ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, অনুমোদনের বাইরে বাড়তি নির্মাণের অভিযোগ রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সিদ্ধিরগঞ্জে আইবিডব্লিউএফের বস্ত্র ব্যবসায়ী থানা কমিটি গঠন প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি বারি’র আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন কালিহাতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ঈশ্বরদীতে জাকারিয়া পিন্টু ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে এক ডজন মামলা: আতঙ্কে এলাকাবাসী, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন মুরাদনগরে সম্পত্তির দ্বন্দ্বে ভাইয়ের হাতে বোন-ভাতিজা খু/ন সিন্ডিকেটের সুবিধা দিতেই কি পেট্রোবাংলার ৩০% জামানতের কড়া নিয়ম?

উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার ( ১৫ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাহাবুদ্দিন নান্নু লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ৭ নভেম্বর যৌথবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে আমার স্নেহাস্পদ সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজী একটি অবৈধ পিস্তল নিয়ে আটক হয়। এ ব্যাপারে আমি সহ মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সমস্ত নেতাকর্মী মর্মাহত ও ব্যথিত। আমি সভাপতি হিসেবে মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সমস্ত নেতা- কর্মীদের জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজীর পরিবারের পাশে দাড়াবার নির্দেশ দেই। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় গত ১০ নভেম্বর জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজীর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার অনুর হঠাৎ করে সংবাদ সম্মেলনে আমাকে এবং উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দদেরকে জড়িয়ে সংবাদ পরিবেশনে আমি-সহ মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি বিস্মিত ও ব্যথিত হই।

তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে দোষী সাবস্ত্য করে জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজীর স্ত্রী’র এ সংবাদ সম্মেলনে আমি ও আমার পরিবারের সম্মানহানি ঘটানো হয়েছে। শুধু তাই নয় মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের পরিচ্ছন্নতা ও সুনামের উপর আঘাত হানার অপচেষ্টা করা হয়েছে যেটা কাম্য নয়।’

সাহাবুদ্দিন নান্নু বলেন, ‘জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজী দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতি করে আসছেন। আমরা চাই আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে তিনি নির্দোষ প্রমাণ করে মুক্তি পাক। আমরা মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি এখনও তার পরিবারের প্রতি সহানুভূতিশীল আছি এবং থাকব। মির্জাগঞ্জ বিএনপি সুনামের সহিত চলছে এবং চলবে। এখানে কেউ কালিমার লেপন দিতে চাইলে তা মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি মেনে নিবেন না।’ পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানউল্লাহ পিন্টু, সহ-সভাপতি গোলাম ফারুক মুন্সি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মুন্সি প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, অনুমোদনের বাইরে বাড়তি নির্মাণের অভিযোগ

উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : ০৮:৫৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৪

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার ( ১৫ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাহাবুদ্দিন নান্নু লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ৭ নভেম্বর যৌথবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে আমার স্নেহাস্পদ সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজী একটি অবৈধ পিস্তল নিয়ে আটক হয়। এ ব্যাপারে আমি সহ মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সমস্ত নেতাকর্মী মর্মাহত ও ব্যথিত। আমি সভাপতি হিসেবে মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সমস্ত নেতা- কর্মীদের জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজীর পরিবারের পাশে দাড়াবার নির্দেশ দেই। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় গত ১০ নভেম্বর জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজীর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার অনুর হঠাৎ করে সংবাদ সম্মেলনে আমাকে এবং উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দদেরকে জড়িয়ে সংবাদ পরিবেশনে আমি-সহ মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি বিস্মিত ও ব্যথিত হই।

তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে দোষী সাবস্ত্য করে জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজীর স্ত্রী’র এ সংবাদ সম্মেলনে আমি ও আমার পরিবারের সম্মানহানি ঘটানো হয়েছে। শুধু তাই নয় মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের পরিচ্ছন্নতা ও সুনামের উপর আঘাত হানার অপচেষ্টা করা হয়েছে যেটা কাম্য নয়।’

সাহাবুদ্দিন নান্নু বলেন, ‘জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজী দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতি করে আসছেন। আমরা চাই আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে তিনি নির্দোষ প্রমাণ করে মুক্তি পাক। আমরা মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি এখনও তার পরিবারের প্রতি সহানুভূতিশীল আছি এবং থাকব। মির্জাগঞ্জ বিএনপি সুনামের সহিত চলছে এবং চলবে। এখানে কেউ কালিমার লেপন দিতে চাইলে তা মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি মেনে নিবেন না।’ পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানউল্লাহ পিন্টু, সহ-সভাপতি গোলাম ফারুক মুন্সি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মুন্সি প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট