন বিএনপির নেতা কর্মীদের মদদে চলছে। খলিলকে এ বিষয় জিজ্ঞেস করলে তিনি সাংবাদিকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন চাঁদাবাজির টাকা কি আমি খাই, যারা খায় তাদেরকে ধরেন। চাঁদাবাজির টাকার ভাগ কোথায় যায় তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো ট্রাফিক টিআই জুবায়ের প্রতিমাসে মাসে ৩০ হাজার, ক্রাইম এর এসি কে দিতে হয় ৩০ হাজার টাকা। এছাড়াও রেকার এর দিতে হয় প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকা। আগে ফাঁড়ির আই সি(এস আই) মনিরকে সপ্তাহে ৬ হাজার টাকা দিতাম, এখন তা দেওয়া হয় না। এতে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলেন আগেই ভালো ছিলাম এখন চাঁদাবাজের শেষ নেই, যুবদল, সেচ্ছাসেবক দল মূল দল, ছাত্রদল সহ নানা দলের চাঁদাবাজদের উৎপত্তি বেড়েছে। তাদের অত্যাচারে আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।
বিএনপির লোকজন ফুটপাত দখল করে কেউ ২টি, কেউ ৫টি করে দোকান বসিয়ে প্রতিটি দোকান থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করে আসছে। আওয়ামী লীগের আমলে যেখানে ফুটপাতে দোকান ছিলো এক হাজার, ৫ আগস্টের পর থেকে দাড়িয়েছে চার হাজারেরও বেশি।
গত ৫ এপ্রিল মিরপুর-১ ফুটপাট দখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসন। ৭ এপ্রিল হকারদের নিয়ে গোপন বৈঠক করেন খলিল। ১২ এপ্রিল ফের প্রধান সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বসানো হয়েছে দোকান। ৩০ বছর ধরে চাঁদাবাজি করে আজ অর্ধ কোটি টাকার সম্পদ গড়েতুলেছে। এই খলিল এর ক্ষমতার উৎস কোথায়? আরো বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্বে……..